<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403</id><updated>2011-08-19T04:35:33.229-07:00</updated><category term='Articles(প্রবন্ধ)'/><category term='Memorial (স্মরন)'/><category term='Science Fiction(সায়েন্স ফিকশন)'/><category term='Poetry(ছড়া-কবিতা)'/><category term='অনুরোধ'/><category term='Philosophy(মুক্তচিন্তা)'/><category term='Reaction(প্রতিক্রিয়া)'/><category term='Medical Jokes(মেডিকেল জোকস)'/><category term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><category term='Column(কলাম)'/><category term='Feature(ফিচার)'/><category term='Storiesগেল্প)'/><category term='Get health tips:5 minutes each(৫ মিনিটের হেলথ টিপস্)'/><title type='text'>DHAKA VOICE</title><subtitle type='html'>Muhibbur Rahman Rafe</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>64</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-3693445003962011050</id><published>2010-07-22T23:22:00.000-07:00</published><updated>2010-07-22T23:30:18.526-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Reaction(প্রতিক্রিয়া)'/><title type='text'>গোপন রহস্য ফাঁসঃ বিশেষ দলের নিউজ করবার সময় সাংবাদিকদের গঞ্জিকা সেবন বাধ্যতামূলক</title><content type='html'>(প্রথম পর্ব) বিশেষ সংবাদদাতাঃ&lt;br /&gt;অবশেষে প্রকাশিত হলো বাংলাদেশের তথাকথিত স্বনামধন্য পত্রিকাগুলোর সাম্প্রতিক চমৎকার পারফর্মেন্স এর নেপথ্য রহস্যটি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দৈনিক তালের কন্ঠ ও বাংলাদেশী পলিথিন পত্রিকার দুজন স্টাফ রিপোর্টার এক ঘরোয়া আড্ডায় এ রহস্য প্রকাশ করেন। তারা বলেন, বিগত ১/১১ এর পর এ চমকপ্রদ ধারনাটি সফলতা পাবার পর এ বছরের জুলাই মাসের শুরু থেকেই পত্রিকা কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ ইসলামী দলের নিউজ কাভার করার আগে বা ডেস্ক রিপোর্ট তৈরী করার আগে সংশ্লিষ্ট বীট কাভার করেন এমন সাংবাদিকদের গঞ্জিকা সেবন বাধ্যতামূলক করেছেন। এজন্য প্রকাশক কর্তৃপক্ষ আলাদা ''গঞ্জিকা ভাতা'' বরাদ্দের ব্যবস্থা করেছেন। পুরো ব্যাপারটি অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে করা হচ্ছে বলে তারা এই প্রতিবেদককে জানান। কথা প্রসঙ্গে আরও জানা যায় সরকারের নির্দেশ ক্রমে দৈনিক বিয়োগান্তর, বদলে ফেলো, স্ব-মাতাল, র-কন্ঠ, আমাদের দুঃসময়, ইজ্জতফাক, ইনকি-ব্লাফসহ আরো কিছু ইলেকট্রনিক মিডিয়া যেমন চ্যানেল নাই, চ্যানেল শেষ, চ্যানেল ইভারহমান এর সাংবাদিকদের জন্য প্রতিদিন সংবাদ লেখার পূর্বে গঞ্জিকা সেবন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তারা জানান, কর্তৃপক্ষের ধারনা সেবনের পর থেকে পত্রিকার কাটতি প্রায় দেড়গুন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সরকার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে পত্র দেয়া হয়েছে। তবে তারা এজন্য কিছু কিছু সমস্যায় পড়ছেন বলে জানা গেছে। যেমন একই রিপোর্টে সত্য মিথ্যা উভয়ই লিখে ফেলায় পাঠক এর বিশ্বাস যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন এবং পত্রিকা অফিসে গালাগাল দিয়ে জন সাধারন ফোন করছেন। এ সমস্যার তড়িৎ সমাধানে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ ইন্ডিয়ার তৈরী ‌পুরাতন '' জেএমবি'' ব্র্যান্ডের গঞ্জিকার বদলে ইসরাইলী ফর্মুলায় তৈরী, আফগানিস্তান থেকে ''তালেবান'' ও '' আল-কায়েদা'' ব্র্যান্ডের গঞ্জিকা সরবরাহের ব্যবস্খা নিচ্ছেন। (দ্বিতীয় পর্বে সমাপ্য)&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-3693445003962011050?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/3693445003962011050/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2010/07/blog-post_3245.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/3693445003962011050'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/3693445003962011050'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2010/07/blog-post_3245.html' title='গোপন রহস্য ফাঁসঃ বিশেষ দলের নিউজ করবার সময় সাংবাদিকদের গঞ্জিকা সেবন বাধ্যতামূলক'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-7263363442049010910</id><published>2010-07-22T23:12:00.000-07:00</published><updated>2010-07-22T23:20:14.256-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Reaction(প্রতিক্রিয়া)'/><title type='text'>এমন ''ডেডিকেটেড'' কর্মী ইসলামী আন্দোলনে থেকেও কি লাভ??</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/TEk0YkP7RBI/AAAAAAAAAKE/_LuRA2BJHJk/s1600/123.jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 400px; height: 300px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/TEk0YkP7RBI/AAAAAAAAAKE/_LuRA2BJHJk/s400/123.jpg" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5496982416834380818" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;ইসলামী আন্দোলন করেন বা মন দিয়ে ভালোবাসেন এমন অনেককেই দেখি বড় বড় গলায় নানাভাবে প্রমাণের চেষ্টা করেন তিনি ইসলামী আন্দোলনের জন্য জিন্দাদীল মুজাহিদ। গলা উঁচু করে বলেন, ভাই যে কোন সময় ডাক এল ময়দানে সব কিছু ত্যাগ করে ঝাঁপিয়ে পড়ব। ব্যবসা-বানিজ্য, চাকুরী, দুনিয়াবী সহায় সম্পদ তো কিছুই নয়, যে কোন সময়ে ডাক এলে জীবনটা পর্যন্ত দিয়ে দিতে পারি। আশে পাশের লোক উদ্বেলিত হয়, অবাক চোখ তার দিকে তাকিয়ে ভাবে আর মনে করে, আহা! কতইনা ডেডিকেটেড। সংগঠনের প্রতিটি লোক যদি এমন হোত, তাহলে এতদিনে পুরো সিনারিওটাই বদলে যেত।&lt;br /&gt;এ জাতীয় লোকদের সংখ্যা অল্প তবে একবারে কমও নয়। মাঝে সাঝে সুযোগ পেলেই গাল ভরা বুলিতে শুনিয়ে দেন, তার ছাত্রজীবনের বীরত্বের গাঁথা নানা কাহিনী। তিনি না থাকলে তখন সেখানে নাকি সংগঠন নামক বস্তু কি, তা-ই মানুষ জানত না। বলতে বলতে আবার খানিক দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন, তাদের সময়টা ছিল স্বর্নযুগ। আর এখনকার ছেলে-পেলে, কি যে হলো, এদের কোন লেভেলই নেই। কি যে হবে আগামীতে ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। আমাদের সময়ে আমরা বিরোধীদের টনক নাড়িয়ে দিয়েছি, আর এখন সব কেমন যে ম্যান্দা মারা।&lt;br /&gt;অহরহ এ জাতীয় ‌‌'' অতি ডেডিকেটেড' ভাইদের মুখোমুখি হই। কিন্তু তারা নিজেরাও বোঝেন না যে নিজের অজান্তেই আল্লাহর অসন্তুষ্টির কোপানলে পড়ে যাচ্ছেন, হেরে যাচ্ছেন নিজের তৈরী করা গর্তে পতিত হয়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হায়! তাদের ক্যারিয়ার, ব্যবসা-বানিজ্য, চাকুরী আর সংসারসহ ব্যক্তিগত ব্যস্ততা আজ এতটাই বেশি, আজ সেই ''গালভরা'' ডেডিকেশন দেখাবার সুযোগই হয়না। যখনই কোন কর্মসূচীর ব্যাপারে বলা হয়, জবাব আসে;&lt;br /&gt;১)ভাই! বুঝবেন তো না। আমার মতো সমস্যা যদি আপনার থাকত, তাহলে এভাবে বলতেন না।&lt;br /&gt;২)কি করব বলেন? মনটা পড়ে ছিল, কিন্তু শত চেষ্টাতেও ম্যানেজ করতে পারলাম না। আগামীতে যে কোন কর্মসূচী আসুক, ইনশাল্লাহ মিস হবেনা। (সে আগামী আর আসেনা)।&lt;br /&gt;৩)ইস! এমন সময় খবরটা দিলেন ভাই, হাত পা একদম বাঁধা। একটু আগে যদি জানাতেন, আমি যেভাবে হোক ম্যানেজ করতাম। এখন আপনি বলুন, কি করি?&lt;br /&gt;৪)যাক! আসলে অনেক ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও এবারই শুধু মিস করলাম। সামনের বার কিন্তু আমাকে না জানালে আমি ভীষণ মাইন্ড করব ( কিন্তু মাইন্ড করবার সময়টিও যে নেই)।&lt;br /&gt;৫)এটা কোন প্রোগ্রামের টাইম হল? উনারা কি আমাদের মতো চাকুরী করেন নাকি? দু পাঁচটা অফিস চালাতেন, বুঝতেন আমাদের কি জ্বালা?&lt;br /&gt;৬) আজকে আপনাদের কেন্দ্রীয় নেতা অমুক-অমুকের কারনেরই এ অবস্থা। কি জন্য নির্বাচনে গেল? কে বলেছিল সংসদের যেতে? আমি আগে থেকেই এসব পছন্দ করতাম না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কর্মসূচী আর করনীয় নিয়ে এই ডেডিকেটেড ভাইদের অনেকে এমনই বারংবার বিরক্ত করার পর একসময় মিথ্যা বলতে থাকেন। এরপর হয়ে উঠেন অসহিষ্ণু। বলেন,&lt;br /&gt;''ভাই! আমাকে ডাকাডাকি করবেন না। আপনাদের নেতাদের চেনা হয়ে গেছে। কে বলেছিল, বেশি বুঝে এমন কর্মসূচী দিতে? বারবার বলা হল, এভাবে করবেন না। এর দায়ভার কে নেবে? এমন অর্বাচীন নেতাদের সংগঠনে কাজ করা আর না করার কোন পার্থক্য নেই।''&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হায়রে বিবর্তন। হায়রে সেক্রিফাইস! হায়রে তার সোনালী অতীত! সেই সব ছেড়ে দেবার দিনটি আর আসেনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাবির ঘটনার পর সারা দেশে যে নির্মম নির্যাতন হয়েছে, প্রতিটি ঘরে ঘরে, মেসে মেসে হানা দিয়ে নির্মমতার চিরুনীতে শিকার হলো কতো নিরীহ মানুষ। মনে খারাপ লাগে তবু হৃদয়ে এতটুকু সাড়া জাগেনা। তিনি আবার বলেন, ''কে বলেছে জাগেনা। আপনি কি বোঝেন?''&lt;br /&gt;আমি বলি, “আমি সত্যিই কম বুঝি। তবে এটা বুঝি, সত্যিই জাগেনা, সে তো মোহে পড়ে বধির হয়ে আছে।''&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সর্বোচ্চ ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে চালানো হচ্ছে শতাব্দীর বর্বরোচিত নির্যাতন, যা পাক হানাদাররাও এদেশের তৎকালীন শীর্ষ নেতাকে গ্রেফতারের পরে চালায়নি। সর্বোচ্চ নেতাদের বন্দী করবার পর দুর্বলতম ব্যক্তিটিও প্রতিবাদে শামিল হয়েছে। সমর্থক বলে বছরের পর বছর যাকে হেলা করেছি, উদ্বেল হয়ে ফোন দিয়ে জানতে চায়,&lt;br /&gt;''কোথায় যাব? কি নির্দেশ?''&lt;br /&gt;আমিও শরমিন্দা হই, পরীক্ষার জালে বন্দী হয়ে আত্মগ্লানিতে ছটফট করি। হৃদয়ের কান্নাকে লুকোবার চেষ্টা করি।&lt;br /&gt;''ভাই! কোন খবর জানা নেই? এলেই জানাবো। তবে সর্বাবস্থায় ধৈর্য্য ও সবর। কোন উষ্কানীতে, কোন সহিংসতায় কখনও নয়, কেননা ওরা চায় সে ফাদেই আমাদের পা পড়–ক।''&lt;br /&gt;কোর্টে হাজিরার প্রথম দিন তো জনস্রোতে আর শুভকামনায় সব গ্লানি ভেসে যাবার কথা। হয়েছে হয়তোবা। কিন্তু আপনি কি ছিলেন?&lt;br /&gt;ওহ হো! সময় তো হয়নি। জানি! সুবিধাজনক সময় আর আসবেনা। আর জীবন দেবার প্রয়োজন হবেনা।&lt;br /&gt;আন্দোলন আপনার জীবন চায় না, এখন চায় সময়।&lt;br /&gt;আপনার রোজগারের অংশীদারিত্ব।&lt;br /&gt;আপনার দোয়ার অংশীদারিত্ব।&lt;br /&gt;আপনার ডেডিকেশনের অংশীদারিত্ব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার পরিচিত এমনই একজন 'ডেডিকেটেড'। মাঝে মধ্যেই কাছে এসে জিজ্ঞাসা করেন,&lt;br /&gt;''ভাই! সংবাদ কি? মনটা খুব খারাপ। কিছু ভাল্লাগেনা। মনে হয় সব ছেড়ে-ছুড়ে নেমে যাই। উনাদের না নিয়ে যদি আমাকে নিত, তাও আল্লাহর কাছে বলতে পারতাম, সান্তনা পেতাম।''&lt;br /&gt;আমি বলি, হুম! সংগ্রাম রাখেন না? অন্য সময় জানিনা, এ সময়ে তো প্রতিদিন এটা রাখার দরকার, পরিবারকেও পড়ানো দরকার। অন্যরা তো রুপকথা লিখছে। তো কালকের মিটিং এ গিয়েছিলেন নাকি?''&lt;br /&gt;''নারে ভাই! আসলে দুনিয়াদার হয়ে গেছি তো। আর বাসার সবাই প্রথম আলো চায়, এর উপর সংগ্রাম রাখলে বাড়তি খরচ। তাই খবরও পাইনা। আমি একা মানুষ। দোকান ফেলে কেমনে যাই? তাই এখন ছোট-খাট মিটিং এ যাবার ফুরসত বের করতে পারিনা। আপনি গেছিলেন নাকি?''&lt;br /&gt;''হুম! পরীক্ষার মধ্যেও মন মানল না, রওনা হয়েছিলাম। মাঝপথে যেয়ে শুনি সকলকে চলে যেতে বলা হয়েছে।''&lt;br /&gt;হঠাৎ জানতে চাই, ''তো জরুরী তহবিলে সকলকে দানের কথা বলা হয়েছিল। আপনার খবর কি?''&lt;br /&gt;''আচ্ছা! বলেন তো! একটা কথা হলো পুরো মাসেরটা দিতে হবে। উনারা কি আমাদের কথা ভাবেন?''&lt;br /&gt;''ঠিক আছে! নাহয় অর্ধ মাস দেবেন। তা নাহলে সর্বোচ্চ যেটা সম্ভব, দেবেন। আল্লাহ তো সাক্ষী থাকলেন। তাইনা? ডেডলাইন তো এক মাস আগেই শেষ। তো দিয়েছেন কতো? ''&lt;br /&gt;''ও তাই নাকি? আচ্ছা দেখি, কতো দিতে পারি।''&lt;br /&gt;''সারা দেশে নফল রোযা রাখার কথা বলা হয়েছিল, তাতো মনে হয় রেখেছেন? নাকি তারও সময় হয়নি?&lt;br /&gt;''এহ হে! তাই নাকি? কবে বলেন তো? আমি ভাই সত্যিই জানতাম না?''&lt;br /&gt;''হুম!বুঝলাম। তো অ্যাট-লিস্ট প্রতি ফরজ নামাযের পর দোয়া করছেন, এটি তো আশা করতে পারি।''&lt;br /&gt;''হে! হে! আরে সেটা বলা লাগে নাকি? ওটা তো দায়িত্ব। মনে পড়লেই করি। ভাই! ব্রাজিলের খেলা দেখছেন নাকি?” তিনি জানতে চাইলেন।&lt;br /&gt;''আমি খেলা খুব একটা দেখিনা। আর এ সিচুয়েশনে খেলা দেখার মানসিকতা আসে নাকি?''&lt;br /&gt;''কালকে দুই কেজি মিষ্টি কিনে পোলাপাইন খাইয়েছি ব্রাজিল হেরেছে, তাই। আজকেও পাঁচ কেজির টাকা রাখছি আর্জেন্টিনা জিতলে পোলাপাইন খাওয়ামু।''&lt;br /&gt;আমি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ি, দৃষ্টি ঘোলা হয়ে আসে। এই কি সে ব্যক্তি, যে কিনা ছাত্রজীবনে হেই করেছি, হুই করেছি বলে গল্প দিয়ে আমাকে ঈর্ষান্বিত করত?&lt;br /&gt;হায়রে কনসেপশন! হায় ডেডিকেশন!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ অসহনীয় দুঃসময়ে মন উদ্বেলিত হয়না!!&lt;br /&gt;সেক্রিফাইসের জন্য আরও অপেক্ষi করে যাচ্ছেন কবে আসবে সেই চুড়ান্ত সময়?&lt;br /&gt;এর চাইতে দুঃসময়ের আশা, আপনি করেন কি করে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর কোন বিপদের জন্য অপেক্ষমান, আপনার সেক্রিফাইস?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর কোন ধরনের নির্যাতনের জ্বালানী প্রয়োজন, আপনার ত্যাগের মহাযান উৎক্ষেপনে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিসের জন্য অপেক্ষা, হাজারো মজলুমের কন্ঠে কণ্ঠ মেলাতে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার খালি পায়ে হাঁটবার জন্য, আর কতো বেশি বর্ষা আর কর্দমাক্ত পথের প্রয়োজন?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর কতো ডাকতে হবে, আপনার কুম্ভকর্ণের বেঘোর ঘুম ভাঙ্গাতে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর কি শুধু আপনার দুয়ারে হাত পাতার অপেক্ষা, পকেট হতে মহামূল্যবান দু-একশো টাকা উপঢৌকন পেতে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফেসবুক আর ব্লগে বসে, চ্যাট করে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দেবার সময় হয়, যে আন্দোলনকে জীবন দিয়ে ভালোবাসি, তার জন্য এক কিলোবাইট খরচ করার কথা সত্যিই স্মরনে আসে না?&lt;br /&gt;মোবাইলে শত-সহস্র মিনিট যায়, কাউকে মনে করে একটু বলা হয়না?&lt;br /&gt;কলম দিয়ে সহস্র লাইন লিখে যাই, ভালোবাসা এ আন্দোলনের জন্য কলমের কালি শুকিয়ে যায়।&lt;br /&gt;আপনি যে মনে ও মুখে এক নন, তা প্রমাণ করবার জন্য আর কিছুর দরকার আছে কি?&lt;br /&gt;অবচেতন আপনার মন হয়তবা ভাবছে, আমি তো নিরাপদেই আছি, ক্ষতি কি?&lt;br /&gt;এ আত্মবিশ্বাস ক্ষণিকের। আপনার ক্যারিয়ার, আপনার ব্যবসা, আপনার ব্যস্ততার যত নিয়ামক আর আপনার রেখে যাওয়া প্রিয় উত্তরসূরী, যার জন্য আজ আন্দোলনে দেবার মতো সময় নেই, সে কিংবা সবকিছু যে আগামী যে কালো মেঘে ছেয়ে যাবেনা, তারও বা কি গ্যারান্টি আছে নিজের কাছে?&lt;br /&gt;অনাগত যে ঝড় আসছে, তাতে ক্ষুদ্রকায় বৃক্ষটিও যে ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি পড়ছে।&lt;br /&gt;সেক্রিফাইসের সুযোগ যদিওবা আসে, আপনি নিশ্চিত থাকুন মহান আল্লাহর অতো ঠেকা নেই, আমাদের সে সেক্রিফাইস নেবার? বলে কয়ে ''মহা মূল্যবান'' যে সেক্রিফাইসের জন্য তসবিহ গুনছি, তার কানাকড়ি মূল্য নেই আল্লাহর কাছে।&lt;br /&gt;বিশ্বাস করুন! সত্যিই নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সময়ে যে ক্যারিয়ার ত্যাগের জন্য এগিয়ে আসে না, সে ক্যারিয়ার সত্যিই কি আপনাকে-আমাকে মুক্তি দেবে? আল্লাহই ভালো জানেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সন্তান-পরিবার আর বন্ধু-বান্ধব নিয়ে রাত বারটায় ব্রাজিলের খেলা দেখবার সময় নিশ্চয়ই স্মরণে থাকবার কথা নয় সে সময়টিতেই শহরের আরেক গলিতে কবরের মতো চাপা, প্রচন্ড গরমে ফ্যানহীন ঘরে, তিনশত পাওয়ারের বাতির নিচে আপনার ''কথিত'' প্রিয় লোকগুলোর প্রভুর কাছে সাহায্য চেয়ে দীর্ঘশ্বাস! মনের চোখ দিয়ে আপনার দিকে একরাশ প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে থাকবার কথা।&lt;br /&gt;নিশ্চয়ই কল্পনাতে আসে না ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশনে আক্রান্ত পিতাকে একবেলার একটু খাবার, প্রেসারের ওষুধ কিংবা ইনসুলিন পৌছে দেবার জন্য জালিমের বন্ধ দরজায় সকাল থেকে রাত্রি বারটায় শুকনো মুখে বসে থাকা সন্তানগুলোর কথা।&lt;br /&gt;বিবেকের দুয়ারে সত্যিই কড়া নাড়েনা প্রিয়তম পিতাকে এক নজর দেখবার অপরাধে নিরপরাধ সন্তানটির দুদিনের রিমান্ড আর অনির্দিষ্ট কালের জন্য হাজতবাসের ঘটনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সত্যিই! বিপদ যখন আমার নয়, তখন এতটুকু চেতনাতে আসবার কথা নয় যে হলে না থাকতে পেরে বাবার টাকার খরচ করে মেসে থাকা ছেলেগুলো পালিয়ে পালিয়ে বেড়ানো আর খুনে ডাকাতের মতো ফেরার হওয়া, পরীক্ষা না দিতে পারার বেদনায় গুমড়ে মরা চাপা কান্না। (সে তো আর আপন ভাই নয়!)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধন্যি! আপনার ভালোবাসা। ধন্যি আপনার ডেডিকেশন! ধন্যি আপনার সেক্রিফাইস! ধন্যি আপনার আন্দোলনের ক্লিয়ার কনসেপশনকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(যে সিড়ি বেয়ে চিরন্তন শান্তির প্রত্যাশা, তার পথে আমার গতি কতটুকু? চেষ্টা কতটুকু? যা আছে তাকি যথেষ্ট, প্রিয় বন্ধ। আমিও যে আপনাদের মতো অপরাধী। আসুন না! আত্ম সমালোচনা করি। তওবা করি, আল্লাহ ক্ষমাশীল। তিনি রহমানুর রাহীম। তিনি পারেন ভুলকে ক্ষমা করতে, এর পরের কাজগুলো বিচার করে। আর দোয়া করি সেই প্রিয় মানুষগুলোর জন্য।)&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-7263363442049010910?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/7263363442049010910/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2010/07/blog-post_8565.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/7263363442049010910'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/7263363442049010910'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2010/07/blog-post_8565.html' title='এমন &apos;&apos;ডেডিকেটেড&apos;&apos; কর্মী ইসলামী আন্দোলনে থেকেও কি লাভ??'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/TEk0YkP7RBI/AAAAAAAAAKE/_LuRA2BJHJk/s72-c/123.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-5767029403462487027</id><published>2010-07-22T22:26:00.001-07:00</published><updated>2010-07-22T23:12:06.434-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Column(কলাম)'/><title type='text'>এবার বিতর্কিত হতে চলেছে স্বয়ং যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল??</title><content type='html'>শিশু যখন গর্ভে থাকে, তখন তার আগমন পিতা মাতার কাছে যতই আকাঙ্খিত থাকুন না কেন, নয়টি মাস অপেক্ষা করতেই হবে। তাড়াহুড়ো করে সময়ের আগেই তাকে জোর করে ভুমিষ্ট করাতে গেলে যা হবে, তা হলো মৃত শিশু প্রসব। আর যদিওবা শিশুটি বেঁচে থাকে, তাহলে তার পঙ্গু বা প্রতিবন্ধী হবার সম্ভবনা প্রায় শতভাগ। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বিরোধিতাকারী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ নেবার পর থেকেই সুধী মহল বারংবার সতর্ক বানী উচ্চারন করে আসছিলেন, যেন প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা হয়,আইনগত যত ফাঁক-ফোকর তা যেন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখে সকল কর্ম সম্পাদন করা হয়। প্রয়োজনে আরও সময় নেয়া হোক, কিন্তু চল্লিশ বছরেও যে কাজটি করা সম্ভব হয়নি, তা যেন কারও নিবুর্দ্ধিতার কারনে ভেস্তে না যায়। এ বিচারকে দলীয় স্বার্থসিদ্ধীর বাহনে যেন পরিণত করা না হয়। কিন্তু সুধীজনের বলাই সার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যা হয়েছে আর যা হচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে, জামায়াতের সাবেক আমীর গোলাম আযমকে যেভাবে নাগরিকত্ব মামলায় নাগরিকত্ব দেয়ার ব্যবস্থা হয়েছিল, আগামী দিনে এ সরকার নিজামী, মুজাহিদ, সাইদী, কামারুজ্জামান আর কাদের মোল্লাদের বিরুদ্ধে রাজাকার প্রচারণা মিথ্যা ছিল, লিখিত ও আইনসিদ্ধভাবে এই সার্টিফিকেট দেবার বন্দোবস্ত সম্পন্ন করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মাথা ঠান্ডা করে একটু ভাবুন পরের বিষয়গুলো নিয়ে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা যাবে সরকারের চরম নির্বুদ্ধিতা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সরকারের নির্বুদ্ধিতাঃ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথমতঃ&lt;br /&gt;জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে খ্যাতিমান আইনজীবিদের বাদ দিয়ে অখ্যাত ও দলীয় আইনজীবিদের নিয়ে (আর্থিক সুবিধা দলের লোকই ভাগ করে খাক- এই উদ্দেশ্যে) করা হয়েছে আইনজীবি প্যানেল। যারা জীবনে আইন পেশায় জাতীয়ভাবে নাম করতে পারেননি, তারা নাকি জাতীয় ইস্যুতে লড়বেন জামায়াতের বাঘা বাঘা ব্যারিস্টারদের বিরুদ্ধে। হায়রে! পাগল। বীর মুক্তিযোদ্ধা কাদের সিদ্দীকি বীর উত্তম তো ভবিষ্যত বানীই করেছেন, বাছুর দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্ভব নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্বিতীয়তঃ&lt;br /&gt;বিতর্কিত হয়েছে স্বয়ং যে সংস্থা যুদ্ধাপরাধের তদন্ত করবে, সেই সংস্থাটিও। আওয়ামী লীগের মন্ত্রিরা বড় গলায় চেচালেন, পরিক্ষীত ব্যক্তিদের যুদ্ধাপরাধ তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দুদিন না যেতেই রটে গেল 'সর্ষের মধ্যেই বসে আছে যুদ্ধাপরাধের ভূত'। অবশেষে মানুষের আস্থাকে দুমড়ে মুচড়ে রটনার দায় নিয়ে পদত্যাগ করলেন যুদ্ধাপরাধ তদন্ত কমিটির প্রধান আব্দুল মতিন। এরপরে কোন অদৃশ্য কারণে প্রধান হিসাবে আজ পর্যন্ত কাউকে নিয়োগ করা হয়নি। উল্টো আইন মন্ত্রীর মুখ থেকে শোনা গেল এতো বড় জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় অপরাধের তদন্ত কমিটির নাকি কোন প্রধান থাকার দরকারই নেই। (আমরা সবাই রাজা!! সবাই প্রধান!!) নির্বোধ কাকে বলে? ষোল কোটি মানুষের দেশে একটা তদন্ত কমিটির প্রধান করতে কাউকেই পাওয়া গেল না?:-*&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তৃতীয়তঃ&lt;br /&gt;দশ কোটি টাকা বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ কোটি টাকা নাকি বাড়ী সংস্কারেই চলে গেছে। টেন্ডারে যাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তিনিও নাকি কোন মন্ত্রীয় নিজের লোক। আপন লোক বলে কথা! রেট তো বেশি হবেই, কারণ যিনি কাজ নিয়ে দিলেন, তাকে তো কিছু দিতে হবে, নাকি! পাঠক, আপনারাই বলুন পাঁচ কোটি টাকা দিয়ে তো একটি বাড়ীই তৈরী করা সম্ভব। তার অর্থ হচ্ছে, জাতির আবেগ অনুভূতির জ্বালানী নিয়ে দলীয় কর্মীদের লুটপাটের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। এ অর্থের হিসাব বের করতে নাকি আবার তদন্ত কমিটিও করা হয়েছে (তদন্ত কমিটির কাচের স্থল নিয়ে লুটপাটের রহস্য উদ্ধারে তদন্ত কমিটি:-*)। অথচ যারা তদন্ত করবেন, তাদের গাড়ী নেই, থাকার বন্দোবস্ত নেই, অফিস নেই, পিয়ন নেই, প্রয়োজনীয় উপকরন নেই(হাওয়ায় ভেসে ডিজিটাল পদ্ধতিতে যুদ্ধাপরাধের তদন্ত চলবে)।X((&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চতুর্থতঃ&lt;br /&gt;যুদ্ধাপরাধ বিচারে সরকার পক্ষে লড়ার জন্য নাকি বহু চেষ্টার পরেও আইনজীবি পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ বেতন মাত্র তিরিশ হাজার টাকা। এত কেউ রাজী হচ্ছেন না? এ যুগে একজন আইনজীবির নূন্যতম আয় যেখানে এক লাখ টাকা, সেখানে প্রাইভেট প্র্যাকটিস ফেলে সার্বক্ষণিক ভাবে এত বড় কাজে আসবে কোন পাগল? সংসার চালাবে কে? (চালের কেজি তো এখন চল্লিশ পার)। ষোল কোটি মানুষের টাকা নিয়ে মন্ত্রী-এমপি সবার বেতন ডাবল হয় আর তাদের জাতীয় ইস্যুতে টাকা আসে গুণে গুণে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সরকারের অর্বাচীনতায় এবার বিতর্কিত হতে চলেছে স্বয়ং যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সরকারে অর্বাচীনতা আর নির্বুদ্ধিতার আরও ছাপ আছে। অনুরোধ থাকবে মনোযোগ দিয়ে পড়ার। বিষয়টির বিপরীতে যুক্তিগুলো লক্ষ্য করলেই তা বেরিয়ে আসবে।&lt;br /&gt;যুদ্ধাপরাধের বিচারে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে হাইকোর্ট বিভাগের দু'বিচারপতির নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে গত ১৮ জুলাই,রোববার । আংশিক শুনানি শেষে সরকারের সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত এই রিট আবেদনের শুনানি মুলতবি করা হয়েছে। বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি সৈয়দা আফসার জাহান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে এই রিট আবেদনের ওপর আংশিক শুনানি শুরু হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিট আবেদনে ‘হাইকোর্ট বিভাগের দু'বিচারপতি কোন ক্ষমতাবলে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন' তা জানতে চেয়ে রুলনিশি জারির আবেদন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিট আবেদনে স্বয়ং দুই বিচারক বিবাদী(!!!)ঃ&lt;br /&gt;রিট আবেদনে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনারেল চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম, সদস্য বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীর এবং আইন সচিব ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেখুন যেসব যুক্তি দেয়া হয়েছেঃ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংবিধানের ৯৪, ৯৬, ৯৯, ১০৯ ও ১৪৭(৩) অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন করে হাইকোর্টের দু' বিচারপতিকে ট্রাইব্যুনালে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সংবিধানের ৯৪(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিরা সুপ্রিমকোর্টে, হাইকোর্টের বিচারপতিরা হাইকোর্টে দায়িত্ব পালন করবেন। ফলে তারা কখনই কোন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হতে পারেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বিচারপতিদের নিয়োগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। বিচারপতিদের নিয়োগ এবং চাকরির শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণ করবে সংবিধান। কিন্তু রাষ্ট্রপতির আদেশে আইন সচিব সাধারণ আইনে অধীনে গঠিত ট্রাইবুনালে তাদের নিয়োগ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংবিধানের পরিবর্তে তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীনে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ট্রাইব্যুনাল আইনে বলা হয়েছে নিয়োগকর্তা (সরকার) তাদের বরখাস্ত করতে পারবেন। ফলে উচ্চ আদালতের মান-মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাদের নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী তাদের চাকরির শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণ করবেন রাষ্ট্রপতি। এমন কি তাদের চাকরির মেয়াদ বা অপসারণের বিষয়ও রাষ্ট্রপতি নির্ধারণ করবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট' নামে দেশে একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে। আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে এই আদালত গঠিত। যেকোন ট্রাইব্যুনালের উপরে হাইকোর্টের অবস্থান থাকবে। কিন্তু এক্ষেত্রে হাইকোর্টের বিচারপতিদের অধস্তন ট্রাইবুনালে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। উদাহরন দেয়া হয়েছে, আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এম এ আজিজের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদ গ্রহণের বিষয়ে। বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ একটি রায় দিয়েছিলেন। ওই রায়ে সুস্পষ্ট বলা হয়েছে, সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিরা অন্য কোথাও নিয়োগ পেতে পারেন না। তারা হাইকোর্টের বিচারপতি পদে থেকে অধস্তন ট্রাইব্যুনালে আসীন হয়েছেন । ফলে তাদের এই নিয়োগ সংবিধানের ৯৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করলে তাদের পক্ষে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ আমাদের সংবিধানের অন্যতম মৌলিক কাঠামো। এই নিয়োগের ফলে তা লঙ্ঘন করা হয়েছে। এমন কি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর কুঠারাঘাত করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাইকোর্টের দুই বিচারপতিকে নির্বাহী বিভাগের অধীনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে যিনি জুনিয়র তাকে আবার প্রধান করা হয়েছে ট্রাইবুনালের। এত করে মনে করা যেতে পারে অসুদুদ্দেশ্যে এ ধরনের নিয়োগ ও পদায়ন দেয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যারা লড়ছেনঃ&lt;br /&gt;সংবিধানের ১০২(২)(খ)(আ) অনুচ্ছেদের আওতায় সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক সহসভাপতি এডভোকেট নওয়াব আলী ও সাবেক সচিব এএফএম সোলায়মান চৌধুরী গত ১১ জুলাই রিট আবেদনটি দায়ের করেন।&lt;br /&gt;রিট আবেদনের পক্ষে সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক শুনানিতে অংশ নেন। সরকার পক্ষে সহকারী এটর্নি জেনারেল রাশেদ জাহাঙ্গীর মামলা পরিচালনা করেন। শুনানিকালে সাবেক বিচারপতি টিএইচ খান, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও এডভোকেট নজরুল ইসলামসহ অর্ধশতাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাককে শুনানিতে সহায়তা করেন এডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, ব্যারিস্টার বেলায়েত হোসেন, ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিক, ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুইজন আইনজীবি বন্ধুর সাথে কথা বলার পর ব্যক্তিগতভাবে আমার ধারনা, এ বিষয়টিতে হাইকোর্ট ট্রাইবুনালের বিপক্ষে রায় দেবার সম্ভবনা শতভাগ। তার মানে হচ্ছে আওয়ামী লীগের নিবুর্দ্ধিতায় যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালও বিতর্কের বিষয়ে পরিণত হতে যাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যুদ্ধাপরাধের বিচারে আরও কতো নিবুর্দ্ধিতা অপেক্ষা করছে কে জানে?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-5767029403462487027?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/5767029403462487027/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2010/07/blog-post_22.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/5767029403462487027'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/5767029403462487027'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2010/07/blog-post_22.html' title='এবার বিতর্কিত হতে চলেছে স্বয়ং যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনাল??'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-8906213307218405373</id><published>2010-07-22T21:02:00.000-07:00</published><updated>2010-07-22T22:26:00.614-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Philosophy(মুক্তচিন্তা)'/><title type='text'>সব ব্যাপারে যদি হাইকোর্টের নির্দেশনা লাগে তবে কি মানুষের বিবেকের প্রতি কোনই দায়বদ্ধতা নেই??</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/TEkn1rql7FI/AAAAAAAAAJ8/Ce1lOJnwLz4/s1600/ch2.jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 400px; height: 298px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/TEkn1rql7FI/AAAAAAAAAJ8/Ce1lOJnwLz4/s400/ch2.jpg" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5496968623390321746" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;একটি জাতীয় দৈনিকের প্রধান শিরোনাম এ দেখতে পেলাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতার স্মৃতি সংরক্ষনে বিভিন্ন স্থানে মনুমেন্ট নির্মানের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।&lt;br /&gt;এদশের শাসক-পরিচালক নামধারীদের ক্ষেত্রে 'বিচারের বানী নিভৃতে কাঁদে' বলে ইদানিং সব ব্যাপারে হাইকোর্টের রুল নেয়াটা কেন জানি মনে হয় একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে? মানুষের বিবেক বোধ এতটাই নিম্ন শ্রেনীতে চলে গিয়েছে, ন্যায়নীতি-ইনসাফ বোধের চেতনা এতটাই দৈন্যতায় ভুগছে, দেশের শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তি হতে শুরু করে সাধারন একজন মানুষ, শাসক শ্রেনী হতে জনগণ পর্যন্ত আজ এতটাই রোগাক্রান্ত যে নীতিকে বাস্তবায়ন করতে গিয়েও আজ সব ব্যাপারে হাইকোর্টকে অযাচিতভাবে নানা ধরনের নির্দেশনা দিয়ে করণীয় নির্ধারন করে দিতে হচ্ছে।&lt;br /&gt;যেখানে সাধারন নীতিবোধই স্বাভাবিকভাবে তার করনীয় নির্ধারন করে দেয়, সেখানে যখন হাইকোর্ট নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত কাজ হয়না, তখন এ লজ্জার দায়ভার সত্যিই কি জাতি হিসাবে আমাদের সবার নয়?[/sb]&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছু নমুনা দেখলেই বিষয়গুলো আরও পরিস্ফুট হবে.................&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১.বিচারপতি মো. হামিদুল হকের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ২০০৩ সালে পুলিশি হেফাজতে নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড রোধে আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার লিভ টু আপিল করে। তবে আপিল বিভাগ এমন শর্তে লিভ মঞ্জুর করেন, যাতে ওই নির্দেশনাগুলো সচল থাকে। গত মাসেও হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ পুলিশকে ২০০৩ সালের নির্দেশনা মেনে চলতে বলেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২. ১৪ মে যৌন হয়রানি রোধে কয়েকটি দিকনির্দেশনা উল্লেখ করে একটি নীতিমালা করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। সংসদে আইন পাস না হওয়া পর্যন্ত এটি মেনে চলা বাধ্যতামূলক। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক সালমা আলী ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট যৌন হয়রানি বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করেছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩. বিচারপতি তারিক-উল-হাকিমের নেতৃত্বে দ্বৈত বেঞ্চ মাহমুদুর রহমানের রিমান্ড বাতিল আবেদনের শুনানি শেষে এ নির্দেশনা দেন যে আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে আইনজীবীর উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। তাকে কোনো নির্যাতন করা যাবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪. অবিলম্বে অবৈধ বিলবোর্ড অপসারণ শুরু করতে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন 'হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ' (এইচআরপিবি) আবেদনে বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন ও বিচারপতি মো. দেলোয়ার হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত অবৈধ বিলবোর্ড অপসারণে সহযোগিতা করার জন্য পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) ও ঢাকার পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫.অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ হবে, নদী খেকোদের সরকার নিজ দায়িত্বে রাষ্ট্রীয়ভাবেই উচ্ছেদ করবে, এটাই তো স্বাভাবিক। সেটার জন্যও নির্দেশনা দিতে হয়েছে হাইকোর্টকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হায় সেলুকাস! মনে হয় কোর্টের নির্দেশনার আগে আমাদের রাস্ট্র পরিচালকরা জানতেনই যে অবৈধ দখল করা যাবেনা, শিক্ষক ছাত্রীকে যৌন হয়রানী করতে পারবেন না, রিমান্ডে নিয়ে কাউকে নির্যাতন করা যাবেনা, যেখানে সেখানে অবৈধ বিলবোর্ড লাগানো যাবেনা। তানাহলে এসব ব্যাপারে হাইকোর্টকে পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হবে কেন? তাহলে এদেশে সরকারের কাজটি কি? যারা বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন, তাদেরকে কেন জনগণের পয়সায় লালন পালন করা হবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাস্তবতা হচ্ছে, হাইকোর্ট কর্তৃক চোখে অঙ্গুলী নির্দেশ করে নির্দেশনা দেবার পরও মানা হচ্ছেনা। সত্যি যদি আমরা সচেতন হতাম, দেশের জনগণ আর সরকার যদি সত্যি নিজের নূন্যতম দায়িত্বটুকু পালন করত, তাহলে এত ক্ষুদ্র ব্যাপারে নির্দেশনা দেবার কোন প্রয়োজনই ছিলনা। বিবেক সংরক্ষণের দায়ভার শুধূই কি হাইকোর্টের? করনীয় সাধারণ কাজগুলো করার জন্য যেখানে হাইকোর্টের নির্দেশনার অপেক্ষা করে করে আমরা নিজেদের অভ্যস্ত করে তুলছি, সেখানে আমার আশঙ্কা হয়, কবে থেকে না জানি এদেশের মানুষগুলো বিবেক বোধকে পূর্ণ জলাঞ্জলি দিয়ে ব্যক্তিগত, সামাজিক, পারিবারিক, ব্যবসায়িক, অফিসিয়াল সব ব্যাপারেই কোর্টের নির্দেশনার জন্য বসে থাকে?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-8906213307218405373?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/8906213307218405373/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2010/07/blog-post.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/8906213307218405373'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/8906213307218405373'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2010/07/blog-post.html' title='সব ব্যাপারে যদি হাইকোর্টের নির্দেশনা লাগে তবে কি মানুষের বিবেকের প্রতি কোনই দায়বদ্ধতা নেই??'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/TEkn1rql7FI/AAAAAAAAAJ8/Ce1lOJnwLz4/s72-c/ch2.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-1329357675941714360</id><published>2010-04-15T23:49:00.000-07:00</published><updated>2010-04-15T23:50:04.777-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Poetry(ছড়া-কবিতা)'/><title type='text'>তবু বলি, এসো ভাই! সামনে আগাই।</title><content type='html'>মানুষই ভুলগুলো, করে যে ধারন&lt;br /&gt;শিলা-নুড়ি ঠোকাঠুকি, খুব সাধারন&lt;br /&gt;বিবেকটা আছে বলে, শোধরাতে চাই&lt;br /&gt;তবু বলি, এসো ভাই! সামনে আগাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঈমাণ বাচাঁনো নিয়ে যেথায় সংশয়&lt;br /&gt;স্বাধীনতা নিয়ে আজ যেখানে ভয়;&lt;br /&gt;সেখানে বিভেদে হবে শত্রুর জয়&lt;br /&gt;শুদ্ধতা চাই, তবু মলিনতা নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছোট এক শিলা যদি ভাঙ্গে পাহাড়&lt;br /&gt;এরচেয়ে দুঃখ বল,থাকে কোথা আর?&lt;br /&gt;শিলা নাকি পাহাড়, কোনটাকে চাই?&lt;br /&gt;শুধু জানি পাহাড়েতে আছে মোর ঠাঁই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেখানো সবক সব গিয়েছি ভুলে&lt;br /&gt;পাতা নয়, ফিরে যাই চল সেই মূলে।&lt;br /&gt;সত্য প্রকাশে কেন কুন্ঠিত মম&lt;br /&gt;বিশ্বাসী কভু নাহি হয় অক্ষম&lt;br /&gt;হৃদয়ে কি আল্লাহর ভয় টুকু নাই?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাগ্যে যদি আসে পরাধীনতা&lt;br /&gt;সেদিন কে রাখে মনে তোমার কথা?&lt;br /&gt;ভীত যদি আমাদের হয় শক্ত&lt;br /&gt;ভুলগুলো নিয়ে ভেবো, শত ওয়াক্ত&lt;br /&gt;মলিনতা- জীর্নতা এখন না মানায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কান পাত হে মুমিন,শুনতে কি পাও?&lt;br /&gt;আসছে ভীষণ ঝড়, প্রস্তুতি নাও।&lt;br /&gt;পাতা হয়ে বৃক্ষকে সামলাতে ভাই&lt;br /&gt;সীসা ঢালা প্রাচীরটা আর ঘন চাই।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-1329357675941714360?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/1329357675941714360/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2010/04/blog-post_15.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1329357675941714360'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1329357675941714360'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2010/04/blog-post_15.html' title='তবু বলি, এসো ভাই! সামনে আগাই।'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-7602784194604252703</id><published>2010-04-15T21:15:00.000-07:00</published><updated>2010-04-15T23:49:02.362-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Philosophy(মুক্তচিন্তা)'/><title type='text'>সন্তানের অতি আবেগী ভালোবাসা যেন মায়ের কষ্ট, বেদনা বা মৃত্যুর কারন না হয়?</title><content type='html'>ইন্টারনেটে absent আজ প্রায় মাস খানেক হলো। আসলে বাসার লাইনটি বদলাবার অভিপ্রায়ে সেই যে লাইন বন্ধ করেছি; নতুন লাইনও নেয়া হয়নি আর পুরোনো লাইনটিও কাটা। তবে দূরে থাকলেও বুঝতে পেরেছি একটি ব্যাপারে কেউ কেউ ঝড় তোলার চেষ্টা করেছেন। ঝড়ের সেই উত্তাপ আমার সেল ফোন দিয়ে প্রবেশ করেছে আমার ক্ষুদ্র এ মস্তিস্কেও। বেশ কয়েকটি ফোন পেয়েছি, রাফে ভাই এসব কি চলছে? আর্তনাদ করে একজন বললন, ” যা চলছে, তা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আর যারা করছেন, তারাও এতটাই ডেডিকেটেড, কিছু বলতেও পারছিনা।” বাধ্য হয়েই সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে দেখলাম, আসলে অন্ধ আবেগী ভালোবাসার নামে এমন কিছু চলছে,যা অত্যন্ত অনুচিত, অসাংগঠনিক, আবেগপ্রবণ, ব্যক্তিনির্ভর। এ আন্দোলনকে যিনি ভালোবাসেন, সত্যিই যদি সংগঠনকে বুঝে থাকেন, তার কাছে কখনই এটি কাম্য হতে পারেনা। এই সংগঠনে আমি কিছু দিতে পারি আর না পারি, কিন্তু আন্দোলনের গোপনীয়তা আর ভাবমূর্তি সংরক্ষন আমার পবিত্র দায়িত্ব। সেটি না করে কিছূ প্রিয় ভাই অত্যুৎসাহে, আবেগের বশবর্তী এমন কিছু করছেন, যা দেখে আজ সত্যিই আমার হৃদয় হাহাকার করে উঠেছে। তাদের কথা, নোট আর কমেন্টগুলো পড়ে কখন যে চোখে পানি চলে এসেছে, বুঝতেই পারিনি। আল্লাহ! তথ্য প্রযুক্তির যুগের দোহাই দিয়ে তোমার এ আন্দোলনের অভ্যন্তরীন কথাগুলো আজ আমরা নোট আকারে নেটে ছেড়ে দিচ্ছি, অনুচিত কমেন্ট করছি যেন মানুষ আমাকেই গালি দিতে পারে। তোমার কাছে সাহায্য না চেয়ে এমন সব মানুষদের জানাচ্ছি, যারা এটি সমাধানে কোন ভূমিকাই রাখতে পারবেনা। সমস্যা হয়ে থাকলে তা একান্তই সাংগঠনিক আর তার সমাধানও এ সংগঠনের সংবিধানেই আছে কিন্তু ঢাক ঢোল পিটিয়ে, ইন্টারনেটে গ্রুপ করে কি আমি বিপুল উৎসাহে সবাইকে এটাই জানাতে চাইছি আমার দলের আভ্যন্তরীন সমস্যা কি ধরনের, বলতে চাইছি, আসুন!পাঠক, আপনারা সমাধান দিয়ে যান। আসুন! জনমত গঠন করে সবাই মিলে নিজেদের মত সমস্যার সমাধান করি। আসুন! কিছূ না পারি নিজের সংগঠনকে নিয়ে কিছু গীবত, হাস্য রসিকতা করি আর পচা ডিম গুলো নিজের দিকেই মারি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি যেহেতু এখন আভ্যন্তরীন কেউ নই, সুতরাং সমস্যাটি আসলেই সমস্যা কিনা, সেটি নিশ্চিত না হয়ে কখনই বলবনা, সমস্যা চলছে। বরং সাবেকদের তো কোন রুপ মন্তব্য থেকে বিরত থাকাটাই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে বলছি মানুষ পরিচালিত সংগঠনে সমস্যা না হওয়াটাই তো অস্বাভাবিক। আজ প্রায় আঠার বছর আমার সাংগঠনিক জীবনে আভ্যন্তরীন কয়েকটি সমস্যা দেখেছি, তবে সমাধান হয়নি, এমনটি পাইনি। আর কিন্তু প্রশ্নটি তখনই উঠবে, যখন তার কোন সমাধান পাওয়া যাবে না। আর সমাধান না হলেও বা কি? কখনও তো এমন দেখিনি, ঘরের সমস্যা বাইরে প্রচার হচ্ছে, চিঠি লিখে/ মেইল করে পত্রিকায় পাঠানো হচ্ছে। বরং অন্যের গোপনীয়তা আমার কাছে আমানত। অনেক সময় দেখেছি, সদস্যদের কোন সমস্যার কথা সাথী-কর্মী তো দূরে থাকুক, প্রয়োজন না হলে অনেক সদস্যও ভাইকেও জানানো হোত না। কেননা তার সমস্যাটিও আমার কাছে আমানত আর সেই আমি কিনা আজ উপযাচক হয়ে ঘরে ঘরে সেগুলো পৌছে দিচ্ছি? প্রিয় ভায়েরা যারা এটি করছেন, তাদের জন্য বিনীতভাবে বলতে চাই, দায়িত্বশীলরা কোন ব্যক্তি নন। একটি প্রতিষ্ঠান, এই আন্দোলনের প্রতীক। তাদের নিয়ে কোন কথা আলোচনiর আগে এটি ভাবতে হবে যে, আমার প্রাণপ্রিয় আন্দোলন এত ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে কিনা? একটি বিশ্বাস আমার হৃদয়ে বদ্ধমূল যে, এটি ঐতিহাসিক সত্য, পবিত্র এ সংগঠণকে যারা ব্যক্তিগত খেয়াল খুশীর বাহনে পরিণত করেছে, সিস্টেমের বাইরে গিয়ে অপ-সিস্টেম চাপিয়ে দিতে চেয়েছে, নিজের ব্যক্তিগত দুর্বলতার কারনে এ আন্দোলনের ভাবমূর্তিকে বিনষ্ট করেছেন, তারা নিজেদের অসম্মানিত করেছেন। কিন্তু শুধু মাত্র নিয়ত ভালো নয়, উদ্দেশ্য মূলক বলে মনে হয় ইত্যাদি বলে জনমনে সন্দেহ ঘণীভূত করা, লোকদের মতে আনার প্রচেষ্টা, এটি কি সিস্টেম বহির্ভূত নয়? কিন্তু মনের অজান্তে আমার কোন ভূমিকার কারনে আমিও কি সেই ব্যক্তিদের কাতারে চলে যাচ্ছি কিনা, সেটাও আত্মসমালোচনার প্রয়োজন আছে। আমিও কি তাদের সারিতে নিজেকে কল্পনা করতে পারি? দোহাই লাগে! আল্লাহকে ভয় করুন। তার উপর একটু আস্থা রাখুন। কোন সমস্যা মনে হলে দোয়া করুন যেন তার সমাধানটিও যেন সুন্দরতম হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাঁচে ঘেরা বহুতল বাড়ীর ভেতরে কেউ যদি কাঁচের প্লেট ভেঙ্গে ফেলে কিংবা একটি ফোরের ছাদ ধ্বসিয়ে দেয় অথবা ধরা যাক পুরো একটি পিলারই ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করে কেউ বাড়ীটিকে দুর্বল করতে চায়, একজন শুভাকাঙ্খী বা ঘরের বাসিন্দা হিসাবে আমি সেটিকে অপছন্দ করতে পারি, নিন্দা করতে পারি, কিন্তু আমার বাড়ীটির আভ্যন্তরীন কোন দুর্বলতা কি শত্রুর কাছে মাইকিং করে প্রকাশ করতে পারি? নাকি সেটিকে প্রতিহত করবার জন্য বাহির থেকে ঢিল ছুড়ে পুরো বাড়িটির সমস্ত কাচের জানালা ভেঙ্গে জানাতে হবে যে, এর ভেতরে একটি কাঁচের প্লেট ভাঙ্গা হয়েছে? আর এখন যা হচ্ছে, তা রীতিমতো বাড়ী লক্ষ্য করে কামান দাগার মতো। একদিন হয়তবা ভাঙ্গা ফ্লোরটিও মেরামত হবে, পিলারটিও নতুন করে গড়া যাবে। আপনাদের কথা অনুযায়ী, কেউ হয়তো সাংগঠনিক ক্ষতি করেছেন কিন্তু ভালোবাসার নামে আপনারা পবিত্র আন্দোলনের অটুট ভাবমূর্তির যে ক্ষতি করছেন, তা কখনই শোধরাবার নয়। ভেতরে ভাঙ্গা গড়ার জন্য যে কেউ দায়ী হতে পারেন, কিন্তু তাই বলে আমার বাসস্থানকে সবার সামনে কুৎসিত করে তুলে ধরার কি যুক্তি থাকতে পারে? আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, সংগঠনের ইমেজকে ফেসবুকে উন্মোচনের এ অপরাধের জন্য আমি কখনই আল্লাহর কাছে শাস্তি হতে রেহাই পাবো না। যুক্তি দেবার প্রয়োজন নেই, কারন শাস্তি বা ক্ষমা করা কোনটির এখতিয়ারই আমার নেই। হয়তবা এ সমস্যার একটি সমাধান হয়ে যাবে, আরও অটুট হয়ে পাব চিরাচরিত রুপ, গতিশীলতা, জান্নাতী পরিবেশ। কিন্তু আমার লেখা, আলোচনা, কথা কিংবা কোন নোটে যদি একজন সাথী বা কর্মী নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে, কোন শুভাকাঙ্খী যদি মুখ ফিরিয়ে নেন, কোন অভিভাবক যদি তার সন্তানকে পবিত্র এ আন্দোলনকে ভুল বুঝে বাধা দেন আমারই কারনে, কঠিন সে বিচারের দিনে তারা যখন কৃত অপরাধের ব্যাখ্যা হিসাবে আমার কাজকেই রেফারেন্স দেবে, আমাকেই দাড় করাবে কাঠগড়ায়, সেসবের দায় ভার আমি নেব কি? জানি না, তবে রাব্বুল আলামীনের বিচার যে বড়ই ভয়ানক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কারও প্রতি আমার কোন ফ্যাসিনেশন নেই। কখনই ছিলনা। দায়িত্বশীলকে ভালোবাসি কিন্তু তার অর্থ এই নয় তিনি সংগঠনের চাইতে বড়। বক্তিকে ভালোবেসে আমি যেমন সংগঠনের ক্ষতি করতে পারিনা, পারিনা সংগঠনের ভেতরে অস্থিরতাকে ছড়িয়ে দিতে নিজেকে প্রভাবক হিসাবে ব্যবহার করতে। ঠিক তেমনিই পরিনা কোন কাজকে অসাংগঠনিক মনে হলে, সেটির সমাধানে অসাংগঠনিক উপায় অবলম্বন করতে। আপনাদের প্রতি অনুরোধ, কোন গ্রুপের দরকার নেই, নোটের প্রয়োজন নেই। যা লিখেছেন, সেটিকেও বিদায় দিন। কারন আপনার নোটের পাঠকরা কেউ-ই আভ্যন্তরীন সমাধান দিতে পারবেনা। শুধু আপনার উর্ধ্বতন দায়িত্বশীলকে আপনার মনের কথা গুলো শেয়ার করুন, সেখানেই আপনার দায়িত্ব শেষ। কোন সমস্যা মনে হলে সেজন্য কার্যকরী পরিষদের ভাইয়েরা আছেন, সর্বোচ্চ ফোরাম সদস্য ভাইরা আছেন। আছেন সদা পাহারাদারের ভূমিকায় সম্মানিত সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতিবৃন্দ,তারা পরামর্শ দেবেন। কিন্তু কোন সমস্যার কথা অধস্তন সাথী-কর্মী বা বাইরের কারও কাছে কখনই নয়, কোনদিনও নয়, একটি বর্ণও নয়। এমনকি নিজেদের ভেতরেও পারস্পারিক আলোচনাও নয়। কারন বিশ্বাস করুন, গোনাহ ছাড়া এ পন্থায় কোন সমাধান নেই। আবার বলে যেতে চাই, কিন্তু আমার লেখা, আলোচনা, কথা কিংবা কোন নোটে যদি একজন সাথী বা কর্মী নিস্ক্রিয় হয়ে পড়ে, কোন শুভাকাঙ্খী যদি মুখ ফিরিয়ে নেন, কোন অভিভাবক যদি তার সন্তানকে পবিত্র এ আন্দোলনকে ভুল বুঝে বাধা দেন আমারই কারনে, কঠিন সে বিচারের দিনে তারা যখন কৃত অপরাধের ব্যাখ্যা হিসাবে আমার কাজকেই রেফারেন্স দেবে, আমাকেই দাড় করাবে কাঠগড়ায়, সেসবের দায় ভার আমি নেব কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার হৃদয়ের প্রতিটি রক্ত কনায় এ বিশ্বাস বদ্ধমূল, শত শহীদের এ আন্দোলনের অভিভাবক স্বয়ং আল্লাহ। তিনিই একে রক্ষা করবেন। এ আন্দোলন যদি দারুন শক্তিশালী হয়, এই সংগঠন বাংলাদেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসের বিজয়ী শক্তি হিসাবে আবির্ভূত হয়, বাংলাদেশের দুই তৃতীয়াংশ ছাত্রও যদি এর সমর্থক হয়ে যায় আর আমি যদি নিজের শাস্তিটুকু না এড়াতে পারি বা জান্নাত নিশ্চিত করতে না পারি, সংগঠনের সফলতায় আমার কিইবা আসে যায়? দায়িত্বশীল কে হলো না হলো আর সিস্টেম কে ফলো করলেন আর না করলেন, তার তর্ক বিতর্ক বিচারের কাঠগড়ায় মাফ পাওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে কি? চুড়ান্ত সফলতাই যদি না পেলাম, তবে সংগঠনের শত কল্যানের চিন্তায় কিবা আসে যায় আর এসব নোটের মূল্যই বা কি আছে? নিজের মুক্তির ব্যবস্থা তো নিজেকেই করতে হবে। আর এজন্য কাজ করে যাওয়া ছাড়া ভিন্ন পন্থা আছে কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসুন না। আরেকবার আত্ম সমালোচনা করি। আল্লাহ রাহীম, তিনি করুনাময়, তিনি রহমান। তিনিই পারেন অনেক গুরুতর হলেও তা ক্ষমা করতে। যাবার আগে আবার বলতে চাই, সন্তানের অতি আবেগী ভালোবাসা যেন মায়ের কষ্ট, বেদনা বা মৃত্যুর কারন না হয়?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-7602784194604252703?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/7602784194604252703/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2010/04/blog-post.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/7602784194604252703'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/7602784194604252703'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2010/04/blog-post.html' title='সন্তানের অতি আবেগী ভালোবাসা যেন মায়ের কষ্ট, বেদনা বা মৃত্যুর কারন না হয়?'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-3634741484008759652</id><published>2009-11-29T09:21:00.000-08:00</published><updated>2009-11-30T23:49:52.911-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Reaction(প্রতিক্রিয়া)'/><title type='text'>প্রতিক্রিয়াঃ বাংলাদেশের বিরল সৌভাগ্যঃ বিংশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ এখন বাংলাদেশে</title><content type='html'>বাংলাদেশের ১৫ কোটি মানুষের অপার সৌভাগ্য যে বিংশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ এখন বাংলাদেশে তাশরীফ এনেছেন। তার দরবার শরীফ রাজারবাগ। তিনি দ্বীন ইসলামকে নতুন ভাবে জিন্দা করার জন্য তার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও সম্প্রতি তার খাস মুরিদদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা জামাতীরা দিলকুশার বক ভেঙ্গে তাকে নাকাল করবার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিল। তার প্রচারিত পত্রিকা "আল এহসান" এখন ঢাকার দেয়ালে দেয়ালে তার নিসৃত বানী প্রচার করছে। তার নামটি নিশ্চয়ই জানতে চাইবেন..................একটু বড় হলেও জানা জরুরী&lt;br /&gt;খলীফাতুল্লাহ&lt;br /&gt;খলীফাতুর রসূলিল্লাহ&lt;br /&gt;ইমামুশ শরীয়ত ওয়াল তরীক্বত&lt;br /&gt;ইমামুল আইম্মাহ&lt;br /&gt;মুহইস সুন্নাহ&lt;br /&gt;কুতুবুল আলম&lt;br /&gt;মৃজাদ্দিদে আযম&lt;br /&gt;হুজ্জাতুল ইসলাম&lt;br /&gt;ছাহিবু সুলতানুন নাছির&lt;br /&gt;আওলাদে রসূল&lt;br /&gt;মওলানা&lt;br /&gt;হযরত&lt;br /&gt;ইমাম&lt;br /&gt;সাইয়্যিদ&lt;br /&gt;মুহাম্মদ দিল্লুর রহমান&lt;br /&gt;আল হাসানী&lt;br /&gt;ওয়াল হোসাইনী&lt;br /&gt;ওয়াল কুরাইশী&lt;br /&gt;মুদ্দা জিল্লুহুল আলী&lt;br /&gt;মুর্শিদ ক্বিবলা, রাজারবাগ শরীফ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তার অলৌকিক কারামত সমুহ না জানলে আপনি সত্যিই বাংলাদেশী হিসাবে দারুণ মিস করবেন, হতভাগা আর ধ্বংসপ্রাপ্তদের মাঝে শামিল হয়ে যেতে পারেন। তার কারামতসমুহ...................&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-তোমাদের মুর্শিদ ক্বিবলা জান্নাতী, তোমরাও জান্নাতী&lt;br /&gt;২. বরিশালে বিবির পুকুর পাড়ের সেই মাহফিলে যা হয়েছিল॥&lt;br /&gt;৩. রাজারবাগ শরীফের মামদুহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর উসীলায় বোমাটি বিস্ফোরিত হয়নি ॥ হিফাযত হয়েছে শত-সহস্র মানুষ&lt;br /&gt;৪. লাওহে মাহ্ফূযে জ্বলজ্বল করছে মুজাদ্দিদুয্ যামান লক্বব মুবারকটি&lt;br /&gt;৫. খাগড়াছড়ির দূর্গম ও শঙ্কাজনিত যাত্রা পথের পুরোটিতেই মহান আল্লাহ্ পাক-এর তরফ থেকে খাছ গায়েবী মদদ রূপে আলাদাভাবে, খাছ করে সাদা কবুতর ও ডাহুক পাখির ছূরতে ৭০ হাজার ফেরেশতা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলীসহ গোটা সফরসঙ্গীগণকে বেষ্টন করে উড়ছিল&lt;br /&gt;৬. হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর তরফ থেকে স্বপ্নযোগে টাকা পেলেন ভোলাহাটের মাওলানা মুহম্মদ মুহসিনুর রহমান&lt;br /&gt;৭. হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর উসীলায় নিষ্প্রভ বাতি জ্বলে উঠে দাউ দাউ করে এবং দীর্ঘ প্রায় তিন ঘন্টা আলোদান করে তেলহীন চেরাগ&lt;br /&gt;৮. চোখে বুছা দেয়া সুন্নত স্বপ্নে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং নিজেই সত্যায়ন করলেন মুজাদ্দিদে আযমের তাজদীদী ফতওয়া ও আমল মুবারক&lt;br /&gt;৯. হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর তরফ থেকে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদ্রাসার স্বীকৃতি প্রদান&lt;br /&gt;১০. রাজারবাগ শরীফের হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ফুঁক ও তাবীজের দ্বারা আশ্চর্য রকমের ফায়দা হাছিলের অগণিত ঘটনাসমূহের মাঝে কয়েকটির বর্ণনা-&lt;br /&gt;১১. স্বপ্নে দেখে পানিপড়া দেয়ায় আর্সেনিকযুক্ত টিউবওয়েল হয়ে গেল আর্সেনিকমুক্ত&lt;br /&gt;১২. স্বপ্নে হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন আমি রাজারবাগ শরীফে যাচ্ছি&lt;br /&gt;১৩. ইনিইতো বর্তমান যামানার মহামান্য মুজাদ্দিদ ও সম্মানিত আওলাদে রসূল&lt;br /&gt;১৪. হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর ওয়াজ শরীফ শুনে বিদ্রুপ ও বিদ্বেষ বশতঃ মাহফিল ত্যাগ করায় বিরোধীরা একই স্থানে ঘুরপাক খেয়েছে সারারাত&lt;br /&gt;১৫. হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর খিদমতে হাদীয়া দেয়ার উছীলায় ফসলের হিফাযত ও বরকত লাভ এবং সংসারের অভাবিত উন্নতি&lt;br /&gt;১৬. উনিইতো আমাকে সেদিন ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া মাত্র ধরে রেখেছিলেন&lt;br /&gt;১৭. একমাত্র উনার মাধ্যমে যারা আমার কাছে আসবে আল্লাহ পাক তাদেরকেই পূর্ণ নিয়ামত দান করবেন!&lt;br /&gt;১৮. হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর উসীলায় কবরে হলনা সুওয়াল-জাওয়াব॥ সুসংবাদ প্রদান করা হলো কিয়ামত অবধি&lt;br /&gt;১৯. যমীনে সর্বশ্রেষ্ঠ ইস্মে আ'যম&lt;br /&gt;২০. হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা মুদ্দা জিল্লুহুল আলী-এর পড়া পানি পান করে মুহূর্তে সুস্থতা লাভ&lt;br /&gt;২১. মুজাদ্দিদে আ'যম-এর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন হাফিজুল হাদীছ আল্লামা রুহুল আমিন বশিরহাটী রহমতুল্লাহি আলাইহি&lt;br /&gt;২২. মুজাদ্দিদে আ'যম-এর স্মরণ রহমত প্রাপ্তির কারণ&lt;br /&gt;২৩. মহামান্য মুজাদ্দিদে আযম মুদ্দা জিল্লুহুল আলী সম্পর্কে একজন ওলীআল্লাহ্র ভবিষ্যদ্বানী&lt;br /&gt;২৪. খাছ কারামতে এক নিমিষের মধ্যে বাসটি ভাল হয়ে গেল&lt;br /&gt;২৫. হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক খিলাফত প্রাপ্তি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তার সম্পর্কে আরও জানুন Click This Link&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দলে দলে যোগ দিন। আরও জানতে যোগাযোগ করুন.........................http://www.al-ihsan.net/&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-3634741484008759652?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/3634741484008759652/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/11/blog-post_887.html#comment-form' title='4টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/3634741484008759652'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/3634741484008759652'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/11/blog-post_887.html' title='প্রতিক্রিয়াঃ বাংলাদেশের বিরল সৌভাগ্যঃ বিংশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ এখন বাংলাদেশে'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-24759352993897731</id><published>2009-11-29T09:19:00.000-08:00</published><updated>2009-11-30T23:54:46.640-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Reaction(প্রতিক্রিয়া)'/><title type='text'>প্রতিক্রিয়াঃ এ সর্বনাশের দায় কার?</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/SxKtlgcmAyI/AAAAAAAAAII/UVUTugdmiv4/s1600/rafe1.jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 320px; height: 209px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/SxKtlgcmAyI/AAAAAAAAAII/UVUTugdmiv4/s320/rafe1.jpg" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5409576962302018338" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;সত্যি সেলুকাস! কি বিচিত্র এ দেশ! আজকে আবার মনে মনে বলে উঠলাম নগরীর একটি হতবাককর দৃশ্য দেখে।&lt;br /&gt;ঢাকার শ্যামলী আর শের ই বাংলা নগর জুড়ে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা দানকারী হাসপাতাল রয়েছে। যেমন- &lt;br /&gt;জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, &lt;br /&gt;জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল, &lt;br /&gt;জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, &lt;br /&gt;জাতীয় কিডনী ইনস্টিটিউট, &lt;br /&gt;জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট&lt;br /&gt;শিশু হাসপাতাল&lt;br /&gt;সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল&lt;br /&gt;ট্রমা সেন্টারসহ অনেকগুলো হাসপাতাল।&lt;br /&gt;সারা দেশ থেকে এসব সেন্টারে সিরিয়াস রোগীদেরকে রেফার করা হয়ে থাকে। গুরুত্বপূর্ণ এ এরিয়াতে &lt;br /&gt;বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্থোপেডিক হাসপাতাল নিটোর বা পঙ্গু হাসপাতাল, যেখানে হাজার হাজার রোগী চিকিৎসা নেন। দেখলাম, এর পাশ ঘেসে একশত গজ দূরেই বসানো হয়েছে বিরাট গরু ছাগলের হাট। তার চেয়েও আশ্চর্য জনক হচ্ছে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, যেখানে সারা বাংলাদেশ হতে সবচাইতে খারাপ চক্ষু রোগীগুলো রেফার হয়ে আসে এবং জটিল সব অপারেশন হয়ে থাকে। তার কোল ঘেসে বসানো হয়েছে আরো একটি গরুর হাট। স্পর্শকাতর ও দূরারোগ্য চিকিৎসার আশ্রয়স্থল এ এরিয়াতে কিভাবে হাট বসানোর অনুমতি দেয়া হলো, তা আমার ক্ষুদ্র মস্তিস্কে ধরেনা। কিন্তু দশ দিনের হাটের পরে একমাস ধরে য়খন গরুর মল-মূত্র আর বিশাল রোগ জীবানুর এ ভান্ডার শুকিয়ে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে, তার আফটার এফেক্ট কি অনুমতি দাতাদের সামান্য চিন্তাতেও আসেনি। কিন্তু যারা অল্প কটি টাকার লোভে স্পর্শকাতর স্থানে চতুস্পদ প্রানীর হাট বসালেন, তাদের মাথায় যদি চতুস্পদ প্রানীগুলোর সমপরিমাণ ঘিলুও ফাংশনাল থাকত, তবে আমার মনে হয়, সিদ্ধান্ত নেবার আগে এসব নিয়ে একটু হলেও পুণবিবেচনা করতেন? জানিনা এর ফল কত জন অসহায় রোগী ভুগবে? তবে এর প্রভাবে হয়ত;&lt;br /&gt;(১) নতুন কিছু অসহায় রোগী আরও মাস খানেক হাসপাতালে বেশি রাত কাটাবে&lt;br /&gt;(২) হয়তবা ইনফেকশনের কারনে কয়েকজনের অঙ্গহানি হবে বা চক্ষু নষ্ট হবে&lt;br /&gt;(৩) হাসপাতালে সামান্য রোগের চিকিৎসা নিতে এসে নতুন ভাবে কিছু শিশু শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ নিয়ে দুঃসময় অতিবাহিত করবে আর বাবা মাকে নির্ঘুম রাখবে।&lt;br /&gt;(৪) হয়তবা বরাবরের মতো কিছু রোগী ডাক্তারদের গালি গালাজ করে দেশের চৌদ্দ গোষ্ঠি উদ্ধার করবে, ইন্ডিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থার গুন কীর্তন করবে।&lt;br /&gt;(৫) ডাক্তাররা গলদঘর্ম হয়ে ইনফেকশনের জন্য রোগী আর তাদের এটেনডেন্টদের দায়ী করে দায়িত্ব পালন সম্পন্ন করবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-24759352993897731?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/24759352993897731/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/11/blog-post_4283.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/24759352993897731'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/24759352993897731'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/11/blog-post_4283.html' title='প্রতিক্রিয়াঃ এ সর্বনাশের দায় কার?'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/SxKtlgcmAyI/AAAAAAAAAII/UVUTugdmiv4/s72-c/rafe1.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-1382676746766167098</id><published>2009-11-29T09:17:00.000-08:00</published><updated>2009-11-30T23:54:32.634-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Reaction(প্রতিক্রিয়া)'/><title type='text'>প্রতিক্রিয়াঃ চাটার দলের গবেষণাঃ বঙ্গবন্ধু খলিফাতুল মুসলিমিনের একজন!!??</title><content type='html'>প্রেস বিজ্ঞপ্তি-&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বঙ্গবন্ধু খলিফাতুল মুসলিমিনের একজন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;‘পবিত্র কুরআন-হাদিসের আলোকে খলিফাতুল মোসলেমীন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছিলেন খলিফাতুল মুসলিমিনদের একজন। মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বশূন্য অসহায় দরিদ্র মুসলমান তথা সারা বিশ্বের ক্ষুধার্ত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য বঙ্গবন্ধুর আপসহীন লড়াইয়ের কারণে বঙ্গবন্ধুই সারা বিশ্বের মুসলমানদের একমাত্র অভিভাবক ছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারা বলেন, আমাদের ঈমানই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা(ধর্মনিরপেক্ষতা একটি কুফরি মতবাদ)। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধিতা করেন তারা কুরআনকে অস্বীকার করেন। তারা বলেন, ‘বাংলাদেশ-জিন্দাবাদে’ কোনো ফজিলত নেই কিন্তু ‘জয় বাংলা’ বললে বরকত ও ফজিলত আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বার্তাঙ্গনের উদ্যোগে আয়োজিত মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক ভোরের ডাকের নির্বাহী সম্পাদক নাসির উদ্দিন চৌধুরী। আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম অনুষ্ঠানস্খলে উপস্খিত হলেও সাড়ে ১০টার অনুষ্ঠান সাড়ে ১১টায়ও শুরু না হওয়ায় তিনি চলে যান। অন্যান্যের মধ্যে সুর্প্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি শ ম রেজাউল করিম, বইটির লেখক হায়দার আলী চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আফাজ উদ্দিন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ আখতার ইউসুফ, বিএফইউজে মহাসচিব আলতাফ মাহমুদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক পথিক সাহা ও সাংবাদিক শাহীন ইসলাম চৌধুরী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বক্তব্য না রাখলেও বার্তাঙ্গনের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আইন প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্খলে আধা ঘন্টা বসে থাকার পর বের হয়ে যান। এ সময় আয়োজকরা অনুরোধ করলে অ্যাডভোকেট তিনি বলেন, ২০ মিনিট পর আমি আসছি। তবে তিনি আর ফিরে আসেননি।&lt;br /&gt;হায়দার আলী চৌধুরী তার বই সম্পর্কে লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার গবেষণায় পেয়েছি, পবিত্র কুরআন-হাদিসের আলোকে ঈমানের প্রধান শর্তই হলো ধর্মনিরপেক্ষতা (*ধর্মনিরপেক্ষতা দাবী করাই কুফরী)। ধর্মনিরপেক্ষ না হলে ঈমানদার দাবি করা যাবে না। আর যাদের ঈমান নেই তারা মুসলমান নয়। সুতরাং ধর্মনিরপেক্ষতা ঈমানের অঙ্গ। এটি পবিত্র কুরআনের শাশ্বত বিধান। তাই খলিফাতুল মুসলিমিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রের অন্যতম মূলনীতি হিসেবে উল্লেখ করে ঈমানি দায়িত্ব পালন করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ‘জয় বাংলা’ তে এত ফয়েজ, এত বরকত, এত ফজিলত পেয়েছি, যা ‘বাংলাদেশ-জিন্দাবাদ’ এ পাওয়া যায় না। ‘বাংলাদেশ-জিন্দাবাদ’ আমাদের ৩৫ বছর পিছিয়ে দিয়েছে। তাই দেশ ও জাতির অগ্রগতির জন্য সব রাজনৈতিক দলের একটিই গান হওয়া উচিত- ‘জয় বাংলা’।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লাল-সবুজের মলাটে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত এই গ্রন্থে ১৩টি অধ্যায় রয়েছে। ১৩২ পৃষ্ঠার বইটির দাম লেখা হয়েছে ২০০ টাকা।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-1382676746766167098?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/1382676746766167098/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/11/blog-post_29.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1382676746766167098'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1382676746766167098'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/11/blog-post_29.html' title='প্রতিক্রিয়াঃ চাটার দলের গবেষণাঃ বঙ্গবন্ধু খলিফাতুল মুসলিমিনের একজন!!??'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-7459785748264141336</id><published>2009-11-14T06:58:00.000-08:00</published><updated>2009-11-14T07:00:26.240-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Poetry(ছড়া-কবিতা)'/><title type='text'>বন্দী শৈশব</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sv7F6oLqEXI/AAAAAAAAAIA/vXmKoAncl0M/s1600-h/22.jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 150px; height: 200px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sv7F6oLqEXI/AAAAAAAAAIA/vXmKoAncl0M/s200/22.jpg" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5403974213900570994" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;আমার এই ছোট্ট ঘরে&lt;br /&gt;সূর্য ওঠে অনেক পরে;&lt;br /&gt;ইট আর কাঠের খোঁপে&lt;br /&gt;সবার আগে সূর্য ডোবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বহুতলে এ ঘর খানি'&lt;br /&gt;এসি ছাড়া, ভীষণ গুমোট,&lt;br /&gt;জেনারেটরে তেল ফুরোলেই&lt;br /&gt;ভেজে এ পিঠ, শুষ্ক দুঠোট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানালায় নেই প্রকৃতি&lt;br /&gt;আকাশ বিহীন, দেয়াল ঘেরা;&lt;br /&gt;কার্নিশে নেই শালিক, চড়ুই&lt;br /&gt;ডিশ আর নেটের তারে ভরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা খুব শহুরে&lt;br /&gt;ডিপ, পিসি, নেট হাতের কাছে;&lt;br /&gt;গোটা দুই পাজেরো আর&lt;br /&gt;জনা দশেক কামলা আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমাদের বেরুতে মানা&lt;br /&gt;রাস্তাতে সব খারাপ ছেলে;&lt;br /&gt;বেরুবার কি প্রয়োজন&lt;br /&gt;গেমস, পিসি আর টিভি পেলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আশেপাশে মাঠ নেই, তাই-&lt;br /&gt;পড়ার ঘরে ক্রিকেট খেলি;&lt;br /&gt;চার, ছয় মারতে মানা&lt;br /&gt;পাছে কিছু ভেঙে ফেলি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সারাদিন পড়াশোনা, ব্যাচ&lt;br /&gt;প্রাইভেট বিরামহীন;&lt;br /&gt;ভুলেছি সেই যে কবে-&lt;br /&gt;কাটিয়েছি ছুটির দিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চোখ দুটো ঝলসে ওঠে&lt;br /&gt;চারিধারে ধুসর দেয়াল;&lt;br /&gt;ধান ক্ষেত, টলটলে জল,&lt;br /&gt;শেষ দেখেছি? নেইকো খেয়াল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘাসগুলো কেমন সতেজ?&lt;br /&gt;বৃষ্টি যখন ভেজায় তাদের;&lt;br /&gt;টোনাটুনি বাঁধে বাসা;&lt;br /&gt;খাবার আনে কেমনে ঠোঁটে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হৃদয়ে খুব হাহাকার&lt;br /&gt;আব্বু, চল! যাইনা মাঠে!&lt;br /&gt;বোঝা না? কেমন তুমি?&lt;br /&gt;নেইকো ছুটি অফিসটাতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কে এসব শুনবে বল?&lt;br /&gt;নেইকো সময়, ব্যস্ত ভারী।&lt;br /&gt;মন খারাপ হল না হয়&lt;br /&gt;আমি কি আর কাঁদতে পারি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছকে বাঁধা বন্দী জীবন&lt;br /&gt;নেই কো কোন ভিন্নতা।&lt;br /&gt;সব থেকেও যেন নেই&lt;br /&gt;হৃদয় জুড়ে শূণ্যতা।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-7459785748264141336?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/7459785748264141336/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/11/blog-post.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/7459785748264141336'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/7459785748264141336'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/11/blog-post.html' title='বন্দী শৈশব'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sv7F6oLqEXI/AAAAAAAAAIA/vXmKoAncl0M/s72-c/22.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-1164068020030332567</id><published>2009-10-01T22:34:00.001-07:00</published><updated>2009-10-01T22:34:52.027-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Medical Jokes(মেডিকেল জোকস)'/><title type='text'>মেডিকেল জোকসঃ১০ ক্ষতিকারকে পকেট শূণ্য বিভক্তি</title><content type='html'>ডাক্তার ষষ্ঠ শ্রেনীর ইচড়ে পাকা ছেলেকে ধূমপান না করবার জন্য কাউন্সিলিং করছেন। এক পর্যায়ে&lt;br /&gt;ডাক্তারঃ বলতো বাবু, ধূমপানে বিষপান- কোন কারকে কোন বিভক্তি?&lt;br /&gt;ছেলেঃ স্যার, ক্ষতিকারকে পকেট শূণ্য বিভক্তি&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-1164068020030332567?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/1164068020030332567/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/10/blog-post_6856.html#comment-form' title='2টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1164068020030332567'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1164068020030332567'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/10/blog-post_6856.html' title='মেডিকেল জোকসঃ১০ ক্ষতিকারকে পকেট শূণ্য বিভক্তি'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-1882593924439409420</id><published>2009-10-01T22:32:00.002-07:00</published><updated>2009-10-15T05:36:04.074-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Medical Jokes(মেডিকেল জোকস)'/><title type='text'>মেডিকেল জোকসঃ৯ চশমা নিতে হবে?</title><content type='html'>রোগী ব্যাংকে গিয়ে ক্যাশিয়ারকে বলছেন-&lt;br /&gt;রোগীঃ ডাক্তার সাহেব, সবাই বলছে আমার নাকি চশমা নিতেই হবে, আপনি কি বলেন?&lt;br /&gt;ক্যাশিয়ারঃ অবশ্যই নিতে হবে। কারন আপনি পাশের চেম্বারে না ঢুকে ব্যাংকে ঢুকে পড়েছেন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-1882593924439409420?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/1882593924439409420/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/10/blog-post_6173.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1882593924439409420'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1882593924439409420'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/10/blog-post_6173.html' title='মেডিকেল জোকসঃ৯ চশমা নিতে হবে?'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-4061076504907002404</id><published>2009-10-01T22:32:00.001-07:00</published><updated>2009-10-01T22:32:56.696-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Medical Jokes(মেডিকেল জোকস)'/><title type='text'>মেডিকেল জোকসঃ৮ গাছ থেকে পড়া</title><content type='html'>শতবর্ষী এক বুড়ো মানুষ গাছ থেকে পড়ে হাত পা ভেঙ্গে তার ছেলে-নাতীদের সাথে হম্বিতম্বি করছেন। ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো।&lt;br /&gt;ডাক্তারঃ গাছ থেকে পড়লেন কিভাবে?&lt;br /&gt;রোগীঃ তোরা কে কোথায় আছিস রে, আমাকে ধরে গাছে তুলে দে। আমি স্যারকে বুঝিয়ে দেই কিভাবে গাছ থেকে পড়লাম।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-4061076504907002404?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/4061076504907002404/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/10/blog-post_01.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/4061076504907002404'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/4061076504907002404'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/10/blog-post_01.html' title='মেডিকেল জোকসঃ৮ গাছ থেকে পড়া'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-1036256122079188633</id><published>2009-10-01T22:28:00.000-07:00</published><updated>2009-10-01T22:32:14.011-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Medical Jokes(মেডিকেল জোকস)'/><title type='text'>মেডিকেল জোকসঃ৭ ভুলে যাওয়ার ব্যামো</title><content type='html'>রোগীঃ ডাক্তার সাহেব, আমার না ভুলে যাওয়ার ব্যামো হয়েছে হয়েছে।&lt;br /&gt;ডাক্তারঃ কবে থেকে এই রোগের শিকার হয়েছেন?&lt;br /&gt;রোগীঃ কোন রোগের কথা বলছেন যেন?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-1036256122079188633?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/1036256122079188633/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/10/blog-post.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1036256122079188633'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1036256122079188633'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/10/blog-post.html' title='মেডিকেল জোকসঃ৭ ভুলে যাওয়ার ব্যামো'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-8794738912517597293</id><published>2009-09-23T01:13:00.000-07:00</published><updated>2009-09-23T01:15:49.798-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Storiesগেল্প)'/><title type='text'>গল্পঃ নতুন জীবনের গল্প</title><content type='html'>জ্যামের মধ্যে বাসে বসে থাকাটা যে কি বিরক্তিকর! অসহ্য গরম। আষাঢের মাঝামাঝি চলছে অথচ আকাশ ফকফকা। বৃষ্টির নাম নিশানাও নেই। জামাটা ঘামে ভিজে জবজব করছে। এর মাঝে আবার জামার মধ্যে কি যেন একটা ঢুকে কুটকুট করছে। হাত ঘুরিয়ে যে বের করার চেষ্টা করবে তারও জো নেই। বাস ভর্তি মানুষের নিঃশ্বাসগুলো এক হয়ে যেন অক্সিজেনগুলোকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিতে চাইছে।&lt;br /&gt;মুড়ির মতো গাদাগাদি করে ভর্তি বাসটির সামনের সিটে বসে আছে মানিক। সিটে বসেও স্বস্তি নেই। সামনের লোকগুলো বারবার এসে তার গায়ের উপর পড়ছে। একদম গা ঘেসে একজন বৃদ্ধ লোক, বোঝাই যাচ্ছে গরমে কাহিল হয়ে পড়েছেন। যখনই কোন মোড়ে এসে বাস থামছে, লোক উঠানামা করছে, সে এসে প্রতিবারই মানিকের গায়ের উপর পড়ছে। মানিক যারপরনাই বিরক্ত।&lt;br /&gt;এইযে চাচা মিয়া! সোজা হয়ে দাড়াতে পারেন না। বারবার গায়ে এসে পড়ছেন? একটু কর্কশ স্বরেই বললো সে। বুড়ো মানুষটা হেসে দিয়ে বলল,&lt;br /&gt;-বাপ! দেখনা কতো ভীড়? আমি কি আর ইচ্ছা করে গায়ে পড়ি?&lt;br /&gt;- অত- সত বুঝিনা। আপনি সোজা হন। অন্য দিকে তাকিয়ে তাকে কথা শুনিয়ে দিল মানিক।&lt;br /&gt;মেজাজটা আজ এমনিতেই টং হয়ে আছে মানিকের। বেশ কদিন থেকেই তার মনটা খারাপ । বাবা মায়ের সাথে আজ  চুড়ান্ত ঝগড়া করেছে সে। সেই কবে থেকে একটা কম্পিউটারের জন্য বাবাকে বলছে, কোন তোয়াক্কাই করছে না। অথচ বন্ধুদের শুধু কম্পিউটার কেন, ডিভি ক্যামেরা, ল্যাপটপ, দামী মোবাইল ক-ত কিছু আছে? সে তো সামান্য একটা কম্পিউটার ছাড়া কিছুই চায়নি। এমন বড় কিছু তো আর নয়। তার উপর আবার, সে বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে। তারপরেও ঘুরে ফিরে তাদের একই কথা। কম বেতনের চাকরি, কম্পিউটার কেনার সামর্থ নেই। আরে, কয় টাকাই বা লাগে একটা কম্পিউটার কিনতে? বলে, টাকা জমলে তখন দেবে। আরে বাবা, বললেই হয় দেবনা। অতো অজুহাত দেবার দরকার কি? ভাবলেই রাগে অভিমানে মানিকের চোখে পানি চলে আসে। গরমের ভেতরে শরীরের তাপমাত্রা আরও বেড়ে যায় তার।&lt;br /&gt;এই ভর দুপুরে তাই রাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছে মানিক। বাসার সামনের মোড়ে এসে এই বাসটাতে উঠেই যত বিপত্তি। এক তো অসহ্য গরম, আর বাসে ওঠার পর মনে হল, সে কোথায় যাবে, জানেনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(খ)&lt;br /&gt;পাশের সীটে বসা লোকটা উঠে যেতেই আরেকজন এসে বসল তার পাশে। তাকিয়ে দেখল সঙ্গীকে। বেশ সুন্দর চেহারা। তার চেয়ে বোধহয় পাঁচ- সাত বছরের বড় হবে। হাতে একটা হ্যান্ড ব্যাগ। মোবাইলে কথা বলছে সে। খুব নীচু স্বরে, ধীর কন্ঠে। বেশ কিছুক্ষণ ব্যাপারটি লক্ষ্য করে ভালো লাগল মানিকের। আগের বসে থাকা লোকটা ঘোড়ার মতো চিৎকার করে যেভাবে সিমেন্টের অর্ডার দিচ্ছিল, তাতে মনে হচ্ছিল পুরো বাসে সে একাই বসে আছে অথবা সে বাসটির মালিক। সবাই তার দিকে ভ্রু কুচকে তাকিয়ে থাকলেও তার কোন ভ্রুক্ষেপ ছিলনা। মোবাইল ব্যবহারের সময় এটাও যে  খেয়াল রাখা লাগে, তার জ্ঞানই নেই। &lt;br /&gt;'ছেলেটা বেশ ভদ্র' মনে মনে ভাবল মানিক।&lt;br /&gt;হঠাৎ ভাবনায় ছেদ পড়ল, আবার কেউ একজন গায়ে এসে পড়ায়। তাকিয়ে দেখে সেই বুড়ো মানুষটা।&lt;br /&gt;- কি হলো চাচা? বারবার বলছি, তারপরেও আপনি গায়ে এসে পড়ছেন?&lt;br /&gt;- বাবা! এইটা পাবলিক বাস, এমন হইতেই পারে। তোমার সমস্যা হইলে প্রাইভেট কিন্যা চল।&lt;br /&gt;কথা শুনে কান গরম হয়ে হয়ে যায় তার। শক্ত কিছু একটা বলতে যাবে মানিক, এমন সময় হঠাৎ খেয়াল করল পাশে বসা ছেলেটি উঠে দাড়িয়েছে। সে বৃদ্ধ মানুষটিকে বলল,&lt;br /&gt;-বাবা! আপনি এখানে বসুন।&lt;br /&gt;- না-না! আমি এই সামনে নামব। বৃদ্ধ লোকটি আপত্তি জানায়।&lt;br /&gt;- তবু বসেন, আপনি নেমে গেলে আমি বসব। আমি তো ছোট, দাড়িয়ে থাকতে একটুকু কষ্ট হবেনা। উঠে বসতে দিল বৃদ্ধ মানুষটিকে।&lt;br /&gt;অকষ্মাৎ ঘটনা প্রবাহে হতবাক মানিক। এই অসহ্য গরমে, এত ভীড়ে নিজের সীট ছেড়ে দিল। আশ্চর্য! এত বোকা কেউ হয় নাকি? এখন যে সারা রাস্তা দাড়িয়ে যেতে হবে? ভাবতে থাকে মানিক।&lt;br /&gt;বাসের গতি একটু বেড়েছে। বড় রাস্তায় কিছুটা ফাকা পেয়ে টান দিয়েছে বাস ড্রাইভাব। ভাঙ্গা জানালা দিয়ে হালকা বাতাস ভেতরের গুমোট ভাবটাকে কমিয়ে দিচ্ছে।&lt;br /&gt;- খুব গরম, তাই না? তুমি কোথায় থাক বাবা? হঠাৎ কথা বলতে শুরু করল পাশে বসে থাকা  বৃদ্ধ লোকটি। &lt;br /&gt;তার চোখের দিকে তাকাতে সংকোচ হল মানিকের। কেন, তা বুঝিয়ে বলতে পারবে না সে। &lt;br /&gt;- মিরপুর।&lt;br /&gt;- পড়াশুনা?&lt;br /&gt;- মনিপুর স্কুলে, ক্লাস এইট এ।&lt;br /&gt;- হু- তো একা একা কোথায় যাচ্ছ এই ভর দুপুরে?&lt;br /&gt;একটু চিন্তায় পড়ে গেল মানিক। কি বলবে সে? কোথায় যাবে, তাতো এখনও ঠিক করাই হয়নি।&lt;br /&gt;- এ-এইতো, রমনা পার্কে।&lt;br /&gt;- এই দুপুরে? রমনা পার্কে? বৃদ্ধ লোকটি ঘুরে বসল।&lt;br /&gt;- না- মানে, একজনের সাথে একটু দেখা করব। সে ওখানে আসার কথা। বলল মানিক। ভাবছে মিথ্যা বলা তো ভারী বিপদ, আবার কি জিজ্ঞেস করে বসে লোকটা।&lt;br /&gt;হঠাৎ উঠে দাড়িয়েছে বৃদ্ধ লোকটি, সামনের স্টপেজে নামবে। যাক, বাবা বাঁচা গেল। ভাবল মানিক। যেভাবে জেরা করছিল, একটু হলেই সব বলে দিতে হোত।&lt;br /&gt;লোকটি উঠে যেতেই খালি আসনে সেই ছেলেটি পাশে এসে বসল। বাস থেমেই আছে। সামনের গ্লাসের ভেতর দিয়ে দেখা যাচ্ছে বিশাল জ্যাম। কতক্ষণ লাগবে কে জানে? হেলপারটাও এই ফাকে ডাকাডাকি করে লোক উঠাচ্ছে দু পয়সা বাড়তি রোজগারের আশায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(গ)&lt;br /&gt;- কি নাম, ভাইয়া তোমার? কথা বলে উঠল পাশের ছেলেটি।&lt;br /&gt;- মানিক।&lt;br /&gt;- তুমি মনিপুর স্কুলে পড়, তাই না? আমি সব শুনেছি। আমার নাম তাশফীন। বুয়েটে পড়ি। তো এই ভর দুপুরে রমনা পার্কে কোথায় যাবে?&lt;br /&gt;আবার বিপদের আশঙ্কা হল মানিকের মনে। বানিয়ে কথা বলা, খুব কঠিন কাজ।&lt;br /&gt;- না মানে, একটা কাজ ছিল আর কি।&lt;br /&gt;- আসলে আমারও একটা কাজ আছে, রমনা পার্কে নয়, তার পাশেই। সেজন্যই জিজ্ঞাসা করছিলাম আর কি। ভাবলাম দুজনের কাজ মিলে যায় কিনা?&lt;br /&gt;কথা বলতে ভালই লাগছে মানিকের। দেখতে মোটেও ছেলেধরাদের মতো নয়, আবার বলছে বুয়েটে পড়ে। কথা বার্তাতে ভয় কেটে গেছে তার।&lt;br /&gt;- আপনার কাজ কোথায় ভাইয়া? জিজ্ঞাসা করল মানিক।&lt;br /&gt;- ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে। একটা অনুষ্ঠানে যাচ্ছি।&lt;br /&gt;-হু।&lt;br /&gt;- তুমি একা যাচ্ছ কেন এত দূর পথে? এত দূরে যেতে হলে আমার আব্বু আম্মু কখনই একা ছাড়তেন না। বলল তাশফীন। হাসি মাখা মুখে শাসনের মৃদ্যু সুর।&lt;br /&gt;প্রশ্নটা এড়িয়ে গেল মানিক। ভাবলেই রাগ বেড়ে যাচ্ছে তার।&lt;br /&gt;- আচ্ছা ভাইয়া! একটা কথা জিজ্ঞাসা করি, আপনি ঐ লোকটিকে সীট ছেড়ে দিলেন কেন? যদি সে আরও দূরে যেত, তাহলে তো আপনাকে পুরো রাস্তাই দাড়িয়ে যেতে হোত, তাইনা?&lt;br /&gt;- দূর! এটা কোন ব্যাপার হল। শোন, ওই লোকটার স্থানে যদি তোমার বাবা কিংবা দাদা থাকত? তুমি সীটে বসে আরামসে যাচ্ছ আর সে গরমে কষ্ট করে দাড়িয়ে দাড়িয়ে যাচ্ছে, এটা দেখে তখন তুমি কি করতে?&lt;br /&gt;ভাবনার দরজায় টোকা পড়ল মানিকের।&lt;br /&gt;- তাকে বসতে বলতাম। আব্বুকে দাড়িয়ে রেখে নিজে কি বসে থাকা যায়?? এটা বেয়াদবী হোত না?&lt;br /&gt;- একদম ঠিক বলেছ। ওই লোকটাও তো কারও আব্বু বা কারও দাদু, তাই না? তার অনেক বয়স আর এখনও আমার তো অনেক শক্তি আছে, একটু কষ্ট করলে ক্ষতি কি? তিনি না হয় কয়েকটা মিনিট আমার চাইতে একটু বেশি আরামই করলেন। তুমি যদি কাউকে সম্মান না কর, তাহলে  তুমি যখন বৃদ্ধ হবে, তুমি নিজেও তো সম্মান পাবেনা, বিপদে কাউকে কাছে পাবেনা- এটা কি ভালো হবে? &lt;br /&gt;মন্ত্র মুগ্ধের মতো শুনতে থাকে মানিক। ইস! কেন লোকটির সাথে খারাপ ব্যবহার করল সে?&lt;br /&gt;- হু- ঠিক বলেছেন। আসলে আমি এভাবে কখনও ভাবিনি। কেন জানি ভালো লেগে যায় তাশফীনকে তার। অনেক বিষয়ে কথা চলতে থাকে। কথা বলতে বলতে কখন যে বাস রমনা পার্কের কাছে চলে এসেছে টের পায়নি তারা। আচমকা হেলপারের ডাকে সম্বিত ফিরে পায়। দ্রুত নেমে যায় বাস থেকে দুজন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(ঘ)&lt;br /&gt;পার্কে ঢোকার মুখেই দেখতে পেল দুজন, ২-৩ বছরের একটা ছোট বাচ্চা  ছেলে হাতে থাকা মুড়ির ঠোঙ্গাটি সজোরে ছুড়ে ফেলেছে ফুটপাথে। গড়াতে গড়াতে ঠোঙ্গাটি মানিকের পায়ের সামনে এসে থামল। থমকে দাড়ালো তারা। একটু দূরে দাড়ানো বাচ্চাটির মা, শতচ্ছিন্ন ময়লা শাড়ি পরিহিতা। বাচ্চাটির এহেন কাজে ক্ষিপ্ত হয়ে, দৌড়ে এসে দুম দুম করে  গোটা কয়েক কিল বসিয়ে দিল তার পিঠে।  নাটকের মতো পুরো দৃশ্যটা ঘটল দুজনের চোখের সামনেই। &lt;br /&gt;মার খেয়ে বাচ্চাটি চিৎকার করে কেঁদে উঠল । মায়ের চোখেও পানি। সন্তানের দিকে তাকিয়ে জোরে জোরে বলে উঠল,&lt;br /&gt;- কতবার কইছি, টাকা নাই।  নবাবের বাচ্চা,টেকা কিনা মুড়ি ফালায়া দেস? হেহ! শখ কতো উগলু খাইব। তোর বাপ কি জমিদারী তালুক থুইয়া গেছে যে রোজ পোলাও কোর্মা খাবি?&lt;br /&gt;ওরা দুজন এই দৃশ্য দেখে মহিলাটির কাছে গেল।&lt;br /&gt;- আরে, ওতো ছোট, অবুঝ। ওকে মারলে কি হবে? ও কি বুঝে নাকি?&lt;br /&gt;- গরীবের বাচ্চা বুজবনা কেন? খাওনটাতো ঠিকই বুজে? এইটা বুজে না যে গরীবের সাদ আল্লাদ থাকতে নাই?&lt;br /&gt;- সামান্য একটা ইগলুই তো চেয়েছে? বলল মানিক, সে এখনও বুঝতে পারছে না এত ছোট ব্যাপারে মারার মতো কি হল? মায়ের চোখে পানি। সে বলল,&lt;br /&gt;- আমি সারাদিন কাগজ টুকাইয়া পাই ৪০/৫০ টেকা, ২৫ টেকার আইসক্রিম কিন্ন্যা দিলে আমি সারাদিন খামু কি? এইবার মানিক বুঝতে পারল, সমস্যাটা কোথায়? মানুষ এ-তো কষ্ট করে অথচ সে তো প্রায়ই স্কুল থেকে ফেরার পথে ইগলু কিনে খায়। বোকা হয়ে যায় সে।&lt;br /&gt;- আচ্ছা, ঠিক আছে। ওকে আমি কিনে দিচ্ছি। পকেটে হাত দেয় তাশফীন।&lt;br /&gt;- এই পিচ্ছি, আয় আয়, ইগলু খাবিনা?&lt;br /&gt;নিমিষে কোথায় হারিয়ে গেল কান্না। ঝকঝকে দাঁত বের করে দৌড়ে এল ওদের কাছে, কালো মলিন মুখটাতে আনন্দ ঝলমল করে উঠেছে। চোখের কোণে শুকিয়ে যাওয়া সদ্য অশ্রুধারা, চকচক করছে মুক্তোর মতো । তাশফীন টাকা বের করে পার্কের গেটে দাড়িয়ে থাকা ইগলুর ভ্রাম্যমান দোকান থেকে আইসক্রিম নিল। প্যাকেটটি ছিড়ে বাচ্চাটির হাতে দিতেই দু হাতে আইসক্রিম জড়িয়ে ধরে এক দৌড়ে গিয়ে মায়ের কোলে উঠল সে। কোলে উঠে মাকে বলছে, মা তুমিও খাও, খাওনা?&lt;br /&gt;নির্বাক মা, দুচোখে কৃতজ্ঞতার অশ্রু, নির্বাক তাকিয়ে থাকে ওদের দিকে। অপরিচিত দুজন লোকের এহেন অকষ্মাৎ  আচরনে সেও হতবাক।&lt;br /&gt;ধন্যবাদের তোয়াক্কা না করে তাশফীন হাত ধরল মানিকের।&lt;br /&gt;- চল, যাই, পার্কে ঢুকি। &lt;br /&gt;মানিকের চোখের দিকে তাকাতেই চমকে উঠে তাশফীন।&lt;br /&gt;- মানিক, তুমি কাঁদছ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(ঙ)&lt;br /&gt;চোখের কোণ মুছে হেসে দিল মানিক।&lt;br /&gt;- না-না, ভাইয়া । এই চোখে কি যেন পড়ল। চলুন।&lt;br /&gt;মনের ভেতর  বৈশাখী ঝড় বয়ে চলেছে মানিকের। সে-ও তো বায়না ধরে বাবা মায়ের সাথে খারাপ ব্যবহার করে বাসা থেকে বেরিয়ে এসেছে। বাচ্চাটি তো অবুঝ কিন্তু সে তো আর শিশুটির মতো নয়। ইস্। তার বাবাও তো বলেন, তার আয় কম, কিভাবে কিনে দেবেন অতো দামের জিনিস? স্কুলের স্যাররা বলেন, সৎ থাকতে হলে নাকি অনেক ইচ্ছা পূরণ করা যায়না। অসৎ হলে যা খুশী, তাই করা যায়। সে নিজেও তো বন্ধুদের কাছে মাথা উচু করে বলে, আমার বাবা অন্যায় ভাবে টাকা নেননা। আর তাকেই কিনা সে এভাবে কষ্ট দিয়েছে। ভাবতে ভাবতে আবারও চোখে পানি চলে আসে মানিকের।&lt;br /&gt;- কি ব্যাপার মানিক? এখনও ময়লাটা বের হয়নি? কই দেখি দেখি?&lt;br /&gt;- না-না, লাগবেনা। এই তো বেরিয়ে গেছে।&lt;br /&gt;- আচ্ছা, মানিক.......?&lt;br /&gt;-বলেন।&lt;br /&gt;- তোমার কি সময় হবে? তাহলে চল আমার সাথে। এই বেশি না। মাত্র দু- আড়াই ঘন্টা। ওখানে দারুন অনুষ্ঠান আছে। নাটকও হবে। নাম 'নতুন জীবনের গল্প'। দেখবে, অনেক ভালো্ লাগবে।&lt;br /&gt;- হু! &lt;br /&gt;আনমনে সায় দেয় মানিক। সে-ও তো চায় নতুন জীবন। ভুল গুলোকে পেছনে ফেলে নতুন ভাবে ভাবতে চায় সে। আগের মানিককে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে সেই কখন।&lt;br /&gt;- চল, ভাইয়া। হাত ছেড়ে মানিকের কাধের ওপর দিয়ে পুরো বাহু ছড়িয়ে দেয় তাশফীন। চলতে শুরু করে দুজন।&lt;br /&gt;নতুন জীবনের স্বপ্নে বিভোর মানিক সম্মোহিতের মতো চলতে থাকে হঠাৎ দেখা পাওয়া সুন্দর মানুষটির সাথে সাথে। আগের মানিক হয়ে নয়, বদলে যাওয়া দ্যুতি ছড়ানো , আনকোরা এক নতুন মানিক হয়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt; -সমাপ্ত-&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-8794738912517597293?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/8794738912517597293/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/09/blog-post_23.html#comment-form' title='6টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/8794738912517597293'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/8794738912517597293'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/09/blog-post_23.html' title='গল্পঃ নতুন জীবনের গল্প'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>6</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-7240617687719475335</id><published>2009-09-22T20:32:00.001-07:00</published><updated>2009-09-22T20:32:29.065-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Medical Jokes(মেডিকেল জোকস)'/><title type='text'>মেডিকেল জোকস-৬ঃ ভুগোলের শিক্ষক</title><content type='html'>ভুগোলের এক শিক্ষক এসেছেন চিকিৎসকের কাছে-&lt;br /&gt;-ভাই, আপনার সমস্যাটা বলুন।&lt;br /&gt;-উহ! পায়ে প্রচন্ড ব্যাথা। আমি আর সহ্য করতে পারছিনা। কিছু একটা করুন।&lt;br /&gt;-অবশ্যই। কিন্তু তার আগে বলুন, ব্যাথাটা ঠিক কোন জায়গায় বেশি হচ্ছে?&lt;br /&gt;-পায়ের  পাতার ঠিক দক্ষিণ পশ্চিম বলয়ে ৩০ ডিগ্রি অক্ষাংশে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-7240617687719475335?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/7240617687719475335/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/09/blog-post_22.html#comment-form' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/7240617687719475335'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/7240617687719475335'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/09/blog-post_22.html' title='মেডিকেল জোকস-৬ঃ ভুগোলের শিক্ষক'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-7106034575030949763</id><published>2009-09-22T20:15:00.000-07:00</published><updated>2009-09-22T20:19:15.703-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Medical Jokes(মেডিকেল জোকস)'/><title type='text'>মেডিকেল জোকস-৫ঃ কাকতালীয়</title><content type='html'>বাবা হতে যাচ্ছেন এমন তিনজন ব্যক্তি নার্ভাস হয়ে ডেরিভারী রুমের সামনে পায়চারী করছেন। হঠাৎ ভেতর থেকে নার্স এসে বলল;&lt;br /&gt;-অভিনন্দন, মিঃ সুমন! আপনি টুইন (যমজ) সন্তানের বাবা হয়েছেন।&lt;br /&gt;- কি অদ্ভুত মিল! আরে আমিও মালয়েশিয়ার টুইন টাওয়ারে চাকুরী করি। অন্য দুজনের কাছে বললেন মিঃ সুমন।&lt;br /&gt;একটু পরে নার্স এসে আবার ঘোষনা করল;&lt;br /&gt;-অভিনন্দন, মিঃ মালেক! আপনি তিনটি সন্তানের বাবা হয়েছেন। একটি মেয়ে, দুটো ছেলে।&lt;br /&gt;- ইয়া আল্রাহ! বলে কি? আমার কোম্পানীর নাম যে ট্রাই স্টার সিমেন্ট কোম্পানী।&lt;br /&gt;আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে সকলে পরবর্তী বাবাকে দেখছিল, তিনি কি সুংবাদ পান? কিন্তু তিনি খুব উদ্বিগ্ন হয়ে ঘামছিলেন। হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ঢলে পড়লেন। পানি ছিটিয়ে জ্ঞান ফেরানো হলো।&lt;br /&gt;সকলে জিজ্ঞাসা করলেন, কি ব্যাপার? আপনি একটু পরে বাবা হতে যাচ্ছেন, হঠাৎ কি হলো?&lt;br /&gt;- না ভাবছিলাম, আমি তো সেভেন আপ পানীয় কোম্পানীর ম্যানেজার, তাহলে আমার কি হবে?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-7106034575030949763?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/7106034575030949763/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/09/blog-post.html#comment-form' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/7106034575030949763'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/7106034575030949763'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/09/blog-post.html' title='মেডিকেল জোকস-৫ঃ কাকতালীয়'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-1467781371763718831</id><published>2009-08-21T09:01:00.000-07:00</published><updated>2009-11-08T06:52:13.154-08:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Science Fiction(সায়েন্স ফিকশন)'/><title type='text'>সায়েন্স ফিকশন: আচানক ভয়ঙ্কর</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/SpVbD5a_BKI/AAAAAAAAAH4/9LC5j6DaK-0/s1600-h/w_wave.jpg"&gt;&lt;img style="float:right; margin:0 0 10px 10px;cursor:pointer; cursor:hand;width: 157px; height: 95px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/SpVbD5a_BKI/AAAAAAAAAH4/9LC5j6DaK-0/s200/w_wave.jpg" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5374301852848293026" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;এক.&lt;br /&gt;আমিনের দুষ্টুমির শেষ নেই। ইতিমধ্যেই গ্রামের সবচেয়ে ডানপিটে ছেলে হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছে। আর স্কুলে? ‘চিমসে বুদ্ধির রাজা’ বলে সব ছাত্র যাকে এক নামে চেনে সে-ও; ঐ আমিনই। ক্যাপ্টেনের ব্ল্যাকলিস্টে ওর নাম উঠতে উঠতে নামটাই হয়ে গেছে ‘ব্ল্যাক আমিন।’ ওর পাল্লায় যে একবার পড়েছে, তার আর রা নেই। এই তো সেদিনও ভূগোল স্যারের কাসে “সৌদি আরব কোন মহাদেশে?” এর জবাবে “মক্কা” বলতেই স্যার ভয়ানক রেগে গিয়ে ওর কান মলে পান চিবানো ঠোঁটের মত লাল করে দেন। প্রকাশ্য দিবালোকে সবার সামনে এহেন হেনস্থা করায় ভীষণ অপমান বোধ করে আমিন। “আরে বাবা, মক্কা তো সৌদি আরবে বলেই সে জানে, তো ভুলটা হলো কোথায়?” আমিনের ধারণা, শুধু শুধু স্যার তাকে মেরেছেন। এর দু’দিন পর কাসে এস বেত হাতে নেবার পরই স্যারের হাত ভীষণ রকম চুলকাতে লাগল। চুলকানির মাত্রা  এতই মারাত্মক ছিল যে তিনি সেদিন আর কাসই নিতে পারলেন না। ঘটনাটা কে ঘটিয়েছে ছাত্ররা এক নিমিষেই তা আঁচ করতে পারলেও আমিনকে দাঁত কটমট করতে দেখে, ভবিষ্যত বিপদের আশঙ্কায় ব্যাপারটা সবাই চেপে গেল।&lt;br /&gt;আবার গেল সপ্তাহে, হাজী সাহেবের বাগানে বড় মোচওয়ালা মালী মাত্র পাঁচটা আমড়া নেবার জন্য আমিনের ঘাড়ে পাঁচ আঙ্গুল দিয়ে “ব্লক বাটিক” এঁকে দিয়েছিল। ঘটনার পরদিন মালীর সারা মুখে ছোট ছোট ফোলা দেখে জিজ্ঞেস করে জানা গেল কে যেন তার বালিশের নিচে মৌমাছি সমেত ভাঙ্গা মৌচাক রেখেছিল। শোবার সময় সেগুলোর কামড়েই তার এই দশা। বড়রা আফসোস করে সান্তনা দিলেও, আমিনের বন্ধুরা ঠিকই বুঝল সুকর্মটি কার? এভাবে চলছিল আমিনের দিনকাল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুই.&lt;br /&gt;শরতের শেষ হলেও সকালে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। স্কুলের বড় মাঠটার উত্তর-পূর্ব কোণে যে মেঠো পথ, সে চলছিল ওটা দিয়ে। ভেজা আবহাওয়ায় বেশ ভালই লাগছে আমিনের, কিন্তু মনটা খারাপ। আজ ক্রিকেট খেলায় একটুও ভাল করতে পারেনি সে। ব্যাটিং- এ শূন্য আর বল হাতে রান দিয়ে হাফ সেঞ্চুরি পার। টাইগার ক্রিকেট কাবের দলনেতা ওকে আর দলে রাখবে না বলে দিয়েছে। রাখবেই বা কেন? কোন দিনটা সে ভাল খেলেছে? অথচ সে বড় খেলোয়াড় হতে চায়, চায় জাতীয় টিমে খেলতে। এখন বুঝতে পারছে জাতীয় টিমেও ভাল না খেলতে পারলে ওকে এভাবেই টিম থেকে বের করে দেওয়া হত। খেলোয়াড় জীবনের কোন কি নিশ্চয়তা আছে?&lt;br /&gt;“ধুর! এর থেকে পড়াশোনাও অনেক ভাল।” কিন্তু ওটাই ওর কাছে সবচেয়ে বাজে লাগে। কাল আবার আবুল স্যারের ইংরেজি কাস। কাসে ঢুকেই যিনি গোটা পাঁচেক বাঘা সাইজের ট্রান্সলেশন লিখতে দেন। আর না পারলে একেকটার জন্য একটা করে কানমলা। ওফ! এ কথা ভাবতেই অজান্তে কানে হাত চলে যায় আমিনের। অথচ তার দৃঢ় বিশ্বাস, “পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে পিতা-মাতা ও দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করা সকল সুনাগরিকের পবিত্র দায়িত্ব।” এ ধরণের ট্রান্সলেশন করতে দিলে তিনি নিজেও পারবেন না।&lt;br /&gt;বাজপড়া তালগাছটার পাশ দিয়ে যাবার সময় সে খেয়াল করল সেই লোকটাকে। ক’সপ্তাহ হলো হঠাৎ হঠাৎ লোকটাকে সে দেখতে পায়। এ গ্রামের কেউ নয়। সব সময় হাতে কালো মতন একটা যন্ত্র নিয়ে তার দিকে ফিরিয়ে মনোযোগ দিয়ে কি যেন দেখে। প্রথম প্রথম আমিন পাত্তা দেয়নি; কিন্তু প্রায়ই তাকে যখন অনুসরন রত দেখতে পায়, তখন আমিনের  মনে কেমন যেন সন্দেহ ঘণীভুত হলো। একটু একটু ভয়ও হলো। ঠিক ভয় নয়, একটা ভয়মিশ্রিত কৌতূহল। লোকটার দিকে চোখ রেখে আমিন দ্রুত পা চালালো বাড়ির দিকে। হঠাৎ তার মনে হলো লোকটা তাকে অনুসরণ করছে। ঝট্ করে পেছনে ফিরলো। সত্যি, দ্রুত এগিয়ে আসছে লোকটা তার দিকে। দৌড় দেবার জন্য মনস্থির করল সে। ঐ তো বাড়ি দেখা যাচ্ছে, কলাবাগানটারই পরেই। পেছন থেকে নিজের নাম শুনে অবাক হয়ে গেল। লোকটা তাকে নাম ধরে ডাকছে। দৌড় থামিয়ে ঘুরে দাঁড়াল সে। চোখ দুটো ছানাবড়া। ঘুরেই দেখতে পেল লোকটাকে; কালো স্যুট, কালো ট্রাউজার পরিহিত। তার চোখদুটো জ্বলজ্বল করছে, মনে হচ্ছে যেন কোটর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসবে। পলকহীন দুটো চোখ যেন তীব্রভাবে আকর্ষণ করছে আমিনকে। চোখ সরিয়ে নিতে চাইল আমিন, পারল না। মনে হচ্ছে লোকটি জাদু করছে তাকে, দৌড়ে পালাবার সকল শক্তি উবে গেছে কোথায়? কিছুণের মধ্যেই ঘোলাটে হয়ে পড়ল আমিনের দু’চোখ। পৃথিবীর সমস্ত ওজন ভর করল তাতে। আবছা ভাবে বুঝতে পারল তার পিঠে হাত দিয়ে ধরে ফেলেছে লোকটি। নিজেকে আর ধরে রাখতে পারল না। তীব্র ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লো আমিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিন.&lt;br /&gt;সম্মোহন কেটে গেলে নিজেকে একটা বিছানার ওপর পেল আমিন। উজ্জ্বল বাতির আলোয় চোখ মেলতে পারল না প্রথমে। কিছুণ পর আলোটা সয়ে আসলে চোখ খুলে দেখল চারপাশে কতগুলো মুখ, কালো সানগ্লাস আঁটা। চোখগুলো তার দিকে তাকিয়ে আছে। চোখদুটো হাত দিয়ে রগড়ালো সে, হাত ছুড়ে কট্কট্ করে ফুটালো, খুব ভয় করছে তার। &lt;br /&gt;“জিনিসটা কোথায়?” ঝরঝরে বাংলায় কথা বলে উঠল একজন। মনে হচ্ছে সেই-ই এদের নেতা।&lt;br /&gt;আমিন প্রথম বুঝল না। ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইল।&lt;br /&gt;“কথা বুঝিস না, জিনিসটা কোথায় রেখেছিস?”&lt;br /&gt;“কি জিনিস, আমার জিগান ক্যান?”&lt;br /&gt;“তোকে জিজ্ঞেস না করে কি তোর বাপকে করবো? ডেস্ট্রকোয়াকটা কোথায়?”&lt;br /&gt;“হেইডা আবার কি?”&lt;br /&gt;ভেংচি কেটে বলল আরেকজন, “এ্যাঁ-হ! হেইডা আবার কি? বল ব্যাটা চামচিকে, চালাকি করছিস? কোথায় লুকিয়েছিস ওটা? বল!” &lt;br /&gt;ভয়ে কান্না পেল আমিনের। তবে সেও দুর্বল নয়। আশপাশের তিন গ্রামের বড় বড় লোক তার সামনে ওস্তাদি করতে এসে ধরা খেয়েছে। অবশ্য এ লোকগুলো সে রকম নয়। কিন্তু সে তো সত্যিই জানে না। স্টিমার না কি বলল ওরা, সে সত্যিই জানে না ওটা কি বা কোথায় আছে?&lt;br /&gt;“বল্ ব্যাটা! ও বুঝেছি, সোজা আঙ্গুলে ঘি উঠবে না।”&lt;br /&gt;“আ-আমি হাচা কইতাছি, আমি জানিনা ওইটা কি?”&lt;br /&gt;“ফের মিছে কথা, সত্যি করে বল। নয়তো মেরেই ফেলব।” আমিনের কলার চেপে ধরল তৃতীয় ব্যক্তি। প্রচন্ড চাপে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসতে চাইছে। হাসফাস করতে থাকায় ঢিল দিল লোকটি। তার দিকে তাকিয়ে আর কথা খুঁজে পেল না সে, মাথা নিচু করে রইল। ভয় আর উত্তেজনায় ধক্ ধক্ করছে বুকটা । &lt;br /&gt;“বর্মন!” নেতা মত লোকটা কথা বলে উঠলো।&lt;br /&gt;“ইয়েস্ ড. অমর!”&lt;br /&gt;“সেরামটা রেডি কর। ওটা পুশ করলেই ব্যাটা সব গড় গড় করে বলে দেবে। আর অমল, লাই ডিটেক্টর ট্রলীটা নিয়ে এস। হুকুম করল ড. অমর।&lt;br /&gt;কিছুনের মধ্যেই বর্মনের হাতে একটা ইঞ্জেকশন দেখা গেল। ওর পেছনে অমল একটা ট্রলি ঠেলে নিয়ে আসল। ড. অমর এবার নির্দেশ দিল, “চেপে ধর ছোড়াকে।” আমিনের হাত-পা চেপে ধরল ওরা। অনেক মোড়ামুড়ি করেও ছুটতে না পেরে হাল ছেড়ে দিল সে।&lt;br /&gt;ড. অমর তার হাতের ইঞ্জেকশনটা পুশ করে দিল আমিনের হাতে। কিছুণের মধ্যে নিস্তেজ হয়ে আসতে লাগল ওর স্নায়ু। চোখ দুটো ছোট হয়ে গেল, চিন্তাশক্তি লোপ পেল আমিনের। অমল লাই ডিটেক্টরের সাথে জোড়া দেয়া সেন্সরযুক্ত তারগুলো এক এক করে আমিনের দেহে স্থাপন করল। একটু পরে শুরু হলো জিজ্ঞাসাবাদ। বোধহীন আমিন গড় গড় করে বলে দিল সত্য কথাগুলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চার.&lt;br /&gt;বোধ ফিরে আসছে আমিনের। শরীরটা অবশ। পাশেই কথা বলছে ড. অমর আর তার সাথী। চোখ বন্ধ করে কান খাড়া করল আমিন। &lt;br /&gt;“কিছুই তো জানা গেলো না, স্যার।” বর্মনের কণ্ঠ শুনতে পেল। &lt;br /&gt;“তাই তো দেখছি। কিন্তু সব সূত্রই তো ওকে নির্দেশ করছে।” বলল ড. অমর।&lt;br /&gt;“স্যার, ওটা যার হাতে পড়বে, সে তো সারা পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় নিয়ে নেবে। বর্মন বলল।&lt;br /&gt;‘থাম!’ ড. অমর ধমক দিলো, “গলা ফাটিয়ে ওসব আর বলতে হবে না। ছেলেটা জেগে উঠলে শুনে ফেলতে পারে।” &lt;br /&gt;“কিন্তু স্যার, ছেলেটাকে কি করব?” জিজ্ঞেস করল বর্মন।&lt;br /&gt;“খতম করে দাও।” অমল বলল।&lt;br /&gt;“সাটাপ!” গর্জে উঠল ড. অমর।  ভয়ে জড়সড় হয়ে গেল অন্যরা। &lt;br /&gt;“বোকার মতো কথা বলো না। ওকে খুন কর আর সারা গ্রামে পুলিশ এস আমাদের সব প্ল্যান বানচাল করে দিক, তাই না। যত্তসব মুর্খের দল।” &lt;br /&gt;একটু পরে ঠান্ডা হয়ে বলল, “আপাতত ছেলেটাকে বাড়িতে ছেড়ে আস আর নজর রাখ। আমি নিশ্চিত জিনিসটা ওর কাছেই আছে, ও-ই পারবে ওটার খোঁজ দিতে। যাও, অচেতন থাকতে থাকতেই ওকে রেখে আস।”&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাঁচ.&lt;br /&gt;লোকগুলো আমিনকে গাড়িতে করে বড় পাকা রাস্তার পাশে শুইয়ে দিয়ে গেছে। ওখান থেকে হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফিরছে আমিন। মাথাটা এখনও ঝিমঝিম করছে। দেরি করে বাড়িতে ফিরলেও কেউ কোন প্রশ্ন করল না, কারণ না বলে আমিন মাঝে মধ্যেই এভাবে বন্ধুদের বাসায় সময় কাটায়। অনেক বারণ করার পরেও কোন কথা শোনেনা সে।&lt;br /&gt;রাতে খাবার খেয়ে বিছানায় শুয়ে চিন্তা করছিল সে। ওরা কি খুঁজছে? আবার বলে ও-ই নাকি জিনিসটা নিয়েছে। সত্যিই কি জিনিসটা তার কাছে আছে? কিন্তু কিভাবে? অনেক ভাবে সে। নাহ! ওদের কাছ থেকে সে তো কোন সন্দেহজনক জিনিস নেয়নি? কেউ তো কিছু দেয়ও নি। নাকি ওর মতো দেখতে অন্য কেউ?&lt;br /&gt;“না, দেয়নি।” মনে মনে বলল আমিন। &lt;br /&gt;হঠাৎ বিদ্যুৎ চমক দিয়ে উঠল মাথায়। “আরে! দিয়েছে তো। এতণ মাথায়-ই আসেনি। সপ্তাহ তিনেক আগেই না রকীব ওকে একটা লোহার তৈরি জিনিস দিল? যেটায় একটা লাল লাইট জ্বলছিল আর নিভছিল। সে নাকি কোত্থেকে ওটাকে হাত সাফাই করেছে। রকীব ওর প্রিয় বন্ধু। বিশ্বাস করে জিনিসটা ওর কাছে রাখতে দিয়েছে, মানা করেছে কাউকে বলতে। আমিন বেশি গুরুত্ব না দিয়ে তার ট্রাঙ্কে রেখে দিয়েছিল ওটাকে।&lt;br /&gt;“ওটাই কি সেটা!” ঝট্ করে উঠে খাটের নিচ থেকে বের করল ট্রাঙ্কটা। ডালাটা খুলেই পেয়ে গেল কাক্সিত জিনিস। ঠোট্ট কিন্তু লম্বাটে ধরনের। সামনের দিক অনেকটা রেলগাড়ির হর্নের মত দেখতে। যন্ত্রটার ঠিক মাঝে একটা ছোট্ট লাল বাতি জ্বলছে আর নিভছে। ওটার পিছন দিকে একটু সুইচের মত কি যেন রয়েছে। সেটার অস্তিত্ব ভালভাবে বুঝা যাচ্ছে না। সুইচটাতে বুড়ো আঙ্গুল রেখে আলতো করে চাপ দিল আমিন।&lt;br /&gt;আচানক চোখ ধাঁধানো আলো বের হয়ে মেঝেতে রাখা ট্রাঙ্কটাকে আঘাত করল। চোখ ঝলসানো সেই আলো সইতে না পেরে বন্ধ করে ফেলল আমিন দুটো চোখ। চোখ যখন খুলল, মনে হল যেন স্বপ্ন দেখছে। লোহার ট্রাঙ্কটা পোড়া কাগজের মত হয়ে গেছে সেই আলোর প্রভাবে। জানালা দিয়ে আসা বাতাসে উড়ে একটু একটু করে ছড়িয়ে পড়ছে সারা ঘরময়।&lt;br /&gt;দেহের সমস্ত লোম খাঁড়া হয়ে গেল। যন্ত্রটার ভয়ঙ্কর মতার কথা চিন্তা করে শিউরে উঠল আমিনের মত গ্রাম্য কিশোরও। এটা যদি কারও গায়ে লাগে বা কোন বাড়ী কিংবা গাড়ীর দিকে তাক করে মারা হয়, তবে কি সেটার অবস্থাও হবে ঐ ট্রাঙ্কের মত? ট্রাঙ্কের ভেতরে রাখা মাটির ব্যাংক ও কাপড়গুলোর যেহেতু একই দশা হয়েছে, তাহলে ধরে নেয়া যায়; যেকোন জিনিসের ওপর এটা একই রকম কাজ করে। এজন্যই ওরা বলছিল, ওটা যার হাতে পড়বে, সে সারা পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় নিয়ে নেবে? এরকম একটা ভয়ঙ্কর অস্ত্র ড. অমরের মত লোকের হাতে গেলে ফলাফল কি হবে, তা ভেবে রীতিমতো ঘামতে থাকে আমিন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছয়.&lt;br /&gt;পরদিন সকালে স্কুলের পেছনের পোড়ো বাড়ীটার পাশে যে ইটের ¯তূপ আছে ওটার ওপর বসে বসে হাফাচ্ছিল আমিন। ঘর থেকে বের হতেই অমল তার পিছু নিয়েছিল। সে লুকিয়ে অনুসরণ করছিল ঠিকই, কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই আমিনের চোখে ধরা পড়ে যায়। আমিন দৌড়ে এঁকেবেঁকে অনেক বাড়ির মধ্য দিয়ে অমলকে ফাঁকি দিয়ে এখানে  এসে পালিয়েছে। ভয়ে গ্রামের কেউ সাধারণত এখানটায় আসে না। তবে আমিনের কথা আলাদা।&lt;br /&gt;হঠাৎ মানুষের কথার আভাস পেয়ে বড় আম গাছটার পেছনে লুকালো সে। পোড়ো বাড়ীটার ভেতর থেকে বের হয়ে আসল ড. অমর আর তার সঙ্গী। &lt;br /&gt;ও! তাহলে এখানেই ঘাঁটি গেড়েছে অমর আর তার দলবল; আমিন ভাবল। হঠাৎ ড. অমরের কথা শুনতে পেল সে।&lt;br /&gt;“এত বাজে কাজে নষ্ট করার মত আমার অত সময় নেই, যা করার দ্রুত কর, জন।” &lt;br /&gt;“স্যার, এর চেয়ে দ্রুত কিভাবে করব?”&lt;br /&gt;“তাই বলে একটা পুঁচকে ছোড়ার কাছে হেরে যাবে?”&lt;br /&gt;“ছোড়া তো নয় স্যার, যেন সাাত বদমাশ। গ্রামের সব মানুষ ওর জ্বালায় অতিষ্ঠ।”&lt;br /&gt;“বাজে কথা রাখো, যন্ত্রটার চেয়েও দরকারী ওটার গোপন চেম্বারে রাখা মাইক্রোডিস্ক। ঐ ডিস্কটাতেই আছে ওটা তৈরির ব্লু প্রিন্ট।”&lt;br /&gt;“স্যার, চিন্তা করবেন না। গেয়ো ্যাতটা ওটা কি তা বুঝবেই না।” আশ্বস্ত করল জন। &lt;br /&gt;“আরে ওটাই তো হয়েছে বিপদ। না বুঝে ওই লিড- টাতে চাপ দিলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওটা ধ্বংস হয়ে যাবে, আর শেষ হয়ে যাবে আমার সারা জীবনের সাধনা।”&lt;br /&gt;“স্যার, আরো লোক ডেকে পাঠান দেশ থেকে, পুরো এলাকায় চিরুনী চালিয়ে দেব।” &lt;br /&gt;“হ্যাঁ। বড় তো বুদ্ধির ঢেকি! তাই করি আর লোক জানাজানি হোক। শেষে যা করছ তা-ও হবে না। কোন পাপে যে প্লেনটায় যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিয়েছিল, জানি না। তাহলে এ এলাকায় জরুরি ল্যান্ডিং ও করতে হতো না। আর গেঁয়ো ছোকরাগুলো প্লেনে ঢুকে ওটা চুরিও করতে পারত না।” আেেপর সুর ড. অমরের কণ্ঠে।&lt;br /&gt;হঠাৎ হন্তদন্ত হয়ে অমল আবির্ভূত হল, রীতি মতো হাফাচ্ছে সে। &lt;br /&gt;‘স্যার! ভয়ানক সংবাদ আছে। শিগগীরই ভেতরে চলুন।” বলতে বলতে পুনরায় পোড়ো বাড়ীটার ভেতরে ঢুকে গেল তারা। আর ফাঁক পেয়ে আমিনও ছুট লাগালো বাড়ির দিকে।&lt;br /&gt;হাফাচ্ছে অমল, ঠিকভাবে কথাও বলতে পারছেনা। সামনে বসা ড. অমর, পাশে জন আর বর্মন।&lt;br /&gt;“স্যার, গ্রামের এক লোকের মুখে শুনলাম, সে নাকি ঔ পাজি ছোড়াটা কি যেন নাম, মনে পড়েছে আমিন, ওদের একটি বাড়ির ঘরে কাল রাতে প্রচন্ড আলো দেখেছে।” উত্তেজিত ড. অমর ওঠে দাঁড়াল।&lt;br /&gt;“সর্বনাশ! যন্ত্রটা ও চালাতে শিখেছে!” প্রায় চিৎকার করে উঠল ডঃ অমর। ঝট্ করে অমলের কলার চেপে ধরল ড. অমর, “যা করার আজ রাতেই করতে হবে, অমল। দরকার হলে পাজী ছোড়াটাকে খতম করে দেব, তবুও ডেস্ট্রকোয়াক হাতছাড়া করা যাবে না। যাও, প্রস্তুত হও। যা হবার আজ রাতেই হবে।” দৃঢ় কণ্ঠে বলল ড. অমর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাত.&lt;br /&gt;রাত প্রায় নয়টা, গ্রামে সন্ধ্যার পর পরই সব শান্ত হয়ে যায়। আমিন শুয়ে পড়েছে। যন্ত্রটা বালিশের পাশে রাখা ঘুম আসছে না। হঠাৎ ইঞ্জিনের মৃদু আওয়াজ কানে আসতেই লাফিয়ে উঠে জানালা দিয়ে বাইরে তাকালো সে। তার আশঙ্কা সত্য প্রমাণিত হল। তাকে অপহরণের পর যে গাড়িটা পৌঁছে দিয়েছিল, সেটাই হেডলাইট নিভিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে তাদের বাড়ির দিকে।&lt;br /&gt;যন্ত্রটাকে দ্রুত বুকে চেপে ধরে হ্যাচকা টানে দরজার খিল খুলে বাইরে বেরিয়ে এল আমিন। রুদ্ধশ্বাসে দৌড় লাগালো বাড়ির পেছনের দিকে। আচমকা জ্বলে উঠল হেডলাইট। তীব্র আলোর বন্যায় ভেসে গেল আমিনের সারা দেহ। গাড়িতে বসা আরোহীরা দেখতে পেল আমিন দৌড়াচ্ছে, বুকে কি যেন চেপে ধরা। গাড়িতে বসা ড. অমর বুঝে ফেলল আমিনের মতলব। পাখি পালাবার ধান্ধা করছে। &lt;br /&gt;‘গতি বাড়াও! কিছুতেই পালাতে দেবনা শয়তান ছোকরাকে।” চালককে নির্দেশ দিল বরাবর চালানোর জন্য। হুকুম পেয়ে বেপরোয়া মটরযানটা অনুসরণ করল পলায়নপর আমিনকে। আমিনের সাধের মাচা করা কবুতরের ঘর, বাঁশের বেড়া ভেঙ্গে তীব্র বেগে এগিয়ে আসছে যন্ত্র দানব। ল্য পরিস্কার!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আট.&lt;br /&gt;আমিনদের বাড়ির পেছনে সাহেবের দিঘি। জনশ্র“তি আছে, দিঘির নাকি তল খুঁজে পাওয়া যায়নি। সাহেবের দিঘি আর ওদের বাড়ির মাঝখানটুকু জুড়ে বিশাল ধানতে। হলুদ হয়ে এসেছে ছড়াগুলো, কদিন পরেই কাটা হবে। ধানেেতর ভিতর দিয়ে ছুটছে আমিন। খালি পায়ে কাঁটার খোচা লেগে রক্ত ঝরছে। বাতাসের জন্য হাঁসফাঁস করছে ফুসফুস। পেছনে ধেয়ে আসছে ভয়ানক আতঙ্ক। কিন্তু আমিনও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, এ জিনিস কিছুতেই সে দেবে না। লাফ দিয়ে েেতর আইল পার হবার সময় হঠাৎ পা কিছুতে লাগায় পড়ে গেল সে। উঠতে চেষ্টা করল। পারল না। মচকে গেছে ডান পা-টা। তীব্র ব্যাথায় ককিয়ে উঠল সে। মাথা ঘুরিয়ে পেছনে তাকাল আমিন। হাত চল্লিশেক দূর থেকে তীব্র বেগে ছুটে আসছে গাড়িটা।&lt;br /&gt;কোন মতে মাটিয়ে হাত ঠেকিয়ে অনেক কষ্টে সোজা হয়ে দাঁড়াল আমিন। স্কুল আর গ্রামে ‘ব্ল্যাক আমিন’ নামে পরিচিত কিশোরটি পুরোনো খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে। নতুন এক আমিনের জন্ম হয় যেন। এ জিনিস কিছুতেই ওদের মতো খারাপ লোকের হাতে ছেড়ে দেয়া যাবে না, তাতে জীবন যাবে যাক্। বাঁচাতে হবে নিজের দেশকে, বাঁচাতে হবে এ পৃথিবীকে। চরম সিদ্ধান্ত নিতে আর বিন্দুমাত্র দেরি হয় না আমিনের। অস্ত্রটা তাক করে বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে স্পর্শ করল কালো বোতামটা। গাড়িটা খুব কাছে চলে এসেছে। জানালা দিয়ে মুখ বের করে আছে ড. অমর, চোখ বড় হয়ে গেছে তার হাত নেড়ে কি যেন বোঝাতে চাইছে সে। সে বুঝে গেছে কি করতে চাইছে আমিন। হঠাৎ ডান হাতে চকচকে কিছু বের করে আনল সে। সেদিক তাকিয়ে বিন্দুমাত্র দেরী না করে সজোরে টিপে দেয় বোতামটা। যা হবার তাই-ই হল। নিজের হাতে গড়া ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের ভেতর থেকে বের হল তীব্র আলো, আঘাত করল গাড়িটাকে। মুহুর্তের মধ্যে আমিনের ট্রাঙ্কের দশা হল ওটার। পোড়া কাগজের মত হয়ে গেল গাড়ি আর তার আরোহীরা। কিছুণ পরে ঝুর ঝুর করে ভেঙ্গে পড়ল, ছড়িয়ে পড়ল ধান েেতর বুক জুড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নয়.&lt;br /&gt;আহত আমিন উঠে দাঁড়িয়েছে। দিঘির দিকে ল্য করে খুঁড়িয়ে হাঁটতে লাগল। প্রচন্ড কষ্ট হচ্ছে তার। হাতে শক্ত করে চেপে ধরা ডেস্ট্রকোয়াক। দিঘির পাড়ে পৌঁছে দুহাতে ধরে গভীর মনোযোগে ল্য করল জিনিসটাকে। কি শান্ত, ঠান্ডা অথচ চরিত্রে কত ভয়ানক। গতকাল মন্দিরের পাশে লুকিয়ে শোনা কথাগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠল তার।&lt;br /&gt;কম্পনরত হাতের তর্জনী স্পর্শ করল লিডটাকে, জ্বলছে নিভছে। ওটাতে চাপ দিলেই পৃথিবী থেকে মুছে যাবে একটা শব্দ “ডেস্ট্রকোয়াক”। চোখ বন্ধ করে চাপ দিল ওটায়। নাহ, কোন আলো বের হলো না, বিস্ফোরণ ঘটল না। ক্যামেরার সাটার টানার মত মৃদ্যু শব্দ হল, ধ্বংস হয়ে গেছে ব্লুপ্রিন্ট। ডান হাতে ধরে সর্ব শক্তি দিয়ে ছুড়ে ফেলে দিল ওটাকে দিঘির পানিতে। বুক থেকে যেন নেমে গেল বিরাট এক ভারী পাথর।&lt;br /&gt;ঘুরে দাঁড়াল আমিন। কান্তিতে ভেঙ্গে আসছে সারা শরীর। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলতে শুরু করল সে। মাথা তুলে তাকালো আকাশের দিকে, অমাবস্যার পরে নতুন এক ফালি চাঁদ উঁকি মারছে আকাশে, সেদিকে তাকিয়ে চোখদুটো চকচক্ করে উঠল তার। অতীতের সব বাজে কাজ ছেড়ে নতুন জীবনে প্রবেশের শপথ যেন দুটি চোখে। নতুন চাঁদের মত তার জীবনে নতুন শুভ্রতা এসে ভর করছে। দূরে বড় বড় দুটো তারা নিভে আবার জ্বলে উঠে যেন তার সিদ্ধান্তে সায় দিল- “ঠিক, ঠিকই।”&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-1467781371763718831?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/1467781371763718831/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/08/blog-post_21.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1467781371763718831'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1467781371763718831'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/08/blog-post_21.html' title='সায়েন্স ফিকশন: আচানক ভয়ঙ্কর'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/SpVbD5a_BKI/AAAAAAAAAH4/9LC5j6DaK-0/s72-c/w_wave.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-2533095119745227830</id><published>2009-08-18T03:36:00.000-07:00</published><updated>2009-08-18T03:37:41.311-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Poetry(ছড়া-কবিতা)'/><title type='text'>কবিতা: হতে যেন পারি মালেকের মতো</title><content type='html'>বগুড়ার ধুনটে,&lt;br /&gt;উঠেছিল এক চাঁদ- ফুটফুটে,&lt;br /&gt;চারিপাশ আলো করে।&lt;br /&gt;মেতেছিল স্বপ্নে, ছড়াবে আলো,&lt;br /&gt;অজ্ঞতা আর আঁধারে।&lt;br /&gt;কিন্তু পূর্ণিমা আসার আগেই,&lt;br /&gt;পূর্ণগ্রাস হয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার প্রেরণায় শহীদ মালেক&lt;br /&gt;আমার চেতনায় শহীদ মালেক।&lt;br /&gt;নিজের উপমা নিজে শহীদ মালেক&lt;br /&gt;আজও অমলিন শহীদ মালেক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শহীদ মালেক যে পথে ছিল, &lt;br /&gt;সে পথে আমি যেন অটল থাকি&lt;br /&gt;আমৃত্যু রাসুলের মতে ছিল, &lt;br /&gt;সে মতে আমি যেন সবায় ডাকি।&lt;br /&gt;শহীদ মালেকের আন্দোলনে, &lt;br /&gt;হই যেন নিবেদিত প্রান। &lt;br /&gt;শহীদ মালেকের সংগঠণে&lt;br /&gt;যেন ঢেলে দেই জিন্দেগাণ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শহীদ মালেকের লক্ষ্য যেন&lt;br /&gt;করতে পারি বাস্তবায়ন,&lt;br /&gt;মালেকের ত্যাগ-যোগ্যতা দাও&lt;br /&gt;যতটুকু প্রয়োজন।&lt;br /&gt;শহীদ মালেকের মতো কাজ করে&lt;br /&gt;হতে যেন পারি সেরা উপমা।&lt;br /&gt;শহীদ মালেকের মতোই যেন &lt;br /&gt;হতে পারি তোমার প্রিয়তমা।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-2533095119745227830?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/2533095119745227830/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/08/blog-post_7448.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/2533095119745227830'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/2533095119745227830'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/08/blog-post_7448.html' title='কবিতা: হতে যেন পারি মালেকের মতো'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-3517553735995439335</id><published>2009-08-18T03:21:00.000-07:00</published><updated>2009-08-18T03:32:01.137-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Column(কলাম)'/><title type='text'>কলাম: সত্যিই কি শান্তি পাচ্ছেন জাতীয় নেতাদের বিদেহী আত্মা?</title><content type='html'>আমাদের দেশের প্রধান দুই দলের দুজন জাতীয় নেতার মৃত্যুবার্ষিকী প্রতিবছর পালিত হয় খুব ঘটা করে। বিশেষ করে যার দল যখন ক্ষমতায় থাকে, তখন মৃত্যুবার্ষিকী পালনের ঘটা আর আয়োজন দেখে বোঝাই যায়, কোন দল ক্ষমতায় আছে। কার কি অবদান, কে বড়-আর কে ছোট, এ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনার কোন আগ্রহই আমার নেই। এ দুনেতার উভয়েরই মাঝে কয়েকটি মিল আছে। দুজনের কারও মৃত্যু স্বাভাবিক ভাবে হয়নি, সেময়ে দুজনেই ছিলেন সবোচ্চ ক্ষমতায় আর তাদের হত্যাকারীরা ছিল এদেশেরই নাগরিক। তাদের মর্মান্তিক মৃত্যুর পরও নিজেদের প্রতিষ্ঠিত দল আজ শাখা প্রশাখা বিস্তার করে পরিণত হয়েছে বিশাল মহীরুহে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছে। এটাই তাদের জীবনের সবচাইতে বড় সার্থকতা।&lt;br /&gt;মৃত্যুর পরে একজন মৃত ব্যক্তির সওয়াব বা পূন্য ছাড়া আর কিছুর চাহিদা থাকেনা। আর সেটি পাঠানোর দায়িত্ব তার রেখে যাওয়া উত্তরসূরীদের। বিভিন্নভাবে তারা চেষ্টা করে তাদের প্রিয় ব্যক্তিটির বিদেহী আত্মার উদ্দেশ্যে পূন্য প্রেরণের। কিন্তু মাঝে মাঝে আক্ষেপ করি, হতাশায় পড়ে যাই, যখন দেখি তাদের আত্মার শান্তি কামনায় উত্তরসূরীদের কর্মকান্ড দেখে , ভাবি সত্যিই কি তারা শান্তিতে আছেন?&lt;br /&gt;আগের টার্মে দেখেছি তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন আর আজ পনেরই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস পালিত হচ্ছে। প্রতিবছরই মৃত্যুবার্ষিকী পালনে কিছু কমন কালচার দাড়িয়েছে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে শামিয়ানা টাঙ্গিয়ে, প্যান্ডেল বিছিয়ে কাঙ্গালী ভোজ। গরীবদের মাঝে খাবার বিতরণ করে সওয়াবের আশায়। অথচ একটু যদি পেছনে তাকাই, তাহলে দেখব দৃশ্যটি অন্যরকম। যে মহল্লায় কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন করা হয়েছে, সেখানে এমন কোন দোকান কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠাণ নেই। যেখানে কাঙ্গালী ভোজের নামে উপর্যুপরি চাঁদা নেওয়া হয়নি। আমার কথা বিশ্বাসের প্রয়োজন নেই, আপনি নিজেই পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। কেউ নিজে থেকে দেবে, তা নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই। কিন্তু আমাদের বাসায় যখন একশত টাকা দেবার পর ছুড়ে ফেলে যখন কর্কশ কন্ঠে পাঁচশত টাকা চেয়ে বসে, তখন ভাবি মানুষকে কষ্ট দিলে মৃত ব্যক্তির আত্মা কিভাবে শান্তি পাবে? চার পাঁচদিন আগে আমার হাসপাতালের স্বল্প বেতনের নার্স আর ওয়ার্ডবয়গুলো যেভাবে কবরে শায়িত ব্যক্তিটির বিরুদ্ধে এমনভাবে বলছিল, খারাপই লাগলো। অথচ তার কোন দোষ নেই। কিন্তু উত্তরসূরীরা সেটি বোঝেনি যে এই স্বল্প আয়ের মানুষগুলো স্বেচ্ছায় পঞ্চাশ টাকা দিতে চেয়েছিল, তারা যদি সেটাই গ্রহণ করতো, তাহলে তো ওই মানুষ গুলোই সানন্দে প্রানখুলে দোয়া কামনা করত আর হাসতে হাসতে যেত দোয়ার অনুষ্ঠানে। আমি জানিনা কোথায় ভুল হয়ে যাচ্ছে কিনা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাল রাত বারটার পর থেকে বাসার দুপাশে দুটো মাইক লাগিয়ে সারাটি রাত চলেছে স্বাধীনতার গান আর ভাষণ। কিন্তু নিদ্রাহীন থেকে কোন গাণটি মনোযোগ দিয়ে শুনেছি এখন ঠিক মনে করতে পারছিনা? জানিনা পাশের রুমে আমার সদ্য হৃদরোগ আক্রান্ত পিতার ঘুম হয়েছে কিনা, যে একটু শব্দেই জেগে উঠে তুলকালাম ঘটিয়ে দেয়। জানিনা রাত বারটায় ঘুমিয়ে খুব ভোরে যে জননী সন্তানের খাবার তৈরী করতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েন, তিনি ঘুমিয়েছেন কিনা? আমি জানিনা কতগুলো মানুষকে নির্ঘুম রেখে তারা নিজের নেতার আত্মাকে শান্তি দিতে চেয়েছে?&lt;br /&gt;রাস্তার মোড়ে মোড়ে বিশাল বিশাল গেট আর রং বেরঙের ব্যানার দেখে চিন্তা করি এসবের খরচ কি ঐ ব্যক্তি নিজেই করছে তো নাকি কারও দীর্ঘশ্বাস জড়িয়ে আছে তার পরতে পরতে? ব্যানারে ভাষাও যেন অতিশায়ক্তিতে ভরপুর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তুমি জন্ম দিয়েছ এ স্বদেশ, যেমন আমায় দিয়েছে মা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তুমি বিশ্বাস, তুমি নিশ্বাস, তুমি রক্তের প্রতিটি বিন্দুকণায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তুমি চিরঞ্জীব, তুমি অমর, তোমা ছাড়া আমার অস্তিত্ব কল্পনাহীন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবার লেখার চাইতে ব্যক্তির নামটি আরও বড়। যেন নাম প্রচারই মূল উদ্দেশ্য, স্মরণ নয়। সত্যিই কি সবগুলো মনের কথা? তাহলে যে লোকটি গতবার এক নেতাকে নিয়ে স্তুতি ব্যানার লিখে মহল্লার দুটো লাইটপোষ্ট ঢেকে দিয়েছিল, পট পরিবর্তনে তারও শ্লোগান বদলে গেল অবলীলায়। এই প্রতারকের কুম্ভিরাশ্রু বিসর্জনে আর স্মরণ করায় কিইবা আসে যায়? আত্মারা সব কিছুই বুঝতে পারে কিন্তু জীবিত মানুষগুলোই প্রতিনিয়ত প্রতারিত হয়, প্রতারণা করে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যখন দল সরকারে থাকেনা, তখন তো এত ব্যানারে ছড়াছড়ি থাকেনা। দুই পয়সার ব্যবসায়ী আর ঠিকাদাররা কোথায় থাকে সব? সব দরদ ভালোবাসা উথলে ওঠে হৃদয় জুড়ে, একী সিজনাল ভালোবাসা? ভালোবাসা সত্য হয়ে থাকলে পাঁচবছর তোমার টিকিটিও কেন দেখা যায়না? তোমার স্বার্থে ব্যাঘাত হবে বলে নাকি এখন সেই স্বার্থ হাসিলের মোক্ষম সুযোগ মনে করে তুমি দাও মারতে এসেছ আজ? হতে পারে এটিও ব্যবসার জন্য একটি বিনিয়োগ অথবা প্রচারণা ব্যয়? তাই নয় কি?&lt;br /&gt;আজ যারা নেতা বলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন, ব্যানারে ব্যানারে রাস্তা অলঙ্কৃত করেন, স্তুতি বাক্যে নিজের অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলেন, কই দেখিনা তো নিজের নেতার নামে একটি বৃদ্ধাশ্রম করতে কিংবা একটি একটি এতীমখানা করে দিতে? কিছু মেধাবীকে বৃত্তি দিতে কিংবা গ্রামের একটি স্কুল ঘর কিংবা একটি রাস্তা নিজ খরচে রিপেয়ার করে দিতে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নাহ নতুন কোন বুদ্ধি দিতে চাইনা। এতে আবার নতুন কোন মানুষ আবার নতুন করে পর্দার আড়ালে বিপদাপন্ন হয় কিনা? কবরে শায়িত থাকা নিতান্ত অসহায় আত্মাটি আবার নতুন করে ডুকরে কেঁদে ওঠে, ওরে তোরা একটু থাম, তোদের হাত দিয়ে ভালো কিছুর প্রয়োজন নেই। মসজিদে বসে শুধু আমার জন্য নামাজ পড়ে দোয়া পড়, কোরানখানি কর, তাহলেই আমার আত্মা শান্তি পাবে। তোদের ভালো কাজে আমি সত্যিই শান্তিতে নেই।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-3517553735995439335?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/3517553735995439335/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/08/blog-post_18.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/3517553735995439335'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/3517553735995439335'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/08/blog-post_18.html' title='কলাম: সত্যিই কি শান্তি পাচ্ছেন জাতীয় নেতাদের বিদেহী আত্মা?'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-6930779757695209409</id><published>2009-08-02T23:14:00.000-07:00</published><updated>2009-08-02T23:15:05.166-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অনুরোধ'/><title type='text'>অনুরোধঃ</title><content type='html'>&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-6930779757695209409?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/6930779757695209409/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/08/blog-post.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/6930779757695209409'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/6930779757695209409'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/08/blog-post.html' title='অনুরোধঃ'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-4379575756804503267</id><published>2009-07-30T08:10:00.001-07:00</published><updated>2009-08-02T22:46:28.987-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (সমাপ্তি পর্ব):ব্যক্তি স্বয়ংক্রিয় ইউনিট না হলে ইসলামী শক্তির বিজয়ের স্বপ্ন সুদূর পরাহত</title><content type='html'>ফিলিস্তিনে গিয়ে বিজয়ী ইসলামী শক্তি সম্বন্ধে এক সাধারণ তরুণীর মুখে যে সাক্ষ্য আমেরিকান সাংবাদিক কিম মারফি শুনেছিলেন, তা পুনরায় আলোচনায় আনতেই হচ্ছে। তরুনীটি হামাস সম্পর্কে বলেছিল, “তারা অতিরিক্ত যা দিচ্ছে, সেটাই হলো অন্যদের সাথে তাদের মূল পার্থক্য। আর তা হল একটি নিরাপদ ইসলামী পরিবেশ, যেখানে আপনি একজন ডাক্তার পাবেন, যে শুধু দক্ষ ডাক্তারই নয়, বরং একজন ভালো মুসলিম।” আবেগাপ্লুত হয়ে সে কিমকে বলেছিল, “আপনার মনে হবে স্বয়ং আল্লাহর হাতেই আপনি দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন।” ইসলামের বাস্তব রূপ এ যুগেও মানুষের আবেগ-অনুভুতিকে এতটা আলোড়িত করতে পারে, তা একথাটি কিম মারফির লেখায় না পড়লে বিশ্বাসযোগ্য হতনা। তরুণীটি কোন ব্যক্তিমাত্র নয়, তার সমাজেরই মুখপাত্র অপরদিকে চিকিৎসক পুরো আন্দোলনেরই প্রতিনিধিত্ব করছেন। যে কোন বিপর্যয়ের পর ঢালাওভাবে সামগ্রিক নেতৃত্বকে অদক্ষ আর দলীয় কর্মনীতিকে গাইড করার পরিবর্তে সঠিক ছিলনা বলেই দায়িত্ব পালন সম্পন্ন করলেও বাংলাদেশে একটি ইসলামী সমাজ বিনির্মানে আকাঙ্খী সকল মানুষের আজ আত্মোপলদ্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। এদেশে ইসলামের ধারক ও বাহক দাবিদার দলীয় নেতৃত্ব, ডাক্তার, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, আইনজীবি কিংবা যে কোন পেশার মানুষের সংস্পর্শে এলে অথবা তাদের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা, শিক্ষা কিংবা সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে এসে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ একই রকম অনুভূতি নিয়ে ফিরে যায় কি? ইসলামী আন্দোলনের নেতা বা কর্মী কর্মস্থল, আত্মীয়- পরিবার কিংবা নিজেদের ক্ষুদ্র অঙ্গনে নিজেরাই স্বীকৃতি না পেলে সমগ্র জাতির কাছে স্বীকৃতি আশা করাটা কতটুকু যৌক্তিক? যেখানেই বিজয়ের নজীর, সেখানেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান একটি প্রতিনিধিত্বশীল ইউনিট হিসাবে কাজ করেছে। বিজয়ের স্বপ্ন দেখা সত্যিই আনন্দদায়ক কিন্তু সেজন্য ছোট্ট একটি কথা ভুলে গেলে চলবেনা যে ‘আগে স্বীকৃতি, পরে সমর্থন’। হয়ত সকলে সমভাবে এগিয়ে আসবেনা কিন্তু মানুষের সমর্থন কি করে পাওয়া যেতে পারে, যদি তার নৈতিক সমর্থনই না থাকে? সে কারনেই সকল কর্মসূচীর উদ্দেশ্য হোক মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সমাজকল্যান মূলক কাজে অনেক সময় সংগঠন অপো ব্যক্তি নিজেই একক বা সামষ্টিক প্রচেষ্টায় বৃহৎ লক্ষ্য অর্জন করতে পারেন। এজন্য প্রয়োজন সামান্য একটু উদ্যোগী মানসিকতার। &lt;br /&gt;পরিশেষে, ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে “ইসলামী ও জাতীয়তাবাদী শক্তি ভোট যুদ্ধে হেরে গেছে” না বলে বোধহয় “কুটকৌশলের কাছে পরাস্ত হয়েছে” বলাই সমীচীন হবে। এটি যেমন কিছুটা সান্ত্বনাদায়ক, অপরদিকে আগামী দিনের জন্য একটি সংকেতও বটে। 'Failure is the piller of success' বা ব্যর্থতাই সফলতার স্তম্ভ- হলেও স্তম্ভের সংখ্যা বা শক্তি বেশি হলে তা সফলতাকে সুদূর পরাহত করে তুলতে পারে। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের মূল লক্ষ্য যেখানে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, সেখানে শুধুমাত্র পার্লামেন্টে আসন সংখ্যার বিচারে ইসলামী আন্দোলনের সফলতা বা ব্যর্থতা মাপা পুরোপুরি সঠিক নয়। তেমনি একথাও সত্য, যারা বলেন, আমাদের দায়িত্ব শুধূ কাজ করে যাওয়া, সফলতা মুথ্য নয়- তারা রাসুলের আন্দোলনের সাথে মিলিয়ে কথা বলেন না। সুরা সফের বক্তব্যই হচ্ছে যাবতীয় প্রচেষ্টা বিজয়ের জন্য। লক্ষ্যহীণ ভিশন নিয়ে কোন আন্দোলন বেশি আগাতে পারেনা। সেক্যুলার শক্তি ভিশন ২০২১ নামে নিজেদের নামে কিছু বক্তব্য তুলে ধরেছে। কিন্তু এসময়ের মাঝে ইসলামী দলগুলোর ভিশন কি, তা কি জনগণ জানতে পেরেছে? অথবা সেক্যুলারদের কর্মনীতিই কি নিজেদের পূর্ণাঙ্গ ভিশন বলে তারা অজান্তেই স্বীকার করে নিচ্ছেন? যদি তা নাই হয়, তবে জাতির সামনে নিজেদের ভিশন দ্রুত তুলে ধরা দরকার। &lt;br /&gt;চাণক্য নীতির মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি ক্ষমতায় এলেও এদেশের ইসলামপ্রিয় জনগণ মোটেও হতাশ হয়নি। কারণ তাদের বিজয়ের আসল রহস্য অনেকটাই উন্মোচিত। তবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার অংশীদার হবার দৌড়ে কোন ভাবে পিছিয়ে পড়লে সেটা সামগ্রিক আন্দোলনের অগ্রযাত্রাকেই ব্যাহত করতে পারে। একেকটি পরাজয় মানুষকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়, ভুল-ত্র“টি শুধরে মানুষকে আরও চৌকস করে তোলে, প্রেরণা দেয় আত্মশুদ্ধির, খুলে দেয় চিন্তা ও কৌশলের নতুন দিগন্ত। &lt;br /&gt;একটি পরাজয় মানে কাঙ্খিত বিজয় পানে ছুটে চলা। ১৯৯১ এর পরে ১৯৯৬, আবার ৯৬ এর পরে ২০০১, তাহলে ২০০৮ এর পরে কি ২০১৪ কিংবা ২০১৯ এ নতুন হাতছানি? শুধু নির্বাচনে বিজয় লাভই ইসলামী শক্তির জন্য মূল টার্গেট নয়, কল্যান রাস্ট্রের জন্য দেশকে অগ্রসর করতে নির্বাচনে বিজয় যথেষ্ট নাও হতে পারে। &lt;span style="font-weight:bold;"&gt;সুতরাং সামগ্রিক কর্মকান্ডের লক্ষ্য হওয়া উচিত, পূর্ণ সমর্থন না হোক অন্তত দেশের মানুষের সহানুভূতি অর্জন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;বিশ্বজুড়ে আগামীর অবশ্যম্ভাবী সম্ভাবনাকে সামনে রেখে বিশ্বের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী ইসলামী শক্তি নতুন কনসেপ্ট আর নবীনের প্রত্যয় ও প্রবীনের অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে নিত্য নতুন পলিসি প্রণয়নে উদ্যোগী হচ্ছে। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে অন্যেরা যখন রকেটের বেগে ধাবিত হচ্ছে, সেখানে ঠেলা গাড়ির গতিবেগ থেকে মোটর গাড়ির গতিবেগ অর্জনে আত্মতুষ্টি বা আত্মপ্রসাদ লাভের কোন সুযোগ নেই। প্রয়োজনে বিশ্বের অন্যান্য দেশের উদাহরণ সামনে রেখে বাংলাদেশের আদলে আগামী দিনের কৌশল প্রণয়ন করা প্রয়োজন; আর প্রয়োজন যুগোপযোগী পরিবর্তন ও কিছু বিষয়ে সাহসী সিদ্ধান্তের। চির দুঃখিনী, অপার সম্ভাবনাময় এদেশটির পরিবর্তনের আকাঙ্খায় বিভোর ইসলামপ্রিয় শান্তিকামী মানুষ স্বপ্নাতুর নয়নে তাকিয়ে আছে তারই প্রতীক্ষায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সমাপ্ত&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনুরোধঃ বইটি ভালো লেগে থাকলে অন্তত একজন নতুন পাঠকের কাছে পৌঁছে দিন&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-4379575756804503267?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/4379575756804503267/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_9284.html#comment-form' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/4379575756804503267'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/4379575756804503267'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_9284.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (সমাপ্তি পর্ব):ব্যক্তি স্বয়ংক্রিয় ইউনিট না হলে ইসলামী শক্তির বিজয়ের স্বপ্ন সুদূর পরাহত'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-8020763041084006821</id><published>2009-07-30T08:08:00.000-07:00</published><updated>2009-08-02T23:12:03.473-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (১৩শ পর্ব): সম্ভাবনাময় আগামীর জন্য ইসলামী দলের কিছু করনীয়/ পরামর্শ'</title><content type='html'>এটি নিশ্চিত যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন, বহিঃশক্তি আর দেশীয় মিডিয়ার দুই বছরের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আজ ধর্ম নিরপেক্ষ শক্তি দুই-তৃতীয়াংশ আসনে সমাসীন হয়েছে। মূলতঃ এর টেস্ট কেস সম্পন্ন হয় সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে। কিন্তু নানা কারণে বিপর্যস্ত ইসলামী ও জাতীয়তাবাদী শক্তি এটি ধরতে পারেনি। যার ফলশ্র“তিতেই নীলনকশার এমনই বাস্তবায়ন হলো, এখন পর্যন্ত কিভাবে কি হলো, তা প্রমাণসহ সম্পূর্ণ জনগণের কাছে তুলে ধরতে পারেনি তারা। বাস্তবতা হলো, যেভাবেই হোক আওয়ামী লীগ জয় পেয়েছে আর ইসলামী ও জাতীয়তাবাদী শক্তি সে কৌশল ঠেকাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। আগামী দিনেও তারা একই কৌশল প্রয়োগ করেই আবারও যে ক্ষমতায় থাকতে চাইবে, তাতে কোন সন্দেহ নেই। তাই এখন থেকেই পরিকল্পিত ও সমন্বিত কৌশল প্রণয়ন প্রয়োজন। এদেশের ইসলামপন্থী শক্তির সবচাইতে বড় পাওয়া, এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ইসলাম প্রিয় ভোটার। তাই পেছনের রাস্তা দিয়ে যেন কেউ ক্ষমতায় যেতে না পারে, শুধু সে বিষয়টি আগামীতে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সাথে সাথে কয়েকটি বিষয়ে বাংলাদেশের ইসলামী শক্তির নেতৃত্ব ভেবে দেখতে পারেন;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;অস্তিত্বের জন্যই প্রযুক্তি নির্ভরতা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;এবারের নির্বাচনে বলা যায়, একটি সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত ‘মিডিয়া ক্যু’ পুরোপুরি সফল হয়েছে। যার বিপরীতে ইসলামী শক্তি ছিল অনেকটা অসহায়। ব্যর্থতার অনেক ফ্যাক্টর ছিল, সন্দেহ নেই। তাছাড়া ইসলামী শক্তির অর্থনৈতিক সামর্থ্যরে ব্যাপারটিও বাস্তব। তারপরেও সর্বোচ্চ প্রচেষ্টায় আগামী দিনে নতুন প্রজন্মের তিন কোটি ভোটারের কাছে বিপুল পরাক্রমশালী মিডিয়া প্রচারণার বিপরীতে পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে, সংগঠন পদ্ধতি বাস্তবায়নে ক্রমান্বয়ে বাড়াতে হবে প্রযুক্তি  নির্ভরতা। প্রযুক্তি নির্ভর দাওয়াতী মাধ্যম একসাথে অনেক ব্যক্তির কাছে দাওয়াত পৌছাতে পারে। একজন একজনকে নয় বরং একজনে শতজন- এটিই হওয়া উচিত এই যুগে দাওয়াতের পলিসি। তবে মানোন্নয়নের ক্ষেেত্র টার্গেট পদ্ধতির কোন বিকল্প নেই। জেলা ও থানা পর্যায়ে প্রযুক্তির ব্যবহার শুধুমাত্র কম্পোজে সীমাবদ্ধ না রেখে সম্ভাব্য ক্ষেেত্র আগামী দু-তিন বছরের মধ্যে নিজস্ব ইন্টারনেট, ই-মেল ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা দরকার। প্রয়োজনে জেলা,থানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা করা যেতে পারে। সর্বোচ্চ বায়াতকারী বা সদস্যদের জন্য কম্পিউটারের নূন্যতম জ্ঞান থাকা বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের অন্য যে কোন দলের বিপরীতে এ জাতীয় পরিকল্পনা ইসলামী দলগুলোর পক্ষেই বাস্তবায়ন সম্ভব। এ বিষয়ে অভিজ্ঞ ও পারদর্শী, দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে আধুনিক মিডিয়া সেন্টার গঠন ও মিডিয়া মনিটরিং আর ব্লগ,তথ্যমূলক ও কম্যুনিটি সাইটগুলোসহ অনলাইনে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করা জরুরী। ব্যক্তি পর্যায়ে মিডিয়া সেক্টরে এগিয়ে আসার জন্য সমর্থকদের আগ্রহী করে তুলতে হবে। তৃনমূল থেকে অনুভূতি, মতামত ও জানার বিষয় দলীয় প্রধানের নিকট সরাসরি পৌঁছাবার জন্য সাপ্তাহিক সাক্ষাত ও অনলাইনে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। সর্বোচ্চ ফোরামে আলোচনার আগে সাংগঠনিক কোন কোন ব্যাপারে সাধারণ মতামত নেবার জন্য জনশক্তির কাছে ইন্টারনেট বা ডাকযোগে ওপেন মতামত আহবান করা যেতে পারে। মোবাইলের মাধ্যমে ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয় কম্যুনিটি রেডিওকে দাওয়াতী মাধ্যম হিসাবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া দরকার। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;পেশাজীবীদের জন্য প্রয়োজন বিশেষ তত্ত্বাবধান&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;সামগ্রিকভাবে ইসলামী দলগুলোতে পেশাজীবী অঙ্গন বিশেষ করে সাবেক আমলা, সাবেক সেনা-কর্মকর্তাদের জন্য কোন কার্যকরী উদ্যোগ না থাকাসহ আইন, শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রকৌশলী, সাংবাদিকসহ পেশাজীবী সংগঠনগুলোর দৈন্যতা আর শ্রমিক আন্দোলনে অনেক পিছিয়ে থাকাটা খুবই ‘&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;এলার্মিং&lt;/span&gt;’। দুঃখজনক হলেও সত্য, এমন একটি পেশাজীবী অঙ্গন বাংলাদেশে নেই, যেখানে ইসলামপন্থীরা প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম। নীতি নির্ধারণী কমিটিগুলোতে অভিজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ থাকলেও এসব শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব অনুপস্থিত থাকায় অভিজ্ঞতার মিথস্ক্রিয়া হচ্ছেনা। এটি কি আদৌ বাস্তবসম্মত যে, একজন ডাক্তার মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বা আইন বিভাগের জন্য পলিসি তৈরী করবেন অথবা মাদ্রাসা কিংবা ইংরেজির একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক তৈরী করবেন প্রতিরক্ষা, পানি সম্পদ বা অর্থনৈতিক নীতিমালা? সাংগঠনিক রীতিতে এগিয়ে নিতে কেন্দ্র, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিশেষ পরিকল্পনা ও সরাসরি তত্ত্বাবধান না হলে কখনই পেশাজীবিদের ক্ষেেত্র ল্েক্ষ পৌঁছানো সম্ভব নয়। সকল অঙ্কই যেমন একই সূত্র দিয়ে মেলানো বিজ্ঞানসম্মত নয়, তেমনি মানোন্নয়নের ক্ষেেত্রও ব্যক্তি ভেদে দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন। রিক্রুটমেন্টের ক্ষেত্রে পুরাতন কৌশল বদলানো প্রয়োজন। নামকাওয়াস্তে না হয়ে সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা ও টার্গেট দিয়ে কেন্দ্র নিয়ন্ত্রিত ও স্ব-চালিত পেশাজীবী সংগঠন গড়ার সিদ্ধান্তে কালক্ষেপন আত্মঘাতী। শ্রমিক সংগঠনে প্রকৃত প্রতিনিধিদের নেতৃত্ব শ্রমিক আন্দোলনকে আরো এগিয়ে নিতে পারে। পরিকল্পিতভাবে মানোন্নয়ন করে সকল ইসলামী দলের নীতি নির্ধারণী কমিটিগুলোতে প্রয়োজনে কোটা রেখে বিভিন্ন পেশা থেকে নির্বাচিত হয়ে আসা প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;&lt;br /&gt;আগামী দিনের টার্গেট-নতুন প্রজন্ম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;এবারের ১ কোটি ৬০ লক্ষ (৩১%) নতুন ভোটারকে বিশেষভাবে আকর্ষণ করার মতো তেমন কৌশল বা আহ্বান ইসলামী ও জাতীয়তাবাদী শক্তির মেনিফেস্টোতে তেমনটি লক্ষণীয় ছিলনা, যেটির সুযোগ পুরোপুরি আদায় করেছে আওয়ামী লীগ। ‘ইসলামী দলগুলো ধর্ম নির্ভর ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়’- নতুন প্রজন্মের এ ধারণার বিপরীতে ক্যারিয়ার, কর্মসংস্থান, শিল্প, প্রবাসী, তথ্য প্রযুক্তি সেক্টরে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে কি প্রভাব পড়বে, তার কনসেপ্ট ও রোডম্যাপ পরিষ্কার করতে হবে। বিশ্বায়নের এই যুগে মূল্যস্ফীতিতে জর্জরিত পরিবারের সদস্য হিসাবে নতুন প্রজন্ম যখন মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকে ভালো ফল করার পরেও কাঙ্খিত বিষয়ে ভর্তি হতে না পারার ব্যর্থতা, ক্যারিয়ার আর কর্মসংস্থানের প্রয়োজনটাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখে, সেখানে আগামীতে এই সংখ্যার সাথে যুক্ত হয়ে আরো দেড় কোটি নতুন ভোটার ইসলামপন্থী দলগুলোর আধুনিক ও ভবিষ্যতমুখী যে কোন সুন্দর পরিকল্পনাকেই গুরুত্ব দেবে, সন্দেহ নেই। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;প্রয়োজন আরো গণমুখী কর্মসূচি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ইসলামী মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে ইসলামী দলগুলো যতখানি সোচ্চার; সামাজিক অবক্ষয়, মূল্য বৃদ্ধি, গ্যাস-পানি-বিদ্যুতের মতো এলাকা ভিত্তিক ও জাতীয় ইস্যুতে প্রভাব পড়ার মতো ভূমিকা রাখতে ততখানি অগ্রসর হতে পারেনি। জাতীয় উৎসবগুলোকে ইসলামী রূপ দেয়ার পরিবর্তে ইসলাম বিরোধী বলে দূরে থেকে নিজেরাই ঘেরাও-বন্দী হয়ে পড়েছে। ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ বা যে কোন অনৈসলামিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে নীরবতার চেয়ে অন্য দল বা গোষ্ঠি কর্মসূচী নেবার পূর্বেই ও কট্টর বিরোধিতার পলিসি নেয়া দরকার। একইভাবে ইসলামী ছাত্র সংগঠনগুলো অনেক-ক্ষেেত্র এগিয়ে থাকলেও তাদের বিভিন্ন জাতীয় উৎসব, ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট, কিংবা ছাত্র সমস্যা বেতন- ভর্তি ফি বৃদ্ধি, কাগজের মূল্যবৃদ্ধি, আসন সংকট, নকলের বিরুদ্ধে আরো উদ্যোগী ভূমিকা নেয়া প্রয়োজন। জাতীয় উৎসবগুলোকে বিকৃতির হাত থেকে বাঁচাতে সাংস্কৃতিক সংগঠণগুলোকে চার দেয়ালের বাইরে এসে আরো জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি দেয়া প্রয়োজন। ক্যারিয়ার, সামাজিক ইস্যুতে যেমন পচিটিভ উমেজ তেরী করতে হবে, তেমনি শব্বেদারীর মতা অন্তকরণ শুদ্ধিকারী কর্মসূচীকে শুধূ কৌশলের নামে বন্ধ করাটা আত্মঘাতী হতে পারে। সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নাগরিক, খোদাভীরু না হলে ইসলামী সমাজবিপ্লবের নেতৃত্বের ভূমিকাতে নাও থাকতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;বিশেষ এলাকায় বিশেষ তত্ত্বাবধান&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ইসলামী আন্দোলনের ঘাঁটি বলে পরিচিত খুলনা ও রাজশাহী বিভাগ, কক্সবাজার, বিশেষ করে নতুন সম্ভাবনাময় উত্তরাঞ্চলের দরিদ্র ও অসহায়, ইসলামপ্রিয় মানুষ অধ্যুষিত অবহেলিত এলাকায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে অর্থনৈতিক সহায়তা ও সামাজিক কাজের মাধ্যমে দাওয়াতী তৎপরতা চালানো দরকার। বিজয় পাওয়া কিছু এলাকাকে টার্গেট করে সারা দেশের মানুষের কাছে মডেল করে তুলতে পরিকল্পিত কাজ করা প্রয়োজন। ইসলামী দলগুলোর কমন সমস্যা হচ্ছে, সারা বছর ধরে কাজ না করে শুধু নির্বাচনের আগেই মাঠে নামা। পরিকল্পিত কাজ ও মাঠ স্টাডি ছাড়া কোন নির্বাচনে দীর্ঘস্থায়ী বিজয় লাভের চিন্তা করা বাতুলতা মাত্র এবং এজন্য সমর্থকদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করা আমানতের সুস্পষ্ট খেলাফ। তাই এলাকা ভিত্তিক নেতৃত্ব তৈরী করার ল্েয প্রতি বছর বিদায় নেয়া ছাত্র সংগঠনের স্থানীয় নেতৃত্বকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে নিজ এলাকায় রেখে পূর্ণ মেধা ও অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবার জন্য জেলা ভিত্তিক পরিকল্পনা নেয়া প্রয়োজন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে চাই কমন ষ্ট্যান্ড&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;স্থায়ী কিছু অপপ্রচারের ব্যাপারে আগামীতে স্থায়ী কোন ব্যবস্থা নেয়ার ব্যর্থতা সংসদীয় রাজনীতিতে ইসলামী শক্তিকে আরও বেশি সংকটাপন্ন অবস্থায় ফেলে দিতে পারে। ভবিষ্যতমুখী নয় বলে সংগঠনের সর্বস্তরে স্পর্শকাতর ইস্যুতে যুক্তি-পাল্টা যুক্তি প্রদর্শন, অনর্থক আলোচনা এবং বিতর্ক যথা সম্ভব এড়িয়ে চলা দরকার এবং সর্বত্র একই ধরনের জবাব দেবার জন্য জনশক্তিকে ট্রেন্ড আপ করা দরকার। জাতীয় দিবস ও অন্যান্য ইস্যুতে অনুষ্ঠানাদি ক্ষুদ্র  হলরুমে কিংবা বিবৃতির মাঝে সীমাবদ্ধ না রেখে ব্যাপকতর করতে হবে। জাতীয় পতাকা, সংগীত, প্রতীক ও ব্যক্তিত্বদের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও যথাস্থানে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, কারণ ইসলামী দলগুলোই এদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত রক্ষাকর্তা। আগ-পাছ না ভেবে হামবড়াই মনোভাব, অসহিষ্ণু বক্তব্য বা জ্বালাও পোড়াও কর্মসূচি মোটেও ভবিষ্যতমুখী নয়। &lt;br /&gt;সর্বোচ্চ মানে আনার জন্য তাড়াহুড়ো এবং বাৎসরিক কোটা পূরণের ল্েক্ষ মানের চাইতে অনেক সময় সংখ্যা বৃদ্ধিই মূখ্য হয়ে দাড়ায়। এতে করে মানের উচ্চ মর্যাদা যেমন লঙ্ঘিত হয়, তেমনি উক্ত মানে বর্তমান সদস্যরাও হতাশ হয়ে পড়েন এবং ঘাটতি নিয়ে মানে ঊন্নীত কোন ব্যক্তি আন্দোলনের জন্য নেগেটিভ উদাহরণ সৃষ্টি করার সম্ভাবনা থেকে যায়। নৈতিক অবক্ষয় কিংবা যে কোন কারণে নেতৃত্ব বা কর্মীর ব্যাপারে প্রশ্ন উঠলে সিদ্ধান্ত নিতে কালপেন আন্দোলনের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট টাইমফ্রেম ফলো করলে ভালো হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;ব্যক্তি নয়, পারফর্মেন্সই মুখ্য&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;নতুন পলিসি, নতুন নেতৃত্ব সব যুগেই সমাদৃত। পরাজিত হলেও এবারের নির্বাচনে পুরোনোদের পাশাপাশি নতুন প্রার্থীদের পারফর্মেন্স অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। তাই ইসলামী দলগুলো নবীন ও প্রবীণ সমন্বয়ের যে কাজ আরো আগেই শুরু করেছে, তা এগিয়ে নিতে শিক্ষাসহ বিভিন্ন অঙ্গনে যে সকল নেতৃত্ব এক যুগের বেশি সময় ধরে একই ধরনের পারফর্মেন্স প্রদর্শন করে চলেছেন, তাদের স্থলে যোগ্য ও নতুন নেতৃত্ব এগিয়ে আনার ব্যাপারে এখন হতেই সাহসী ও সময়োপযোগী উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। অনেক পরে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান ব্যাপক সুনাম কুড়ালেও বিভিন্ন অঞ্চলে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত অধিকাংশ সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কেন এতদিনে স্ব স্ব এলাকায় তেমন কোন অবস্থান নিতে পারেনি, তা অনুসন্ধান করা দরকার। সারাদেশের কাছে সত্যিকারের মডেল হিসাবে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরীতে কি সফলতা আসলেই এসেছে? &lt;br /&gt;অধিকাংশ ইসলামী দলেই ব্যক্তিতান্ত্রিকতা ও পারিবারিকীকরণ অত্যন্ত প্রকট, যা আত্মঘাতী। অথচ ইসলাম সবসময়ই প্রবল ব্যক্তিতান্ত্রিকতার বিরোধী। &lt;span style="font-weight:bold;"&gt;দলের জন্য ব্যক্তি কে?-তা মুখ্য নয় বরং তার পারফর্মেন্সই মূল বিচার্য হওয়া উচিত।&lt;/span&gt; ইসলামী নেতৃত্বকে মনে রাখতে হবে, শুধুমাত্র ইসলামের কারণেই সাধারণ সমর্থকেরা তাদের ভালোবাসে, অবলীলায় আনুগত্য করে; তাদের বংশ পরিচয়, সামাজিক অবস্থান কিংবা কোন ব্যক্তিগত যোগ্যতার কারণে নয়। তাছাড়া যে কোন পর্যায়ের নেতৃত্ব ও জনশক্তির অতিরিক্ত সম্পদ অর্জনের প্রবণতা শ্রেণীভেদের জন্ম দিতে পারে, যা নজরে রাখা প্রয়োজন।&lt;br /&gt;আধুনিক বিশ্বের প্রতিটি পরাক্রমশালী দল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠাণ, সেবা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ফিডব্যাক টীম থাকে। প্রয়োজনে তারা বিভিন্ন প্রফেশনাল  প্রতিষ্ঠানকেও এ ক্ষেেত্র কাজে লাগায়, যারা ফর্মাল রিপোর্টের বাহিরেও দল বা প্রতিষ্ঠানের সবোর্চ্চ ব্যক্তির কাছে সাধারন মানুষের চাহিদা, প্রতিক্রিয়া, নেতৃত্বের পারফর্মেন্স, কর্মসূচী বাস্তবায়নের ফলাফলের রিপোর্ট প্রেরণ করে, যা সঠিক পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক। নিজস্ব আদলে ইসলামী দলগুলো এ ব্যাপারে ভেবে দেখতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;সৃষ্টি হোক শ্রম নীতির শ্রেষ্ঠ উদাহরণ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;দল যেহেতু মূল আদর্শের প্রতিনিধিত্ব করছে, তাই সমর্থকদের পরিচালিত বা আন্দোলনের পরিবারভুক্ত বিভিন্ন অলাভজনক সেবা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে চারটি প্রধানতম সমস্যা, যেমন; প্রবল ব্যক্তিকেন্দ্রীকতা, অতিরিক্ত মুনাফাপ্রীতি, অত্যন্ত নিম্ন বেতন কাঠামো, পরিপূর্ণভাবে ইসলামী শ্রমনীতি কার্যকর না থাকা এবং কোন কোন ক্ষেত্রে আঞ্চলিকতার গুঞ্জন অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ ধরনের পরিবেশ যোগ্য ব্যক্তিদের হতাশ করে দেয়। সমর্থকদের আস্থা ও সক্রিয়তাকে বিনষ্ট করে, অনেক সময় বিরোধীতায় লিপ্ত করে। ব্যক্তি যতই ক্ষমতাধর বা যোগ্য হোন না কেন, একই ব্যক্তি বিভিন্ন পদে থাকলে প্রকৃতপেক্ষ কোনটাতেই তার পূর্ণ সময়, মেধা ও শ্রম বিনিয়োগ করতে পারেন না। পুথিবীর অধিকাংশ দেশেই রাষ্ট্রীয়, কর্পোরেট ও সাংগঠনিক পর্যায়ে এখন 'এক ব্যক্তি-এক পদ' শ্লোগান চলছে। এমনকী পাশের দেশগুলোতেও পুরোদমে চলছে এর পূর্ণ বাস্তবায়ন। সেক্ষেেত্র গতিশীলতা চাইলে পিছিয়ে থাকবার সুযোগ নেই। &lt;br /&gt;ছাত্রজীবনে পরিচালনার যোগ্যতা, কর্পোরেট পর্যায়ে একটি বিশেষ বোনাস কিন্তু যথেষ্ট নয়। এজন্য প্রতিষ্ঠাণ নিজের উদ্যোগে তাদের ফাউন্ডেশন ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ এমনকী এমবিএ, এমপিএইচের মতো ডিগ্রীর ব্যবস্থা করতে পারে। এসব প্রতিষ্ঠানভূক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আধুনিক ম্যানেজমেন্ট ও কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস বিষয়ে প্রশিত করা সময়ের দাবি। কর্মচারীদের অধিকার, সন্তুষ্টি ও সার্ভিস নিশ্চিত করনে কার্যকরী হিউম্যান রিসোর্স ডিভিশন থাকাটাও অত্যন্ত জরুরী। নিজেদের অঙ্গনেই যদি ইসলামী সমাজ কায়েম না করা যায়, তবে কি করে বৃহত্তর পরিসরে এদেশের মানুষকে আস্থাবান করে তুলব? &lt;br /&gt;মেধাবী নিয়োগের নামে শুধুমাত্র শিক্ষাজীবনের কোন একটি ডিগ্রী বা বয়স বেশির অজুহাতে যোগ্য ও ত্যাগী সাবেকদের অবহেলা করা হলে,তা জুলুমেরই নামান্তর। কেননা সকল শর্ত পূরণ করেও বাংলাদেশের অনেক ব্যাংক, চ্যানেল, সংবাদপত্র আর প্রতিষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলনের অপরাধে মেধাবীরা নিয়োগ বঞ্চিত হন। সেখানে নিজেরাই নিজেদের বঞ্চিত করার কি যুক্তি থাকতে পারে? অসৎ আর অসৈতিকতা শিক্ষা দেয় বলে, যে শিক্ষা ব্যবস্থার বিরোধিতা করছি, সেটাই যদি চুড়ান্ত যোগ্যতার একমাত্র মাপকাঠি হয়, তবে স্পষ্ট করেই বলতে হবে, আন্দোলনের পরিচয়ে গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিবর্গের খেয়াল খুশীর হাতিয়ারে পরিণত হলে, ক্ষেত্র বিশেষে আন্দোলনের জন্য তা বুমেরাং হয়ে উঠতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;মহিলা অঙ্গনে প্রয়োজন গতিশীলতা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;বর্তমান ভোটার তালিকায় পুরুষের চাইতে নারী ভোটার বেশি, অথচ কোন দলই এ ব্যাপারে যথেষ্ট উদ্যোগী নয়। সর্বস্তরে নারীর ৩৩% মতায়ন বাংলাদেশে এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তাই এই বিষয়টিতে আগে থেকেই উদ্যোগী হলে ইসলামী দলগুলো বাংলাদেশের অনেক বড় দলের তুলনায় প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকবে। আশার কথা হচ্ছে,বাংলাদেশের প্রধান ইসলামী দল জামায়াত ইতিমধ্যেই সর্বস্তরে ২৫% পদে নারীদের মনোনয়ন দিয়ে  সকল দলের তুলনায় যথেষ্ট এগিয়ে আছে। সামগ্রিক ছাত্রীসংখ্যার তুলনায় ছাত্রী অঙ্গনে অবস্থান অত্যন্ত দুর্বল। এ দিকটি সবল করার প্রয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক টার্গেট নিয়ে প্রয়োজনে সাবেক ও বৃহত্তর অঙ্গন থেকে অভিজ্ঞদের কাজে লাগানো যেতে পারে। নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেেত্র পেশাজীবি নারীরাই হতে পারেন বেস্ট চয়েস। পর্দা মেনে নারীরা দলীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য হতে পারলে কেন্দ্র, জেলাসহ বিভিন্ন পর্যায়ে সহ-সভাপতি বা যেকোন সম্পাদক হবার ক্ষেেত্র বাধা থাকবার কথা নয়। বরং এক্ষেেত্রও চমক দেখাবার সুযোগ রয়েছে।&lt;br /&gt; &lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;মানোন্নয়ন-তরবিয়ত নিয়ে কথা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আল কুরআন হচ্ছে এ আন্দোলনের প্রাণ। তাই একে সামনে রেখেই কর্মপন্থা সাজাতে হবে। সামান্য সময়ের জন্য হলেও এর কোন বিষয়ে আলোকপাত প্রতিটি বৈঠকে বাধ্যতামূলক রাখা দরকার। অধ্যয়নের ক্ষেেত্র ‘একটি মাস-একটি বিষয়’ ভিত্তিক হলে (যেমনঃ জানুয়ারি- পর্দা, ফেব্র“য়ারি- ব্যাংকিং, মার্চ-দাওয়াত, এপ্রিল-হালাল-হারাম বা গীবত ইত্যাদি এবং ব্যক্তি পুরো মাস নির্ধারিত বিষয়ে যাবতীয় অধ্যয়ন করবে, ঐ মাসের সকল তরবিয়তী বৈঠকে তা আলোচনা হবে) তিন থেকে চার বছরের মধ্যেই কোন ব্যক্তি মৌলিক কিছু বিষয়ে দক্ষ ও আমলী হয়ে উঠতে পারেন।  উপস্থিত হলে কাউকে সভায় কথা বলার সুযোগ দিতেই হবে, অন্যান্য অনৈসলামিক দলের ন্যায় এ কালচারের বিপরীতে বক্তাবহুল ও দীর্ঘ না করে বিভিন্ন সভা সমাবেশ, সাবজেক্ট ভিত্তিক বৈঠক কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। কম বক্তায় মূল মেসেজটি শ্রোতার মনে স্থায়ী হয়। গতানুগতিক ও একমুখী না হয়ে শ্রোতাদের অংশগ্রহণমুখী বৈঠক; শিক্ষা বৈঠক, শিক্ষা শিবিরগুলোতে মাল্টি মিডিয়ার ব্যবহার তরবিয়তের প্রচলিত ধারা ও ফলাফলকে আমূল বদলে দিতে পারে। &lt;br /&gt;ফর্মাল বৈঠকগুলোর চাপে লোক তৈরীর আন্দোলনে মূল কাজ অনেক সময়ে ব্যহত হয়। রিপোর্টিং, টীম, পরামর্শ, কার্যকরী কমিটি, সম্পাদকমন্ডলীর সভার ভীড়ে এবং তারবিয়তী বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক এজেন্ডা এতটাই আলোচ্য থাকে যে জ্ঞানার্জনের আগ্রহী ব্যক্তি অনেক সময়ে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েন। &lt;span style="font-weight:bold;"&gt;ব্যক্তি একটি তারবিয়তী বৈঠকে যোগ দেবার পরে নিজেকে পরিবর্তনের কি খোরাক পেলাম, তা যেন উপলদ্ধি করতে পারেন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;এহতেসাবের প্রচলিত বৈঠকী ধারা এখন বাস্তবে কার্যকরী হচ্ছেনা, তাই এ বিষয়টি নিয়ে নতুনভাবে ভাবা প্রয়োজন। খোলাখুলি কথা বলা, নিজের সমালোচনা দুহাতে বুকে জড়িয়ে ধরার মতো গ্রহণ করা, ইসলামী সংগঠণের অনন্য এ গুনটির যথায়থ পরিবেশ বজায় রাখাটা প্রয়োজন। কারণ আমরা অর্ধজাহানের সেই খলিফা ওমরের অনুসারী, যিনি এক টুকরো কাপড়ের ব্যাপারেও নিজেকে জনসমেক্ষ পেশ করতে কুন্ঠিত হননি। শুধূ সিস্টেমের নামে দ্বাররুদ্ধ করে অকপটে কথা বলার সুযোগকে ব্যহত করা হলে তা সত্যকেও ঢোকার পথ বন্ধ করে দেবে, যার অবশ্যম্ভাবী পরিণতি গীবতের মহোৎসব। &lt;br /&gt;পারিবারিক বৈঠকের বিষয়টি সেভাবে আলোচিত হয়না, অথচ আন্দোলনের সলিড উৎস থেকে আগত প্রজন্ম যদি এগিয়ে না আসে, এর চাইতে ব্যক্তির বড় ব্যর্থতা আর কি হতে পারে? অনেকেই সন্তানদের ভালো মুসলিম হিসাবে গঠনকে কম গুরুত্ব দিয়ে বৈষয়িক বা একাডেমিক বিষয়ে প্রাণান্ত চেষ্টায় লিপ্ত থাকেন, অথচ সন্তান যদি আদর্শিক সুসন্তানই না হয়, বাংলাদেশের হাজারো উচ্চ শিক্ষিতের একজন হলে আন্দোলনেরই বা কি আসে যায় আর ভবিষ্যতে যে সে বাবা মায়ের সেবায় রত হবে তারই বা গ্যারান্টি কোথায়? তাই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাসে ১-২টি তরবিয়তী বৈঠক কর্মীদের জন্য বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;মাস কাভারেজে সহজ মাধ্যম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;বিরোধী শক্তির বিপুল আয়োজনের প্রচারণার বিপরীতে ইসলামী দলগুলোর সামর্থ্য অত্যন্ত অপ্রতুল। মাস কাভারেজে ওয়াজ মাহফিলগুলো সত্যিই দাওয়াতের জন্য বড় আশীর্বাদ। কোন সমস্যা না থাকলে আরও একটি পন্থায় ইসলামী দলগুলো প্রচারণায় ভিন্ন মাত্রা সঞ্চারিত করতে পারে। নিজস্ব দৈনিক আর সাপ্তাহিকগুলোকে নিয়মিত সারা দেশে ওয়ার্ডগুলোর উদ্যোগে ২-৩ টি জনসমাগম স্থলে/দেয়ালে লাগাবার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে সঠিক বক্তব্যটি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। ৩-৪ টাকার একটি ইসলামী দৈনিকের বিশাল বাজার রয়েছে এদেশটিতে, কিন্তু তা পূরণে ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নেই কোন কার্যকর উদ্যোগ। তবে দলীয় পত্রিকা বলেই আপোষহীন দলীয় মনোভাব না রেখে তা ইসলামনির্ভর করতে হবে। দলীয় ুদ্র খবর প্রথম পাতায় স্থান দেবার বদলে দলীয় খবরের জন্য আলাদা পাতা বরাদ্দ রাখা যেতে পারে। গ্রহণযোগ্যতা পেতে বদলাতে হবে ব্রিটিশ আমলের গেট-আপ, প্রয়োজনীয় সেট-আপ আর বিভিন্ন বয়স ও শ্রেণীর পাঠকের পছন্দনীয় ভালো বিষয়গুলো নিয়ে আসতে হবে। বাড়াতে হবে কর্মরতদের বেতন ভাতা আর সুযোগ সুবিধা। ফুল টাইম/পার্ট টাইম হিসাবে ছাত্র/ছাত্রী সংগঠনের স্মার্ট, আধুনিকমনস্ক ও পরীতি সাবেকদের কাজে লাগানো যেতে পারে। ফ্রি ল্যান্সার সাংবাদিক/ ফটোগ্রাফারদের মূল্যায়ন করা হলে অল্প বাজেটে দুর্দান্ত সার্ভিস পাওয়া সম্ভব। এতে যেমন তাদের অভিজ্ঞতা বাড়বে, পত্রিকার মান বাড়বে, তেমনি তৈরী হবে নতুন সাংবাদিক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;আগামী দিনের ইস্যু&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;জ্বালানী, পানি ও জলবায়ু  রক্ষা এবং কর্ম সংস্থান- এই তিন ইস্যু হবে আগামী বিশ্বের প্রধানতম ইস্যু। বিশ্বের অন্যান্য দেশের রাজনৈতিক দলগুলো অনেক আগে থেকেই এ ব্যাপারে পলিসি প্রণয়ন করছে। ইসলামী দলগুলোকে নতুন প্রজন্মের কাছে এ বিষয়ে নিজেদের পলিসি ও ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে তা বাস্তবায়নে রোড ম্যাপ তুলে ধরে; সমর্থন নিতে এখন থেকেই উদ্যোগী হতে হবে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight:bold;"&gt;ঐক্যের জন্য বোধোদয়ের প্রার্থনা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ইসলামী দলগুলোর ঐক্যের ব্যাপারে নতুন করে বলার কিছু নেই। একটু আত্ম সমালোচনাই এ পরিস্থিতিকে বদলে দিতে পারে। এখনও যারা মনে মনে বা উচ্চ স্বরে দাবী করেন তারাই একমাত্র সঠিক, বাকী সবাই ৭২ ফেরকা অথবা ভ্রান্ত, তবে কি তার দলে এক কোটি লোক থাকলে বিশ্বের বাকী ১৩৯ কোটি মুসলিম বিভ্রান্ত? আগামী প্রজন্ম এত সংকীর্ণ মানসিকতাকে গ্রহণ করতে রাজী নয়। বিশ্বের ইসলামী জাগরনে এসব দলের অবদান কতটুকু আর বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত ইসলামী নেতৃত্ব ও ব্যক্তিত্বদের কাতারে তাদের অবস্থান কোথায়, তা নিয়ে আত্মসমালোচনাই- সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যথেষ্ট। শুধু এতটুকুই বোঝা উচিত, বর্তমান দুর্যোগেও কাঁদা ছোড়াছুড়ি করে এখনও যেসব ইসলামী দল ঐক্যের বিরোধিতা করে যাচ্ছেন, তারা নিজেরাই নিজেদের অস্তিত্বকে বিলীন করার জন্য পথ সুগম করছেন। তাই তাদের বোধোদয় হোক- এটাই কামনা।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-8020763041084006821?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/8020763041084006821/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_8750.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/8020763041084006821'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/8020763041084006821'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_8750.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (১৩শ পর্ব): সম্ভাবনাময় আগামীর জন্য ইসলামী দলের কিছু করনীয়/ পরামর্শ&apos;'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-370692592719684296</id><published>2009-07-30T08:05:00.000-07:00</published><updated>2009-07-30T08:07:56.153-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (১2শ পর্ব): জামায়াত ও ইসলামী দলের নির্বাচনী বিপর্যয়ে কিছু বিশ্লেষন</title><content type='html'>আত্মসমালোচনার প্রয়োজনেই ২০০৮ সালে নির্বাচন থেকে একটি বিষয় বাংলাদেশের প্রধান ইসলামী দলগুলোকে অবশ্যই ভাবতে হবে। &lt;br /&gt;# বিগত নির্বাচনের তুলনায় প্রতি নির্বাচনেই প্রধান ইসলামী দল জামায়াতের মোট ভোট বেড়েছে, কিন্তু টোটাল গ্রোথ সে পরিমাণে বাড়ছেনা। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নিখিল পাকিস্থানে জামায়াতের প্রাপ্ত ভোট ছিল ৬ শতাংশ আর পূর্ব পাকিস্থানে প্র্প্তা ভোট ছিল ৪ শতাংশ ।  ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে ৪.৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে জামায়াত আসন পায় ১০টি, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ১২.১৩ শতাংশ ভোট পেয়ে আসন পায় ১৮টি, ১৯৯৬ সালে ৩০০ আসনে নির্বাচন করে ৩টি আসন পেলেও প্রাপ্ত ভোট ছিল ৮.৬০ শতাংশ। ২০০১ সালে ৪.২৮ শতাংশ ভোট পেয়ে আসন পায় ১৭টি আর ২০০৮ সালে ৪.৬০ শতাংশ ভোট পেয়েও জামায়াত পেয়েছে ২টি আসন। স্বাধীনতার তিন যুগ পরেও নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট শতকরা হিসাবে খুব একটা পরিবর্তন লক্ষণীয় নয়। ভোটের রাজনীতিতে এটি খুব সুখকর সংবাদ নয়। তাছাড়া ২০০৮ সালে আসন প্রতি গড়ে ১১ হাজার ভোট বাড়লেও প্রতি আসনে টোটাল বৃদ্ধি প্রাপ্ত ভোটারের সাথে প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতটি হিসাবে আনা হলে প্রকৃত অবস্থান জানা সহজ হবে। &lt;br /&gt;# বিভিন্ন নির্বাচনে জামায়াত জোটগত বা এককভাবে নির্বাচন করলেও আগের নির্বাচন অপো পরের নির্বাচনে ভোট বাড়ার হার অন্য বড় দলের তুলনায় অনেক কম এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে একই ধরনের আচরণ করছে। এ বিশ্লেষণটি অবশ্য সকল ইসলামী দলের েেত্র প্রযোজ্য। অর্থাৎ নতুন ভোটারদের একটি বড় অংশ অপপ্রচার, বিরোধিতা অথবা যে কোন কারণেই হোক ইসলামী দলগুলোর ব্যাপারে রিজার্ভেশন রাখছে বলে মনে হয়। &lt;br /&gt;# যদিও বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় শুভঙ্করের ফাঁকির সুযোগ আছে, তারপরেও সার্বিক বিবেচনায় এবারের নির্বাচন হতে ধারণা ও আত্মবিশ্লেষণ করা যেতে পারে যে বরাবরের মতোই প্রমাণিত হয়েছে, ইসলামপন্থী ভোটাররা স্থিতিশীল আচরনে অভ্যস্ত এবং ভোটের ময়দানে সর্বদাই বিশ্বস্থ থেকেছে । &lt;br /&gt;# ২০০৮ এর নির্বাচনে মহাজোটের বিজয় অনেকটাই নিশ্চিত হলেও বিপুল সংখ্যক আসনে “হারিয়ে দেয়া হয়েছে” এটিই সত্য কথা। তবে আগামী দিনের পরিকল্পনায় অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে পরাজয়ের বিভিন্ন ফ্যাক্টরের পাশাপাশি ২০০১ সালে বিজয়ী প্রার্থীর পরাজয়ে ব্যক্তিগত কোন বিষয়, পারফর্মেন্স, এলাকাভিত্তিক ইস্যু, সাংগঠনিক দুর্বলতা বা অন্য কোন ফ্যাক্টর কাজ করেছে কিনা? প্রার্থী সিলেকশন ও তৎসংক্রান্তপজেটিভ/নেগেটিভ সব কিছুই নিরপেভাবে পর্যালোচনায় আনতে হবে।&lt;br /&gt;# অধিকাংশ ইসলামী দলগুলোর ৮০-৯০ ভাগ লোক শিতি, যারা দেশের ৩০ ভাগ শিতি মানুষেরই একটি অংশ। অথচ দেশের ৬০ ভাগ মানুষ অশিতি (নিরর আর শিতি এক নয়), দরিদ্র কৃষক, শ্রমিক খেঁটে খাওয়া মানুষ এবং সকলেই ভোটার। সুতরাং নির্বাচনমুখী দল হিসাবে কাঠামো নির্ভর, রুটিনওয়ার্কের বাইরে এমন কোন কর্মসূচীর অভাব ছিল কিনা, যাতে করে সত্যিকার অর্থেই গণমানুষের সমর্থন ও সহানুভূতি লাভ করা যায়, তাও পর্যালোচনায় আনা একান্ত জরুরী ।&lt;br /&gt;# গণতান্ত্রিক পন্থায় চূড়ান্ত ল্েয পৌঁছতে জনসংখ্যার সাথে আনুপাতিক হার বজায় রাখাটা ইসলামপন্থীদের কিছুটা হলেও হতাশ করতে পারে। তবে এ সমস্যাটি কাটিয়ে ওঠার ল্েয সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবার জন্য ব্যাপক কর্মসূচী, নির্দিষ্ট আসনে বিজয়ী হতে পরিকল্পিত তৎপরতা, নেতৃবৃন্দের আরও গণমুখী হওয়া আর রিক্রুটমেন্টের েেত্র অধিক ছাত্রসংগঠন নির্ভরতা কমিয়ে ব্যাপক দাওয়াতী কার্যক্রম বাড়ানো প্রয়োজন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-370692592719684296?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/370692592719684296/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_4287.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/370692592719684296'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/370692592719684296'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_4287.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (১2শ পর্ব): জামায়াত ও ইসলামী দলের নির্বাচনী বিপর্যয়ে কিছু বিশ্লেষন'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-555646345651927628</id><published>2009-07-30T07:58:00.000-07:00</published><updated>2009-07-30T08:05:11.849-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (১১শ পর্ব):নির্বাচনের আলোকে বাংলাদেশের অন্যান্য ইসলামপন্থী দল</title><content type='html'>নির্বাচনী রাজনীতিতে জামায়াত ছাড়া অন্যান্য ইসলামী দল বাংলাদেশে তেমন কোন ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারেনি আজও। সবচাইতে দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে সকলেই একই উদ্দেশ্যে রাজনীতি, একই মূলনীতি লালন, একই জাতীয় শ্লোগান দিয়ে ভোটের ময়দানে অনৈসলামিক ও সেক্যুলার দলগুলোর সাথে ঐক্য করতে দ্বিধা না করলেও নিজেদের মধ্যে আজও কোন কার্যকর ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হয়েছে। নিজেদের মধ্যে কার্যকর কোন ঐক্য গড়ে তুলতে পারলে জনগণকে আকুষ্ট করার মতো কোন অবস্থান হয়তো ইতিমধ্যেই তৈরী হতে পারত। প্রধান চারটি দলের বাইরে শুধুমাত্র ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (চরমোনাই) ১৬৬টি আসনে লড়ে কোন আসন লাভ না করলেও ৭ লাখ ৩৪ হাজার ভোট অর্থাৎ জাতীয় নির্বাচনে ১.০৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া অন্য কোন ইসলামী দলের অবস্থান উল্লেখ করার মতো নয়। আগ্রহী পাঠক নিচের ছকটি থেকে একটি ধারনা পেতে পারেন।&lt;br /&gt;১৯৯১ সালে জাতীয় পার্টির সাথে জোটবদ্ধ হয়ে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন ইসলামী জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামে সম্মিলিতভাবে ৭.২২ শতাংশ ভোট পেয়েছিল, বিগত নির্বাচনে জাতীয় পার্টির ৬-৭ শতাংশ ভোট হিসাবে আনলে চরমোনাই পীরসাহেব প্রতিষ্ঠিত এদলটির ভোট সর্বোচ্চ ১ শতাংশের বেশী হবার নয়। অপরদিকে ইসলামী ঐক্যজোট বিগত ১৯৯১ এর নির্বাচনে ০.৫৬ শতাংশ ভোট লাভ করে। হমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রাপ্ত ভোট ছিল০.০৩ শতাংশ ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন পেয়েছিল ০.০২ শতাংশ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নির্বাচন-২০০৮ এ ইসলামী দলগুলোর অবস্থান&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইসলামী দলের নাম.......মনোনীত আসন সংখ্যা..প্রাপ্ত ভোট...........শতকরা হার&lt;br /&gt;বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী.......৩৯.......৩২ লাখ ৭৮ হাজার ৪৫৯---৪.৬০%&lt;br /&gt;ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ.......১৬৬.......৭ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬৯---১.০৫%&lt;br /&gt;জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম.......০৬.......১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৩৩-----০.২৫%&lt;br /&gt;জাকের পার্টি..............৩........১ লাখ ২৯ হাজার ২৮৯-----০.১৯%&lt;br /&gt;ইসলামী ঐক্যজোট.......০৪............১ লাখ ০৮ হাজার ৪১৫-----০.১৬%&lt;br /&gt;বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট.......১৭...........৩১ হাজার ৪৫০--------০.০৫%&lt;br /&gt;মোট.............................৪৪ লাখ ৫৫ হাজার ২১৫---৬.৩%&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-555646345651927628?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/555646345651927628/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_3912.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/555646345651927628'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/555646345651927628'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_3912.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (১১শ পর্ব):নির্বাচনের আলোকে বাংলাদেশের অন্যান্য ইসলামপন্থী দল'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-1721463248876756922</id><published>2009-07-30T07:54:00.000-07:00</published><updated>2009-07-30T07:58:25.987-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (১০মপর্ব-শেষাংশ): নবম সংসদ নির্বাচনে প্রধান ইসলামপন্থী দল জামায়াতঃ আশাব্যাঞ্জক দিকই বেশি</title><content type='html'>২০০১ সালে পাবনা-১ আসনে জামায়াত আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিপক্ষে আওয়ামী লীগের অধ্যাপক আবু সাঈদ ৯৮ হাজার ১৩৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছিলেন আর এবার মওলানা নিজামী ১ লাখ ২২ হাজার ৯৪৪ ভোট পেয়েও বিজয়ী হতে পারেননি। এভাবে ২০০১ এর তুলনায় দ্বিগুন ও বিজয় লাভের মতো ভোট পেয়েও অনেক আসনে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী হতে পারেননি। নিচের ছকটি প্রমান করে জামায়াত প্রার্থীরা হেরে গেলেও কতখানি এগিয়েছেন;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসন ও প্রার্থীর নাম..............নির্বাচন-২০০৮ প্রাপ্ত ভোট.............. নির্বাচন-২০০১ প্রাপ্ত ভোট&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঠাকুরগাঁও-২&lt;br /&gt;আবদুল করিম.....................৯৮ হাজার ৪৫৬..........................৫৭ হাজার ১৯৬&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নীলফামারী-২&lt;br /&gt;মনিরুজ্জামান মন্টু...................৮২ হাজার ৩২৪..........................৬৫ হাজার৮৩৫&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লালমনিরহাট-১&lt;br /&gt;হাবিবুর রহমান....................৭৪ হাজার ২১৯ ..........................৪৮ হাজার ৯০৭&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রংপুর-২&lt;br /&gt;এটিএম আজহারুল ইসলাম...........৩৬ হাজার ৫৮৬.........................১৭ হাজার ৭৮৮&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩&lt;br /&gt;লতিফুর রহমান....................৭১ হাজার ৩৪১ ...........................৬০ হাজার ৪৬০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেরপুর-১&lt;br /&gt;মুহাম্মদ কামরুজ্জামান................১ লাখ ১ হাজার...........................৬৫ হাজার ৪৯০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গাইবান্ধা-৩&lt;br /&gt;আবুল কাওসার নজরুল ইসলাম.......৭৬ হাজার ৪৬০...........................৬৯ হাজার ২২&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গাইবান্ধা-৪&lt;br /&gt;আবদুর রহীম সরকার...............৭০ হাজার ১১১...............................-&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাতক্ষীরা-৩&lt;br /&gt;রিয়াসাত আলী বিশ্বা................১ লাখ ৩৪ হাজার.........................৭৩ হাজার ৫৭৭&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাতক্ষীরা-৩&lt;br /&gt;গাজী নজরুল ইসলাম................১ লাখ ১৭ হাজার.........................৮৪ হাজার ৬১৩&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চট্টগ্রাম-১৪&lt;br /&gt;মাওলানা শামসুল ইসলাম.............১ লাখ ২০ হাজার.........................১ লাখ ৭ হাজার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সিরাজগঞ্জ-৪- &lt;br /&gt;মোঃ রফিকুল ইসলাম খান.............৯৭ হাজার ৪৬৩.............................--&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপজেলা নির্বাচনঃ সূর্যগ্রহণ শেষে আলোর দেখা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্বয়ং সিইসি দুই দশক পরে অনুষ্ঠিত তৃতীয় উপজেলা নির্বাচন সম্পর্কে মন্তব্য বরেছেন, ভোটারদের ভোট দেয়া থেকে বিরত রাখা, ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দেয়া ও অনভিপ্রেত প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হয়েছে। ভোটারবিহীন জাল ভোট ও কেন্দ্র দখলের মহোৎসবে ব্যালট ও বাক্স ছিনতাইয়ের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হলো উপজেলা নির্বাচন। ছয়টি উপজেলাসহ সারা দেশে দেড় শতাধিক কেন্দ্রে নির্বাচন স্থগিত করতে হয়েছে। অনেক এলাকায় ভয়াবহ অবস্থা দেখে আগেই প্রার্থীরা নির্বাচনের দিন ও আগের দিন বয়কট করেছেন। ৪৭৫টি উপজেলায় আওয়ামী লীগ ৩১৭টি উপজেলা ছিনিয়ে নিলেও এত জাল জালিয়াতীর পরে বিএনপি ৭৮টি আর &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জামায়াত ৭২টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ২৩টি উপজেলায় চেয়ারম্যান ও ১০টিতে ২য়, ২২টিতে ভাইস চেয়ারম্যান ও ২৪টিতে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী দিয়ে ১৩টিতে নির্বাচিত হয়েছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জাতীয় পার্টি সংসদে জামায়াতের চাইতে ২৫টি আসন বেশি পেয়েও তৃণমূলের এ নির্বাচনে জয় পেয়েছে ১৮টি উপজেলায়। সংসদে তিনটি আসন পেলেও ৪৭৫টি উপজেলায় জাসদ ৬টি ও সিপিবি, ওয়ার্কাস পার্টি পেয়েছে ২টি করে উপজেলা। তৃণমূলের সাধারন মানুষের ভালোবাসার এ বহিঃপ্রকাশে নিশ্চয়ই একটি বিপর্যয়ের পর ইসলামপ্রিয় মানুষ উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতেই পারেন।&lt;br /&gt;পাঠক তালিকার বিরাট বহরে বিরক্ত হলেও অন্তত এলাকারগুলোর দিলে মনযোগ দিলে জামায়াত সম্ভাবনাময় যেসব এলাকা থেকে বিজয়ী হয়েছে, সে সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা পাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্রম জেলা.....................উপজেলা.....................বিজয়ী প্রার্থী&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১ পঞ্চগড়...................সদর........................মাও. আঃ খালেক&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২ দিনাজপুর...............চিরিরবন্দর....................আফতাব উদ্দীন মোল্লা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩ নীলফামারী...............জলঢাকা.....................সৈয়দ আলী&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪ সিরাজগঞ্জ................রায়গঞ্জ......................এবিএম আঃ সাত্তার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫ রাজশাহী .................পবা.........................মকবুল হোসাইন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬ চাপাইনবাবগঞ্জ............নাচোল.......................সিরাজুল ইসলাম&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭ চাপাইনবাবগঞ্জ............শিবগঞ্জ.......................মাও. কেরামত আলী&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮ বগুড়া...................শাহজাহানপুর..................ইয়াসমিন আলী&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৯ বগুড়া...................দুপচাঁচিয়া......................আবদুল গণি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১০ বগুড়া...................কাহালু.........................মাও. তায়েব আলী&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১১ জয়পুরহাট...............পাঁচবিবিু..........................আবদুল ওদুদ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১২ ঝিনাইদহ ................হরিণাকুন্ডুু........................মোতাহার হোসাইন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৩ কুষ্টিয়া...................সদরু.........................মাও. মোশারফ হোসেন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৪ কুষ্টিয়া...................মিরপুরু........................আবদুল গফুর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৫ চুয়াডাঙ্গা.................আলমডাঙ্গাু.......................ডা. হুমায়ন কবীর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৬ সাতক্ষীরা.................শ্যামনগরু........................মাও. আঃ বারী&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৭ সিলেট....................জৈন্তাপুরু.......................জয়নাল আবেদীন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৮ সিলেট....................ফেঞ্চুগঞ্জ ু......................সাইফুল্লাহ আল হোসাইন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯ সিলেট....................দক্ষিণ সুরমাু....................মাওলানা লোকমান হোসাইন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০ সুনামগঞ্জ ..................দোয়ারাবাজারু....................আবদুল কুদ্দুস&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২১ বান্দরবন..................নাইক্ষ্যছড়িু.....................তোফায়েল আহমেদ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২২ কক্সবাজার.................সদরু........................এ্যাড. সলিমুল্লাহ বাহাদুর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২৩ সিরাজগঞ্জ..................বেলকুচি.................... আলী আলম&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২৪ কক্সবাজার.................উখিয়া.......................শাহজালাল চৌধুরী&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-1721463248876756922?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/1721463248876756922/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_6311.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1721463248876756922'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1721463248876756922'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_6311.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (১০মপর্ব-শেষাংশ): নবম সংসদ নির্বাচনে প্রধান ইসলামপন্থী দল জামায়াতঃ আশাব্যাঞ্জক দিকই বেশি'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-6997013902180983589</id><published>2009-07-30T07:51:00.000-07:00</published><updated>2009-07-30T07:53:58.400-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (১০মপর্ব-১ম অংশ): নবম সংসদ নির্বাচনে প্রধান ইসলামপন্থী দল জামায়াতঃ আশাব্যাঞ্জক দিকই বেশি</title><content type='html'>প্রথম বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরের শাসনামলে সমস্ত মিডিয়ার একক টার্গেটে পরিণত হয় বাংলাদেশের ইসলামী শক্তি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। স্বাধীনতা ইস্যুতে তাদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রচারনা এবারে অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। ইসলামপ্রিয় মানুষকে আশাহত করে মাত্র ২টি আসন পেলেও জামায়াত ২০০১ এর তুলনায় ২০০৮ এ ভোট শতকরা ৩৫ ভাগ বেশি পেয়েছে। এবারের নির্বাচনে অপ্রত্যাশিতভাবে আসন সংখ্যা কমে ২টি হলেও কিছু দিক জামায়াতে ইসলামীর জন্য অত্যন্ত আশাপ্রদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. ২০০১ সালে ৩১টি আসনে নির্বাচন করে প্রাপ্ত ভোট ২৪,২৭,৫৭৪ হতে ভোট বেড়ে ৩৮টি আসনে এবার দাঁড়িয়েছে ৩২,৭৮,৪৫৯ জনে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২. ২০০১ সালে আসন প্রতি গড় ভোট ছিল ৭৫ হাজার ৮৬২ আর ২০০৮ সালে প্রতি আসনে গড় ভোট বেড়ে দাড়িয়েছে ৮৬ হাজার ২৭৬ অর্থ্যাৎ প্রতি আসনে গড় সমর্থন বেড়েছে প্রায় ১১ হাজার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩. এবারের নির্বাচনেই এই প্রথম জামায়াতের একজন প্রার্থীও জামানত হারাননি অথচ বিপুল সংখ্যক ‘ডিজিটাল’ ভোট পেয়েও আওয়ামী লীগের ৪ জন প্রার্থী জামানত টেকাতে পারেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪. ৩৮টি আসনে নির্বাচন করে জামায়াতের ১৪ জন প্রার্থীই ১ লাখের উপর ভোট পেয়েছেন আর ৫০ হাজারের নীচে ভোট পেয়েছেন মাত্র ৫ জন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫. লাঙ্গলের দুর্গ নামে পরিচিত বৃহত্তর রংপুরে জামায়াতের ২০০১ এর তুলনায় দেড় গুন/ দ্বিগুন বেশি ভোট প্রাপ্তি তাদের জন্য অত্যন্ত আশাপ্রদ। বিগত সময়ে দক্ষিণাঞ্চল জামায়াতের মূল শক্তি হিসাবে প্রমাণিত হলেও এবার যুক্ত হয়েছে উত্তরাঞ্চল বিশেষ করে বৃহত্তর রংপুর। ‘লাঙ্গলের দুর্গ’ খ্যাত এসব আসনে লাঙ্গলের ভোট নৌকায় অথবা নৌকার ভোট লাঙ্গলে নিয়ে মহাজোট নির্বাচনী বৈতরনী পার হয়েছে। এসব ভোটের সাথে যুক্ত বিপুল পরিমাণ ‘ডিজিটাল’ ভোটের কথা তো বলাই বাহুল্য। কিন্তু নৌকা ও লাঙ্গলের এই সখ্যতা যে দীর্ঘমেয়াদী হবেনা, তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। অত্যন্ত দরিদ্র ও অসহায়, ইসলামপ্রিয় মানুষ অধ্যুষিত এসব অবহেলিত এলাকায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে পারলে আগামী দিনে এই এলাকার আসনগুলো তাদের জন্য নিয়ামক হিসাবে দাঁড়াবে, সন্দেহ নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বৃহত্তর রংপুরে জামায়াতের জন্য সম্ভাবনাময় আসন ও প্রার্থীর নাম&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসন ও প্রার্থীর নাম..........জামায়াত/জোট প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট.......বিজয়ী প্রার্থীর ভোট (আঃলীগ+ জাপা+ডিজিটাল ভোট)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দিনাজপুর-১&lt;br /&gt;মোহাম্মদ হানিফ..............১ লাখ ৭ হাজার.................১ লাখ ৪৪ হাজার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দিনাজপুর-৬&lt;br /&gt;আনোয়ারুল ইসলাম...........১ লাখ ৩২ হাজার...............১ লাখ ৩৩ হাজার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নীলফামারী-২&lt;br /&gt;মনিরুজ্জামান মন্টু.............৮২ হাজার ৩২৪.................১ লাখ ৩৬ হাজার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নীলফামারী-৩&lt;br /&gt;আজিজুল ইসলাম.............৬৬ হাজার ৮৪৯.................১ লাখ ৪৬ হাজার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লালমনিরহাট-১&lt;br /&gt;হাবিবুর রহমান.................৭৩ হাজার ৮৮৬.............১ লাখ ৪১ হাজার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গাইবান্ধা-১&lt;br /&gt;আবদুল আজিজ.................৭২ হাজার ৯৩................১ লাখ ৬০ হাজার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গাইবান্ধা-৩&lt;br /&gt;মোঃ নজরুল ইসলাম.............৭৬ হাজার ৪৬০..............১ লাখ ৭৯ হাজার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গাইবান্ধা-৪&lt;br /&gt;আবদুর রহীম সরকার...........৭০ হাজার ১১১...............১ লাখ ৪৫ হাজার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬. ২০০১ সালে পাবনা-১ আসনে জামায়াত আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর বিপক্ষে আওয়ামী লীগের অধ্যাপক আবু সাঈদ ৯৮ হাজার ১৩৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছিলেন আর এবার মওলানা নিজামী ১ লাখ ২২ হাজার ৯৪৪ ভোট পেয়েও বিজয়ী হতে পারেননি। এভাবে ২০০১ এর তুলনায় দ্বিগুন ও বিজয় লাভের মতো ভোট পেয়েও অনেক আসনে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী হতে পারেননি। নিচের ছকটি প্রমান করে জামায়াত প্রার্থীরা হেরে গেলেও কতখানি এগিয়েছেন;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসন ও প্রার্থীর নাম...........নির্বাচন-২০০৮ প্রাপ্ত ভোট........নির্বাচন-২০০১ প্রাপ্ত ভোট&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঠাকুরগাঁও-২&lt;br /&gt;আবদুল করিম.................৯৮ হাজার ৪৫৬.................৫৭ হাজার ১৯৬&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নীলফামারী-২&lt;br /&gt;মনিরুজ্জামান মন্টু..............৮২ হাজার ৩২৪.................৬৫ হাজার৮৩৫&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লালমনিরহাট-১&lt;br /&gt;হাবিবুর রহমান্..............৭৪ হাজার ২১৯...................৪৮ হাজার ৯০৭&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রংপুর-২&lt;br /&gt;এটিএম আজহারুল ইসলাম্.....৩৬ হাজার ৫৮৬................১৭ হাজার ৭৮৮&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩&lt;br /&gt;লতিফুর রহমান..............৭১ হাজার ৩৪১.................৬০ হাজার ৪৬০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেরপুর-১&lt;br /&gt;মুহাম্মদ কামরুজ্জামান.........১ লাখ ১ হাজার.................৬৫ হাজার ৪৯০&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গাইবান্ধা-৩&lt;br /&gt;আবুল কাওসার নজরুল ইসলাম.৭৬ হাজার ৪৬০.................৬৯ হাজার ২২&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গাইবান্ধা-৪&lt;br /&gt;আবদুর রহীম সরকার.........৭০ হাজার ১১১.................-&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাতক্ষীরা-৩&lt;br /&gt;রিয়াসাত আলী বিশ্বাস........১ লাখ ৩৪ হাজার................৭৩ হাজার ৫৭৭&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাতক্ষীরা-৩&lt;br /&gt;গাজী নজরুল ইসলাম..........১ লাখ ১৭ হাজার.................৮৪ হাজার ৬১৩&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চট্টগ্রাম-১৪&lt;br /&gt;মাওলানা শামসুল ইসলাম......১ লাখ ২০ হাজার.................১ লাখ ৭ হাজার&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সিরাজগঞ্জ-৪- &lt;br /&gt;মোঃ রফিকুল ইসলাম খান.......৯৭ হাজার ৪৬৩...................-&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-6997013902180983589?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/6997013902180983589/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_3455.html#comment-form' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/6997013902180983589'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/6997013902180983589'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_3455.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (১০মপর্ব-১ম অংশ): নবম সংসদ নির্বাচনে প্রধান ইসলামপন্থী দল জামায়াতঃ আশাব্যাঞ্জক দিকই বেশি'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-2853147877263678003</id><published>2009-07-30T07:49:00.001-07:00</published><updated>2009-07-30T07:49:53.524-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (৯ম পর্ব)ঃ বিগত দুই দশকে বাংলাদেশে ইসলামী শক্তির অর্জন</title><content type='html'>১. বিগত দুই দশকে ইসলামী দলগুলো বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসার আবশ্যক ও নিয়ামক শক্তিরুপে আর্বিভূত হয়েছে ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২. বর্তমান দশকেই সর্বপ্রথম বাংলাদেশের ইতিহাসে ইসলামী দলগুলো সরকার পরিচালনায় সরাসরি অংশগ্রহণ করে নিজেদের সততা ও দক্ষতার পরিচয় রাখতে সক্ষম হয়েছে। তাদের এ অর্জন জাতির সামনে ইসলামী শক্তির ইমেজকে আরো শক্তিশালী করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩. বিগত দুই দশকে আগের তুলনায় সাংগঠনিক কাঠামো দৃঢ় করে তোলা ও নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে শক্তিশালী জনসমর্থন ও গণভিত্তি গড়ে তুলেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪. ব্যক্তি ও সামষ্টিক প্রচেষ্টায় মজবুত অর্থনৈতিক ভীত রচনায় ইসলামী দলগুলো অনেক দূর এগিয়েছেI শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রিয়েল এস্টেট সেক্টরে সারা দেশে একটি পর্যায়ে উত্তোরনের প্রচেষ্টা বিগত দুই দশকে প্রায় দ্বিগুন হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫. ইসলামী ছাত্র সংগঠনগুলো বিগত দুই দশকে বাংলাদেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণনা যোগ্য শক্তি (Countable Force) হিসাবে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছে এবং সন্ত্রাসের বিপক্ষে নিজেদের শান্তিপূর্ণ রূপ ও সততাকে মানুষের সম্মুখে তুলে ধরেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬. প্রবল মিডিয়া প্রপাগান্ডার পরেও জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রধান ইসলামী দলগুলোকে কোনভাবেই দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি এবং একটি বিষয়ে অন্তত সকল ইসলামী দল আলাদা হয়েও একই প্ল্যাটফর্মে এসেছে। আন্তজার্তিকভাবেও ইসলামী দলের গণতান্ত্রিক চরিত্র স্বীকৃতি পেয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭. তথ্য প্রযুক্তির যুগে অনেকের তুলনায় পিছিয়ে থাকলেও বাংলাদেশের ইসলামী শক্তির এ পর্যন্ত প্রচেষ্টা ও অর্জন যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। নিজস্ব সাংস্কৃতিক বলয় সৃষ্টিতে এগিয়েছে অনেক পথ, ব্যক্তিগত উদ্যোগে মিডিয়া হাউস, আদর্শবাহী প্রিন্ট মিডিয়া থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিক মিডিয়া, প্রায় সব অঙ্গনেই পদচারনা শুরু করেছে এদেশের ইসলামী শক্তি। জামায়াত, ইসলামী ছাত্রশিবির, খেলাফত মজলিস ইন্টারনেটের কম্যুনিটি সাইটগুলোসহ বিভিন্ন সাইটে অবস্থান ধরে রাখতে সামষ্টিক ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-2853147877263678003?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/2853147877263678003/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_3035.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/2853147877263678003'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/2853147877263678003'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_3035.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (৯ম পর্ব)ঃ বিগত দুই দশকে বাংলাদেশে ইসলামী শক্তির অর্জন'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-3808105477007246848</id><published>2009-07-30T07:48:00.000-07:00</published><updated>2009-07-30T07:49:06.346-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (৮ম পর্ব)ঃ এক দশকে নতুন প্রজন্মের যে পরিবর্তন ইসলামী দলের ইশতেহারে এবার খেয়াল রাখা হয়নি</title><content type='html'>২০০১ সােেলর নির্বাচনে ইসলাম ও জাতীয়তাবাদী শক্তির বিপুল বিজয়ের পেছনে একটি বড় ফ্যাক্টর ছিল নতুন ১ কোটি ২০ লাখ ভোটারের নিরঙ্কুশ সমর্থন। ২০০৮ সালে এসে নতুন করে ভোটার হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ভোটার (৩১%)। অথচ বাংলাদেশের ইসলামপন্থী দলগুলোর ইশতেহারে এ শ্রেণীর ভোটারদের মন মানসিকতাকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রেখে একটি যুগোপযোগী, বর্তমান সমস্যার আলোকে সমাধানের দিক নির্দেশনা সম্বলিত আশাব্যঞ্জক কিছু ছিলনা। তদুপরি অব্যাহত অপ্রচারের মুখে আধুনিক রাষ্ট্রের সমস্যাগুলো মোকাবেলায় ইসলাম কি ধরনের সমাধান দিতে সক্ষম, সে সম্পর্কে সাধারন মানুষের চিন্তাধারা পরিবর্তনে নিজ দলের কর্মীরা সুষ্পষ্ট ব্যাখ্যা দাড় করাতে পারেননি। নতুন প্রজন্মের ভোটারদের চাহিদা, মন, মানসিকতা ও স্বপ্ন পূরনের জন্য বিগত সময়ের কৌশল অনুযায়ী গতানুগতিক প্রচারনা চালানো হয়, অথচ অনৈসলামিক দলগুলো এ ব্যাপারে বর্তমানে যথেষ্ট সজাগ। যেহেতু নিজস্ব দাবীর যৌক্তিকতা উপস্থাপনের মাধ্যমে জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় যাবার ভিন্ন পথ নেই, তাই ইসলামী দলগুলোকে গণতান্ত্রিক রাজনীতির মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়া হোক আর অস্তিত্ব নিয়ে টিকে থাকাই হোক, বর্তমানসহ আগামী দিনের প্রজন্মের উপরই নির্ভর করতে হবে তাদের। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটি বিষয় সকলেই স্বীকার করবেন, শেষ দশক আর এর আগের দশকের জেনারেশনে বিস্তর ফারাক। আগামী দিনের ইশতেহার প্রণয়ণে তাদের পরিবর্তনের বিষয়গুলো অবশ্যই বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। বিশেষ করে চলতি দশকের প্রজন্মে যে বিশেষ পরিবর্তন লক্ষনীয়;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. চলতি দশকে সবচাইতে লক্ষনীয় হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তি অভূতপূর্ব বিপ্লব। বর্তমান প্রজন্মে মোবাইল, ইন্টারনেট, মিডিয়া নির্ভরতা একটি অতি স্বাভাবিক বিষয়, যা আগের দশকে ভাবাই যেতনা। এসবের প্রবল পরাক্রমে পরস্পরের সাথে যোগাযোগের পুরাতন পদ্ধতি প্রায় বিলুপ্তি পথে। শুধু কথা নয়, ংসং, ধিঢ়, ব-পড়সসধৎপব সহ বিভিন্ন সেক্টরে এ প্রযুক্তির ব্যবহার, বাংলাদেশের সুদুর প্রামে যেখানে পাকা রাস্তা কিংবা বিদ্যুৎ নেই, সেখানকার ভোটারটিকেও যুক্ত করেছে গোটা বিশ্বের সাথে। তাছাড়া সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হবার পর থেেেক তথ্য প্রযুক্তির মহাসড়কে বাংলাদেশের যে অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে, তাতে শরীক বাংলাদেশের ৯৯% নাগরিকই নতুন প্রজন্মের। তাদের উপর ভর করেই সফটওয়্যার রফতানী, কল সেন্টার বিজনেসে আধিপত্য লাভের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ । প্রযুক্তির গতি পথে কম্পিউটারে জ্ঞান না থাকাটাকে এখন ব্যাকডেটেড বলেই অভিহিত করা হয়। সে কারনে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের ভোটারটি বিশ্বজনীন ভোটারও বটে। তবে বোনাস হিসেবে মোবাইল কোম্পানীগুলো এদেশের নতুন প্রজন্মকে দীর্ঘদিনের সামাজিক নীতিকে ভেঙে চুরে সারারাত জেগে প্রেমালাপে উৎসাহিত করেছে। সঞ্চয়ে বিমুখ করে তাকে উদ্ধুদ্ব করেছে অপচয়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২. বর্তমান দশকে বিশ্ব অর্থনীতির যে ভয়াবহ ধ্বস নেমেছে, তা বিগত কয়েক যুগের পরিসংখ্যানকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। বিশেষ করে ৯/১১ এর পরে বিশ্ব ব্যাপী অর্থনৈতিক ধ্বস, তেলের মূল্যবৃদ্ধি, সার্বিক মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব আর সামাজিক সমস্যা এতটাই প্রকট আকার ধারন করেছে যে, তার জোয়ারে বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্তের মানুষ নিজের অস্তিত্বটুকু টিকিয়ে রাখার জন্য প্রাণান্তকর সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির করাল গ্রাসে জর্জরিত পরিবারের সদস্য হিসাবে বর্তমান প্রজস্ম বিগত কয়েক দশকের তুলনায় সবচাইতে বেশি সংগ্রাম করছে। টিকে থাকার এ সংগ্রামের বিপরীতে ইসলামপন্থী দলগুলোর কার্যকর নির্দেশনা ও উদাহরন সৃষ্টিতে ব্যর্থতা আর গতানুগতিক ‘ইসলাম বাঁচাও’ শ্লোগান কতটা প্রভাব ফেলবে তা সময়ই বলে দেবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩. প্রিন্ট আর ইলেকট্রনিক মিডিয়ার এত ব্যাপক বিস্তৃতি বিগত এক দশকে যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, আগের কোন যুগের সাথেই তার তুলনা চলে না। দেশী-বিদেশী চ্যানেলগুলো আর প্রিন্ট মিডিয়া আর কোন সময়েই এত বেশি সংখ্যক মানুষকে কাভারেজে আনতে পারেনি। এ প্রজন্মের উপরে তাদের প্রভাব কতটা ব্যাপক, তা ব্যক্তি মাত্রই উপলদ্ধি করতে পারেন। মিডিয়ার বদৌলতে বিদেশী অপসংস্কৃতির অনেক কিছুই এখন আমাদের সংস্কৃতির অংশ হিসাবে নতুন প্রজন্ম পালন করছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪. বেসরকারী পর্যায়ে গড়ে ওঠা বিশ্ববিদ্যালয়,মেডিকেল, প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আর ইংলেশ মিডিয়াম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বিগত এক দশকে যে হারে বেড়েছে, তা আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুন। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ধর্মহীন কারিকুলাম আর শিক্ষা পদ্ধতির ফসল হিসাবে যে প্রজন্ম তৈরী হচ্ছে, কিছু ব্যতিক্রম বাদে তাদের ধ্যান ধারণা, আকাঙ্খা, নিজের দেশ ও জাতির প্রতি কমিটমেন্ট, নিজেকে নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনা সব কিছুই আগের প্রজন্ম তো বটেই বরং দেশের অন্যান্য পাবলিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চাইতে ব্যতিক্রম। ধর্মীয় পরিজয়, ধর্মচর্চার তুলনায় এদের কাছে ক্যারিয়ার আর বড় হবার স্বপ্ন পূরনে প্রচেষ্টাই অনেক বড় হয়ে উঠেছে। এই জনগোষ্ঠি এখনও প্রভাব বিস্তারকারী না হয়ে উঠলেও আগামীতে এই শ্রেণীটিই রেগুলেটরী শক্তি হয়ে উঠতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫. সারা বিশ্বে বর্তমান দশকের আগে ইসলামের যে অপ্রতিরোধ্য ইমেজ ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত ছিল, ৯/১১ এ আমেরিকায় টুইন টাওয়ার ধ্বংসের পর বিশ্ব মিডিয়ার ভয়াবহ আগ্রাসনে নতুন প্রজন্মের কাছে কিছু কিছু ভুল বার্তা চলে গেছে। তাছাড়া ইসলামী নামধারী সংগঠনগুলো নিজেদের বিবাদ জিইয়ে রেখে পরস্পরের বিরোধিতায় লিপ্ত হয়ে নিজেদের অবস্থানকে আরও দুর্বল করে ফেলছে। উপরন্তু বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্ম ইসলামের নামে জঙ্গীবাদের কল্পনাতীত ভয়াবহ রূপটিও প্রত্যক্ষ করেছে এই দশকেই। শান্তি প্রিয় ইসলামী দলগুলোকে টার্গেট করে চালানো ইসলাম বিরোধী মিডিয়া আগ্রাসনে ধর্মীয়ভাবে সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে নতুন প্রজন্ম ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬. মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক সমর্থক তৈরীর বিশ্বস্থ মাধ্যমটিকে টার্গেট করে বিগত ৯৬ সালে সরকারী উদ্যোগে চালানো হয় ষ্টীমরোলার। এ ব্যবস্থা সংকোচনের প্রশাসনিক নীতি, জঙ্গীবাদের উৎসস্থল বলে ব্যাপক প্রপাগান্ডা আর অর্থনৈতিক সমস্যার কারনে এ অঙ্গনে ছাত্রসংখ্যায় প্রবৃদ্ধির হার অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তদুপরি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় নানারকম পাঠ্যক্রম আর যুগের চাহিদা অনুযায়ী পরিমার্জনায় পিছিয়ে থাকাটাও এর পেছনে দায়ী। সব মিলিয়ে বর্তমান দশকে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বর্তমান দশকে যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, তা অন্য কোন দশকেই হয়নি।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-3808105477007246848?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/3808105477007246848/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_7972.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/3808105477007246848'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/3808105477007246848'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_7972.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (৮ম পর্ব)ঃ এক দশকে নতুন প্রজন্মের যে পরিবর্তন ইসলামী দলের ইশতেহারে এবার খেয়াল রাখা হয়নি'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-4416091021169432003</id><published>2009-07-30T07:46:00.000-07:00</published><updated>2009-07-30T07:47:20.151-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (৭ম পর্ব) আওয়ামী লীগের মন্ত্রীসভায় সাবেক ছাত্র ইউনিয়নের রি-ইউনিয়ন</title><content type='html'>একটি কথা অনেক আগে থেকেই প্রচলিত আছে যে, জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা না পেয়ে বাম-কম্যুনিষ্ট গোষ্ঠী গোপন ল্য বাস্তবায়নের জন্য শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসাবে সরাসরি যোগ দিয়ে অথবা দলীয় সমঝোতায় আওয়ামী লীগের কাঁধে সওয়ার হচ্ছে। এবারের মন্ত্রীসভা তার জাজ্জ্বল্যমান প্রমাণ। দলীয় নীতি-সিদ্ধান্ত জলাঞ্জলি দিয়েই এবারের নির্বাচনে আবার পুণর্বাসিত হয়েছে বিলুপ্ত-প্রায় য়িষ্ণু বাম-সমাজতান্ত্রিক শক্তি। শুধু সংসদের আসন নয়, ২৬২ জন এমপি থাকার পরেও টেকনোক্র্যাট কোটা নিয়েও অনেক স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়ও কব্জা করেছে তারা। তাই এবারের মন্ত্রীসভাকে আওয়ামী লীগের বা মহাজোটের মন্ত্রিসভা না বলে ‘সাবেক ছাত্র ইউনিয়নের’ মন্ত্রিসভা বললেও অত্যুক্তি হবেনা।&lt;br /&gt;১. ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ঢাবির সাবেক অগ্নিকন্যা, এক সময়ের তুখোর মুজিব বিরোধী বেগম মতিয়া চৌধুরী দ্বিতীয় বারের মতো পেয়েছেন কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব।&lt;br /&gt;২. ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক ত্যাগী নেতা, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ সংসদ সদস্য না হয়েও অদৃশ্য ইশারায় পেয়ে গেছেন আইন মন্ত্রণালয়ের মতো স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়ের ভার। দায়িত্ব নেবার দুই দিনের মাথায় ঘোষণা করেছেন ধর্মনিরপে ও সমাজতান্ত্রিক আদর্শের ৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাবার প্রত্যয়।&lt;br /&gt;৩. ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের কম্যুনিস্ট পার্টির (সিপিবি) নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পরে কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম নাহিদ ১৯৯৪ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে এবার হয়েছেন শিামন্ত্রী। ইতিমধ্যেই শিাঙ্গনে ছাত্র ইউনিয়নের লোকদের পূর্ণবাসনে তিনি ব্যাপক ভূমিকা রাখছেন।&lt;br /&gt;৪. বামপন্থী সাম্যবাদী দলের নেতা ও ১৯৬৬-১৯৭০ সাল পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা দিলীপ বড়–য়া পেয়েছেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।&lt;br /&gt;৫. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুন ছাত্র জীবনে ছাত্র ইউনিয়ন করতেন, পরে যোগ দেন আওয়ামী লীগে।&lt;br /&gt;৬. ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সক্রিয় নেতা আবুল মাল আবদুল মুহিত পেয়েছেন অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব।&lt;br /&gt;৭. শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান খুলনার শ্রমিক নেত্রী ছিলেন। তার রাজনৈতিক হাতে খড়ি বামপন্থী দল থেকেই। পরে যোগ দেন আওয়ামী লীগে।&lt;br /&gt;৮. গৃহায়ন ও গণ পূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান ছাত্রজীবনে ছিলেন ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী।&lt;br /&gt;৯. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী, জাপা নেতা জি এম কাদের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ছাত্র ইউনিয়ন করতেন।&lt;br /&gt;১০. তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সক্রিয় নেতা সজ্জন ব্যক্তি বলে পরিচিত আবুল কালাম আজাদ।&lt;br /&gt;১১. স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডাঃ আ ফ ম রুহুল হকও ছাত্রজীবনে ছাত্র ইউনিয়ন করতেন।&lt;br /&gt;১২. তথ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান ছাত্রজীবনে ছিলেন ছাত্র ইউনিয়নের ডেডিকেটেড কর্মী। &lt;br /&gt;এছাড়া মন্ত্রীসভায় আরো অনেকেই আছেন, যারা একসময়ে ছিলেন সমাজতন্ত্রের আন্তরিক সৈনিক, অথচ সব সময়ই ছাত্রলীগ ছিল অন্যতম শক্তিশালী সংগঠন, নেতৃত্ব তৈরীর কারখানা। ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ করে এসেছেন; আওয়ামী লীগের এমন ত্যাগী-পরীতি নেতারা কোন ‘রহস্যজনক’ কারণে এবার পুরোপুরি উপেতি ও মন্ত্রী সভায় সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছেন। ‘সাবেক ছাত্র ইউনিয়নের’ মন্ত্রীসভা আগামীতে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার সাহস হয়তো করবে না; কিন্তু ইসলাম বিরোধিতায় যে চুড়ান্তভাবে এগিয়ে থাকবে, তার নমুনা এখন থেকেই পাওয়া যাচ্ছে। শেখ মুজিবুর বহমান ও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মর্মান্তিক পরিণতির পেছনে নিজ দলের বামদের ভূমিকা ইতিহাসের অংশ আর বিভিন্ন সময়ে বিএনপি-আওয়ামী লীগের পতনে তাদের ভূমিকাও ছিল অন্যতম। ১/১১ পরে বিএনপিকে যারা ধ্বংস করতে চেয়েছে, তাদের ব্যাকগ্রাউন্ডও সকলের জানা। তাই মহাবিজয়ের ধারায় পূর্ণবাসিত বামগোষ্ঠি আবারও আওয়ামী লীগের মহা সর্বনাশের কারণ হবে, তা সুনিশ্চিতভাবেই বলা যায়।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-4416091021169432003?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/4416091021169432003/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_4160.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/4416091021169432003'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/4416091021169432003'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_4160.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (৭ম পর্ব) আওয়ামী লীগের মন্ত্রীসভায় সাবেক ছাত্র ইউনিয়নের রি-ইউনিয়ন'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-1305494533629284190</id><published>2009-07-30T07:40:00.001-07:00</published><updated>2009-07-30T07:45:55.756-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (৬ষ্ঠ পর্ব) চরমভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বাম-সমাজতান্ত্রিক আর সুবিধাবাদী শক্তি</title><content type='html'>নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৪টি দলকেই সম্মিলিতভাবে ১% সমর্থন দেবার মতো অনুকম্পাও দেখায়নি এদেশের জনগণ। নির্বাচনের আগে এসব দল ও জোটের নেতারা নিজেদের সম্পর্কে মিডিয়ায় অনেক বড় বড় বুলি আর পরিসংখ্যান দেখালেও জনগণের কাছে এদের যে কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই, এবারের নির্বাচনে সেটাই প্রমাণিত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে কোন কোন আসনে এসব দলের প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা কোন আসনে ‘না’ ভোট বা বাতিলকৃত ভোটের চাইতেও কম ভোট পেয়েছেন। নিচের তথ্যগুলোই তার জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. ডঃ কামাল হোসেনের গণফোরাম ৪৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসন তো দূরের কথা, ৪৫ জন মিলে ১ লাখ ভোটও পাননি। নির্বাচন না করে কোনমতে মান বাঁচিয়েছেন ডঃ কামাল হোসেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২. সাম্যবাদী দল (এমএল) এর দিলীপ বড়–য়া ফাঁকতালে শিল্প মন্ত্রণালয় হাতিয়ে নিলেও তার দল পেয়েছে সাকুল্যে ২৯৭টি ভোট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩. ৭১ এ স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতা করে রাতারাতি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশে মৌলবাদ সমূলে উৎখাতের হুমকি দেয়া বাংলাদেশের কম্যুনিস্ট পার্টি ৩৭ আসনে সব মিলিয়ে ভোট পেয়েছে ৪২ হাজার ১৬৭, শতকরা ০.০৬%।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪. মহাজোটের আরেক প্রবল সহযোগী গণতন্ত্রী পার্টি ৫ আসনে লড়ে সব আসনে জামানত খুইয়ে সর্বমোট ভোট পেয়েছে ২ হাজার ২১ ভোট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫. আওয়ামী লীগের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে নৌকা প্রতীকে লড়ে আওয়ামী লীগের ভোট সমেত ঢাকা-৮ আসনে ওয়ার্কাস পার্টির নেতা রাশেদ খান মেননসহ ২টি আসনে জয় পেলেও বাকী ৫ আসনে তাদের প্রার্থীরা সবে মিলে পেয়েছেন ২ হাজার ২১ ভোট। সব আসন মিলিয়ে প্রাপ্ত ভোটের হার ০.৩৮%।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬. বিকল্প ধারা ৬৩ আসনে নির্বাচন করে তাদের দলের প্রধান ডাঃ বি চৌধুরীর দুটি আসনে জামানত বাজেয়াপ্তসহ সকল আসনে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৭. এলডিপি ১৮টি আসনে লড়ে ১৭টিতেই জামানত হারিয়েছে। তবে দলের প্রধান কর্নেল অলি আহমেদ একটি আসনে জিতে দলের মান বাচিয়েছেন। সারাদেশে ১ লাখ ৯২ হাজার ভোট পেয়ে এলডিপির প্রাপ্ত ভোটের হার ০.২৭%।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮. প্রশিকার প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে গড়ে ওঠা ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন ১১ আসনে লড়ে ভোট পেয়েছে ৩ হাজার ৫৪০ আর ৩টি সীটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবগুলোতেই জামানত হারিয়েছেন সভাপতি ডঃ কাজী ফারুক হোসেন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রাসঙ্গিক পর্যালোচনাঃ&lt;br /&gt;স্বাধীনতার পর থেকে সকল নির্বাচন পর্যালোচনা করে এবং বিভিন্ন উপাত্ত হতে কিছু  ধারণা করা যায়ঃ &lt;br /&gt;# ১৯৭৯ সাল থেকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আগের নির্বাচন অপো পরের নির্বাচনে সর্বদাই আওয়ামী লীগের সমর্থন বেড়েছে এবং বাড়ছে। তবে তা বাড়ছে গাণিতিকভাবে, জ্যামিতিক বা হুট করে অনেক বেড়ে গেছে, এমনটি নয়। যেহেতু বাংলাদেশের প্রাচীনতম দল আওয়ামী লীগের সমর্থক এমনিতেই বেশি, তাই গাণিতিকভাবে আওয়ামী লীগের গ্রোথ বাড়বে এটা স্বাভাবিক, কিন্তু ইসলামী ও জাতীয়তাবাদী শক্তির জন্য তা-ও স্বস্তিদায়ক নয়। &lt;br /&gt;# আওয়ামী লীগের সমর্থকরা দলের প্রতি সমর্থনের েেত্র জামায়াতের সমর্থকদের মতোই স্থিতিশীল আচরণ করছে। তার বিপরীতে নির্বাচনী লড়াইয়ে সবচাইতে বেশি ও অস্বাভাবিক হারে ওঠা নামা করেছে বিএনপির জনসমর্থন। অর্থাৎ একক দল হিসাবে বাংলাদেশে সবচাইতে বেশি সময় মতায় থেকেও ফিক্সড ভোটার/সমর্থনের দিক থেকে বিএনপি অনেক পিছিয়ে রয়েছে।&lt;br /&gt;# এবারের নির্বাচনে ফলাফল হতে প্রতীয়মান হয়, বয়স্ক ভোটাররা যথারীতি নিজেদের মতাদর্শ পরিবর্তন না করলেও বিপুল সংখ্যক মহিলা আর ৩১ শতাংশ নতুন ভোটারদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ছিল অনেকটাই ল্যণীয়। ভোট দেবার ক্ষেত্রে কমবেশি ৩৫ ভাগ মানুষ আওয়ামী লীগ, ৩০ ভাগ মানুষ বিএনপি, ৭ ভাগ জামায়াতে ইসলামী, ৫ ভাগ জাতীয় পার্টি এবং ১ ভাগ ভোটার ইসলামী আন্দোলন (চরমোনাই) কে ভোট দিয়ে থাকেন। সম্মিলিত জাতীয়তাবাদী ও ইসলামপন্থী ভোট ৪০ ভাগেরও বেশি। তবে ৭-১০ ভাগ ফোটিং ভোটাররাই ক্ষমতার নির্ধারক। তাছাড়া অমুসলিম ভোট ব্যাংক আওয়মী লীগের জন্য একটি আর্শীবাদ। এ তথ্য-পরিসংখ্যানগুলো  সকল রাজনীতিবিদই জানেন। &lt;br /&gt;# প্রকৃত বাস্তবতা হলো এই যে, বাংলাদেশের ইতিহাসে সমঝোতা বা জোট ব্যতীত কখনই জাতীয়তাবাদী শক্তি এককভাবে ক্ষমতায় যেতে পারেনি। তাই জোটের প্রয়োজনীয়তা নেই বলে কোন দল নিজের বড়ত্ব দেখাবার সুযোগ অন্তত বাংলাদেশের আগামী দিনের রাজনীতিতে নেই।&lt;br /&gt;# এবারের নির্বাচন বাদ দিলে ক্রমান্বয়ে কমেছে জাতীয় পার্টি এবং বাম ও সমাজতান্ত্রিক দলগুলোর সমর্থন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দল................... ১৯৭৯......... ১৯৮৬...... ১৯৯১...... ১৯৯৬...... ২০০১...... ২০০৮&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আওয়ামী লীগ..............২৭.৩৩%... ২৬.৮৪%... ৩১.৮১%... ৩৭.৪৪%... ৪০.২১%... ৪৮.০৬%&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিএনপি................ ৪১.১৬%... অংশ নেয়নি... ৩০.৮১%... ৩৩.৬১%... ৪০.৮৬%... ৩২.৪৫%&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জাতীয় পার্টি...............--........৪২.৩৪%... ১১.৯২%... ১৬.৪০%... ৭.১৬% ... ৭.৫%&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জামায়াত.................--....... ৪.৬১%... ১২.১৩%... ৮.৬১%... ৪.২৯%... ৪.৬০%&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাম-সমাজতান্ত্রিক দল..........৪.২৫%.... ৪.৩%... -.......... ০.২৩%... ০.১৫%... ১%এর কম&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-1305494533629284190?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/1305494533629284190/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_3081.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1305494533629284190'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/1305494533629284190'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_3081.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (৬ষ্ঠ পর্ব) চরমভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বাম-সমাজতান্ত্রিক আর সুবিধাবাদী শক্তি'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-5648030230148256788</id><published>2009-07-30T07:37:00.000-07:00</published><updated>2009-07-30T07:38:52.822-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ ( ৫ম পর্ব ) --- অবাধ(!) ও সুষ্ঠু(!) নবম সংসদ নির্বাচনঃ পোস্টমর্টেম সামারি</title><content type='html'>অনেক সংশয়-সন্দেহের পর আলোচনা-সমালোচনা ও আন্দোলনের ফসল হিসাবে ২০০৮ এর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়ে গেল বাংলাদেশের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দেশের মানুষ, রাজনীতিবীদ আর বোদ্ধা মহলকে স্তম্ভিত করে দিয়ে ৪২ শতাংশ জনসমর্থন নিয়ে ২৩০টি আসনে বিষ্ময়কর বিজয় লাভ করে আওয়ামী লীগ আর ৩২ শতাংশ ভোট পেয়েও বিএনপি পেয়েছে ২৯টি আসন । অপরদিকে এই নির্বাচনে সাড়ে ৭ শতাংশ ভোটে জাতীয় পার্টি ২৭ আসন পেলেও প্রায় ৫ শতাংশ ভোট পেয়ে জামায়াত পেয়েছে মাত্র ২টি আসন। ওয়ার্কাস পার্টি, জাসদ সব মিলিয়ে ১ শতাংশের কম ভোট পেয়ে ৫টি আসনে বিজয় লাভ করলেও ১.০৫ শতাংশ ভোট পেয়ে সকল আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের। মহাজোটের এই বিপুল বিজয়ে চার দল বা সাধারন মানুষ তো বটেই, আওয়ামী লীগও রীতিমতো বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে গেছে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ১৪২টি আসন নিয়ে ২১ বছর পর রাষ্ট্র ক্ষমতায় এলেও যেখানে বিএনপি ১১৬টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবারের ফলাফল সত্যিই অবিশ্বাস্য। স্বয়ং আওয়ামী লীগের নেতারাও এ কথা নির্বাচনের পরদিন মিডিয়ার সামনে অকপটে স্বীকার করেছেন। ইতিমধ্যেই নির্বাচন নিয়ে অনেক এনালাইসিস হয়ে গেছে, মিডিয়ায় চলছে রমরমা আলোচনা, টক শো আর পরাজিত দলগুলোর ভেতরে চলছে নানা আলোচনা- পর্যালোচনা আর অনুসন্ধানের কাজ। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ ভোট গ্রহণে বিশ্ব রেকর্ড&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইলেকশন কমিশন ২৯ ডিসেম্বর জাতিকে যে নির্বাচন উপহার দিয়েছেন, তাতে বাংলাদেশের তো বটেই, বিশ্বের ইতিহাসে নজীরবিহীন উপমার সৃষ্টি করেছে। এবারের নির্বাচনে ‘এক মিনিটে একটি ভোট’ কাস্ট করে, এমন কি কোন কোন ক্ষেত্রে তার চাইতেও স্বল্পতম সময়ে ভোটগ্রহণ করে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন ‘গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’ এ নাম লেখাতে চলেছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নির্বাচন কমিশনের তালিকা অনুযায়ী এবার ৩৫ হাজার ২৬৩ টি ভোট কেন্দ্রে বুথের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৭টি। আর ৮ কোটি ৮ লাখ ৪৬ হাজার ভোটারের মধ্যে ৮ ঘন্টায় (সকাল ৮টা-বিকাল ৪টা) পর্যন্ত ৭ কোটি ৩ লাখ ৫৭ হাজার ভোট কাস্ট করা হয়েছে। অর্থ্যাৎ গোটা দেশের ভোট কেন্দ্রগুলোতে ১৭৭২৭৭ টি বুথের প্রতিটিতে মিনিটে প্রায় ১টি করে ভোট পড়েছে। নিউ এজ পত্রিকার সাংবাদিক তায়িব আহমেদ লিখেছেন, ‘ইলেকশন কমিশনের পরিসংখ্যান বলছে, ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনে একেক জন ভোটার ভোট দেবার জন্য গড়ে মাত্র ৭২ সেকেন্ড সময় নিয়েছেন’।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শুধু তাই নয়, ৮৮টি কেন্দ্রে মিনিটে ৪/৫টি করে ভোট কাস্ট হয়েছে। চারদলের দুর্গ বলে পরিচিত রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ভোটকেন্দ্র গুলোতেই এ ঘটনা বেশি ঘটেছে। বলে রাখা ভালো, এই ৮৮ আসনের ৭৭টিতেই বিজয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ আর চারদল ও স্বতন্ত্র মিলে পেয়েছে বাকী আসন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাস্টিং ভোটের রেকর্ড ভাঙল এবারের নির্বাচন&lt;br /&gt;নির্বাচন প্রদত্ত ভোটের হার&lt;br /&gt;১৯৭০ (৭ ডিসেম্বর) ৫৭.৬৮%&lt;br /&gt;১৯৭৩ (৭ মার্চ) ৫৫.৬১%&lt;br /&gt;১৯৭৯ (২৮ ফেব্রু) ৫১.২৯%&lt;br /&gt;১৯৮৬ (৭ মে) ৬৬.৩১%&lt;br /&gt;১৯৮৮ (৩ মার্চ) ৫১.৮১%&lt;br /&gt;১৯৯১ (২৭ ফেব্রু) ৫৫.৪৫%&lt;br /&gt;১৯৯৬ (১৫ ফেব্রু) ২৬.৫৪%&lt;br /&gt;১৯৯৬ (১২ জুন) ৭৪.৯৬%&lt;br /&gt;২০০১ (১ অক্টোবর) ৭৫.৫৯%&lt;br /&gt;২০০৮ (২৯ ডিসেম্বর) ৮৭.১৭%&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বরের যে ঐতিহাসিক নির্বাচনে আপামর জনসাধারন নির্বিশেষে ভোট দিয়েছিল, সে নির্বাচনেও ভোট পড়েছিল ৫৭.৬৮% । অথচ ৪০ বছরের রেকর্ড ভেঙে এবারের নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৮৭.১৭%। ৯০% থেকে ৯৫.৪৩% ভোট পড়েছে ৮৮টি আসনে। ১৪টি আসনে প্রদত্ত ভোট ৯৪ শতাংশের উপরে। আর চারটি আসনে প্রদত্ত ভোট ৯৫.২৬% হতে ৯৫.৪৩%।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাজশাহী-৫ আসনে গৃহীত ভোটের হার ছিল ৯৪.৮৯%, যা গোটা বাংলাদেশে সর্বোচ্চ। না ভোট আর বাতিল ভোট যোগ করলে প্রদত্ত ভোট দাড়ায় ৯৬.৫৪%, যা অতীতের সকল রেকর্ডকে ভেঙে দিয়েছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এ আসনের ৯২ টি কেন্দ্রের মধ্যে কালীগঞ্জ সরকারী প্রাঃ বিদ্যাঃ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৫,১২৯ হলেও প্রাপ্ত ভোট ৫,৪০২ এবং ভোট গ্রহনের হার ১০৫.৩২%। দীঘলকান্দি সরকারী প্রাঃ বিদ্যাঃ কেন্দ্রে ১০০%, পালশা সরকারী প্রাঃ বিদ্যাঃ কেন্দ্রে ৯৯.২%, নান্দিগ্রাম, আড়াইল ও মাহেন্দ্রা সরকারী প্রাঃ বিদ্যাঃ কেন্দ্রে যথাক্রমে ৯৭.২৩%, ৯৭.৩২%ও ৯৭%। ৯৬ থেকে ৯৬.৯৯ ভাগ ভোট পদেছে ৩১টি কেন্দ্রে আর ৯৫ থেকে ৯৫.৯৯ ভাগ ভোট পড়েছে ২৯টি কেন্দ্রে। না ভোট, বাতিলকৃত ভোট আর ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার হতে আনসার ভিডিপি ৩,১০৩ দের ভোট যোগ করলে ১০০% ভোট পড়েছে এমন কেন্দ্র মোট ৬৬টি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাবেক বানিজ্য উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান বৃহত্তর রংপুর, খুলনা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ১১৯টি আসন পর্যালোচনায় প্রমাণ করেছেন, এর প্রতিটিতে বিগত এক যুগে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতে ভোট প্রদানের হার ৬৭% থেকে ৮৯% এ মধ্যে উঠানামা করেছে এবং ৪১টি আসনে ১৯৯৬ সাল অপেক্ষা ২০০১ সালে ভোট প্রদানের গড় হ্রাস পেয়েছিল, যা যে কোন নির্বাচনের সাধারন চরিত্র। অথচ বিষ্ময়কর ভাবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে এই আসনগুলোর একটিতেও ভোট প্রদানের হার তো কমেইনি বরং সমান হওয়া দূরে থাক, উল্টো বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। তার ধারণায়, অন্তত ১০ শতাংশ ভুতুড়ে ভোট এবারের প্রকৃত প্রদত্ত ভোটের সাথে সংযুক্ত করেই চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে। (নয়াদিগন্ত-৭ জানু’০৮) একথাটি কতখানি সত্য তা ১২ ডিসেম্বরে নোয়াখালী-১ আসনের নির্বাচনেই প্রমাণ হয়েছে। চারদল আর মহাজোট উভয়ই প্রাণপণ এ আসনে জেতার চেষ্টা করেছে। উভয়ই চেষ্টা করেছে নিজ নিজ ভোটারদের সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে। বাস্তবতা দাড়িয়েছে এত চেষ্টার পরেও ভোট প্রদানের হার ৭৮% আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও বিএনপি প্রার্থী এ আসনে জিতেছেন ২৩ হাজার ভোটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের প্রামান্য চিত্র&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রতিটি কেন্দ্রে যে পরিমাণ ভোটার রয়েছে, তার চেয়েও অধিক ব্যালট পেপার ছাপার ও সরবরাহের খবর এবং নির্বাচনের দুই দিন আগে থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যালট পেপারের সংবাদ দেশের পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয় । ২৮ ডিসেম্বর’০৮ রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল বৈঠকে সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফ মন্তব্য করেন, এবারের নির্বাচনে মানুষ সুষ্ঠুভাবে ভোট দেবে, সে পরিবেশ এখনও আছে; কিন্তু ভালোভাবে ভোট গণনা হবে কিনা সেটাই আশঙ্কা। ভোট দেবার ক্ষেত্রে কোনো সঙ্ঘাত হবেনা, কিন্তু রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসার ঠিক আছেন কিনা- তা দেখতে হবে। (নয়াদিগন্ত-২৯ডিসেঃ)&lt;br /&gt;আর নির্বাচনের পর দিন থেকে সারা দেশ থেকে আসতে থাকে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের কিছু কিছু নমুনা। এর পরই অবশ্য নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার (অবঃ) সাখাওয়াত সাহেবের গর্জনে মামলার ঝামেলা পড়ার ভয়ে মিইয়ে যায় প্রতিবাদী মানুষের কথা বলার সাহস। কয়েকটি নমুনা দেখলেই সারাদেশের পরিস্থিতি কিছুটা আঁচ করা যাবে।&lt;br /&gt;১. সিলেট-২ আসনে রামপাশার দোহাল প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দেয়ালের পেছনে পাওয়া গেছে প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর দেয়া, ধানের শীষে সিল দেয়া শত শত ব্যালট পেপার, ছেঁড়া ও পুড়িয়ে ফেলা অবস্থায়। আরো একটি কেন্দ্রে ধানের শীষের ব্যালটে ডাবল সিল থাকায় (ভোটার ভালোবেসে দুবার সিল মেরেছে) বাতিল হয়েছে ২৭৮টি ব্যালট। (আমার দেশ-২ জানু)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২. সিলেট-৩ আসনে প্রিজাইডিং অফিসার নির্মল বণিক ভোট গ্রহণের পর তিন ঘন্টার পরও ফলাফল ঘোষনা করেননি। কারণ হিসাবে তিনি বলেন, ভোট তিনবার গণনার প্রয়োজন হয়েছে। (আমার দেশ-২ জানু) &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩. চাঁদপুর-৩ আক্কাস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে বল খেলতে গিয়ে বাচ্চারা কুড়িয়ে পায় একই হাতে টিপ সই দেয়া তিনটি ব্যালট পেপারের মুড়ি (প্রতি বইয়ে ১০০ ব্যালট থাকে)। (সংগ্রাম-৩জানু)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪. কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী গোড়ক মন্ডল সরকারী বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে নির্বাচনের এক দিন পর ৩ হাজার ৪০০ ব্যালট পেপারের মুড়ি এবং কিছু অব্যবহৃত ব্যালট পেপার উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ব্যালট পেপারের মুড়ি ও বৈধ ভোটের হিসাব করে ১৮৭টি ব্যালট পেপারের হদিস পাওয়া যায়নি। এর আগের দিনই তুচ্ছ কারনে গ্রেফতার করা হয় এ আসনে ৪ দলের প্রার্থীর আপন ভাই ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্টকে। (আমার দেশ-১জানু)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫. গাজীপুর-৩ আসনের সালনা নাসিরউদ্দিন মেমোরিয়াল উঃ বিদ্যালয়ে নির্বাচনের ছয় দিন পর পরিত্যাক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে ১০০টি ব্যালট পেপারের মুড়ি। (নয়াদিগন্ত-৫ জানু)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৬. রাজশাহী-৫ আসনের কালীগঞ্জ সরকারী প্রাঃ বিদ্যাঃ কেন্দ্রে মোট ভোটার ৫,১২৯ হলেও প্রাপ্ত ভোট ৫,৪০২ এবং ভোট গ্রহনের হার ১০৫.৩২ শতাংশ।&lt;br /&gt;উপজেলা নির্বাচনে কি হয়েছে, তার সাক্ষী সমস্ত ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও দেশের সকল সচেতন নাগরিক। তাই এর বর্ণনা দিয়ে আর ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটালাম না।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-5648030230148256788?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/5648030230148256788/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_2080.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/5648030230148256788'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/5648030230148256788'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_2080.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ ( ৫ম পর্ব ) --- অবাধ(!) ও সুষ্ঠু(!) নবম সংসদ নির্বাচনঃ পোস্টমর্টেম সামারি'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-3016553048990745549</id><published>2009-07-30T07:36:00.000-07:00</published><updated>2009-07-30T07:37:28.909-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (৪র্থ পর্ব ) সাফল্য ব্যর্থতার মাঝে মালয়েশিয়ায় ইসলামপন্থীদের এগিয়ে চলা</title><content type='html'>১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করা মালয়েশিয়ার প্রধান ইসলামপন্থী দল পার্টি ইসলাম সে মালয়েশিয়া (পাস) একটি ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের লক্ষ্যে ক্রমাগত অগ্রসর হয়। প্রতিষ্ঠার চার বছরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচনে একটি আসন লাভের করার পর দলের নেতৃত্ব জাতীয় রাজনীতিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করে ও একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো, দলকে তৃণমূলে বিস্তৃত করা, সদস্য বৃদ্ধি, দলের মূল দাওয়াতকে আরও ছড়িয়ে দেয়া এবং দলের নীতি নির্ধারনী মহলকে আরও দক্ষ করার জন্য মনোযোগী হয়। ১৯৫৯ সালে এসে ১৩টি জাতীয় আসনসহ উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ কেলান্তান ও তেরেঙ্গানু প্রদেশে পাস বিপুল বিজয় লাভ করে। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে পাস হচ্ছে প্রথম দল যারা নির্বাচনে জিতে ক্ষমতাসীন হয়, যা মুসলিম বিশ্বের ভেতরেও অন্যতম। ১৯৬৪ সালে এসে আবারও পাস এর হাতছাড়া হয়ে যায় তেরেঙ্গানু প্রদেশ। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৬৯-৭২ পর্যন্ত আভ্যন্তরীন সমস্যায় জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হলে পাস ধর্মনিরপেক্ষ দল ‘উমনো’ (টগঘঙ) এর সাথে কোয়ালিশন করে। সরকার ও রাজনীতিতে আপোষ করে চলার নীতি মানা-না মানা নিয়ে আভ্যন্তরীন আলোচনা ব্যাপকতর হয়। এ মতানৈক্যে একপর্যায়ে দলীয় নেতৃত্ব প্রচলিত রাজনীতি ও জাতিমুখী ভাবধারার পরিবর্তে নিজেদের আদর্শকে আরও জোরদার করার করে ও দলকে অধিকতর ইসলামিকরনের দিকে মনোযোগী হয়। এক পর্যায়ে টগঘঙ এর সাথে কোয়ালিশন ভেঙ্গে যায়। ১৯৭৭ সালে একটি মালয়েশিয়ার প্রধান ইসলামী দলটির একটি অংশ পাস থেকে বেরিয়ে গিয়ে অন্য দলে যোগ দেয় এবং ৭৮ এর নির্বাচনে ব্যাপক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে পাস । কেলান্তান প্রদেশে ১৯টি থেকে আসন সংখ্যা কমে নেমে আসে ২টিতে আর তেরেঙ্গানু প্রদেশে হারায় সবকটি। প্রতিষ্ঠার পরে এটিকে পাসের জন্য ‘সবচাইতে বড় মানসিক আঘাত’ বলে বিবেচনা করা হয়। ১৯৮১ সালে ক্ষমতাসীন হয়ে প্রধানমন্ত্রী ডাঃ মাহাথির মোহাম্মদ তার দীর্ঘ ২২ বছরের শাসনামলে মানুষের দৃষ্টিকে আলেম সমাজ ও ইসলামপন্থীদের নিকট থেকে দূরে সরিয়ে দেবার জন্য সর্বশক্তি নিয়োগ করেন। পাসের উত্থান এবং সাংগঠনিক ও নেতৃত্ব তার জন্য ভবিষ্যতে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে- এ আশঙ্কায় ক্ষমতায় এসেই মাহাথির প্রথম থেকেই এ বিষয়ে মনোনিবেশ করেন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৭০ সালে পাসের মূল নেতৃত্ব পরিবর্তিত হলে, সর্বাগ্রে দলের ভেতরে ইসলামী আদর্শ-লক্ষ্য ও সঠিক চর্চার দিকে নজর দেয়া হয়। এজন্য একটি ওলামা কমিটিও করা হয়। দলে নতুনভাবে সৃষ্টি করা হয় সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতার পদ। এ পর্যায়ে পলিসি প্রণয়ন ও কৌশল নির্ধারনের জন্য দলের গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারনী অবস্থানে বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েট, বুদ্ধিজীবি এবং বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিত্ব আনার চিন্তা করা হয়। ওলামা কাউন্সিলের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘কাউন্সিল অব ওলামা এন্ড ইসলামিক ইন্টালেকচুয়্যালস’ রাখা হলেও ফলঃত এ উদ্যোগ খাতা কলমেই রয়ে যায়। পাসের এ গতিবিধিতে দুরদর্শী মাহাথির সরকার ধীরে চল নীতি পরিবর্তন করে ব্যাপক বিরোধিতার নীতি গ্রহণ করে। নানা নিবর্তনমূলক আইন করে, সরকারী গোয়েন্দা বাহিনী দিয়ে নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার, হয়রানী, দেশের সার্বভৌমত্বে বিরোধী বলে মিডিয়ায় ব্যাপক প্রপাগান্ডা চালানো হয়। প্রকাশ্য দিবালোকে ও গুপ্ত হত্যার স্বীকার হয় অনেক নেতা কর্মী। নির্যাতনে বিপর্যস্ত পাস ১৯৮০ সালের নির্বাচনে ভালো করতে ব্যর্থ হয়। এর পরের নির্বাচনগুলোতে পাসের অবস্থান কমবেশি স্থিতিশীল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বর্তমানে পাস ৮ লক্ষ সদস্য নিয়ে দেশের বৃহত্তম বিরোধী দলের অবস্থানে রয়েছে, সাথে সাথে পুরাতন কেলান্তান ও তেরেঙ্গানু প্রদেশ ছাড়াও কেদাহ ও পারলিস প্রদেশে সাফল্য লাভ করেছে। বিগত সময়ের উত্থান-পতনকে ব্যাপক বিশ্লেষন করে পাস কৌশল প্রণয়ন করেছে। মাহাথিরের শাসনামলে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির কারনে সরকারের ক্রম হ্রাসমান জনপ্রিয়তাকে টার্গেট করে তৃণমূল থেকে জনগোষ্ঠির মতামতকে গুরুত্বদান ও ইসলামী কাঠামোর ভেতরে থেকে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করনের দিকে নজর দেয়া হয়েছে। ২০০৩ সালে মাহাথিরের উত্তরসূরী বাদাবী ক্ষমতাসীন হবার পর কিছু ক্ষেত্রে ইসলামী ভাবধারা সমুন্নত রাখার নীতি গ্রহনের ফলে সাধারন মানুষ বিশেষ করে মালয়ী মুসলমানদের কাছে পাসের আহবান আরও পরিষ্কার হতে থাকে, ২০০৪ সালের নির্বাচনে তার প্রভাব পড়ে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০৬ সালে গণভিত্তি আছে, এমন এলাকায় অত্যন্ত মার্জিনাল বিজয় পাসকে ভবিষ্যতের ব্যাপারে আবারও আশঙ্কিত করে তুলেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে দলীয় সমর্থকদের পর্যালোচনা ও বিশ্লেষন সঠিক অবস্থাকে তুলে ধরতে না পারার বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। বিগত সকল নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনায় বেরিয়ে আসে- দলীয় নেতৃত্ব ও নীতি নির্ধারনী মহলের সিদ্ধান্তই একেক সময়ে পাসের উত্থান ও পতনের জন্য মূল ফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করেছে। ব্যক্তি বিশেষের প্রবল ক্ষমতাধর হয়ে ওঠা ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তাদের মত বেশিরভাগ সময়েই সর্বাগ্রে প্রাধান্য পাওয়ায় পাস জাতীয় রাজনীতিতে অনেক সময় বিপর্যস্ত হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ সত্য উপলদ্ধি করে দলের অবস্থা সঠিকভাবে পর্যবেক্ষন এবং নির্বাচনে জয় পরাজয়ের আসল কারন অনুসন্ধান করে তা সমাধানে পরামর্শ দেবার জন্য পাস সম্প্রতি দলীয়ভাবে একাধারে সমর্থক ও সমালোচক- এমন ২০জন সাংবাদিককের প্যানেল নিয়োগ করেছে। সঠিক ফিডব্যাক পাবার জন্য বাহির থেকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয়ার ঘটনা দলের ইতিহাসে এটাই প্রথম। প্যানেল ব্যাপক পর্যবেক্ষন শেষে সুপারিশ মালা প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়নে তিনটি আভ্যন্তরীন দুর্বলতাকে প্রধান বলে দায়ী করে;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১. নেতৃত্ব স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের অসহিষ্ণু মনোভাব এবং নিজেকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে জাহির করা ও অন্যের মতকে হেয় প্রতিপন্ন করার মনোভাব (রিপোর্টে যেভাবে বলা হয়েছে, হুবহু তুলে দিলাম- লেখক)&lt;br /&gt;২. দুর্বল মিডিয়া দিয়ে প্রতিপক্ষের মোকাবেলা &lt;br /&gt;৩. নতুন প্রজন্ম ও অমুসলিমদের কাছে নিজেদের গ্রহণ যোগ্যতা প্রমাণে ব্যর্থতা, বিশেষ করে ৯০% নতুন ভোটারের কাছে গ্রহণযোগ্যতা না পাওয়া&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ সুপারিশগুলোকে সামনে রেখে সুইং ভোটারদেরকে ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে পাস কৌশল গ্রহণ করে এবং ;&lt;br /&gt;১. ক্ষমতাসীন এলাকায় দলীয় প্রতিনিধিদের পারফর্মেন্স বৃদ্ধি ও জনগনের কাছে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তৎপর হয়। &lt;br /&gt;২. দলের আদর্শকে সমুন্নত রেখে সাধারন মানুষের কাছে যাবার জন্য কৌশলগত পরিবর্তন আনা হয়। ইসলামী রাষ্ট্র গঠণই মূল লক্ষ্য- এ জাতীয় ভাষার বদলে নাগরিক সমস্যা হতে পরিত্রান, মিডিয়ার স্বাধীনতা, দেশের সকল জনগোষ্ঠির ভেতরে সেতুবন্ধন রচনা ও নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করা এবং দলে নারীদের ভূমিকা আরও বাড়ানোর জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।&lt;br /&gt;৩. একদিকে বিদগ্ধ আলেম ও অপরদিকে বহুভাষী, বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয় হতে পাস করা ইসলামপন্থী স্কলার, যারা মিডিয়ার সামনে দলের প্রতীক হিসাবে বিবেচিত হতে পারেন, এমন ব্যক্তিদের সামনের কাতারে নিয়ে আসা হয়। &lt;br /&gt;৪. তৃণমূল থেকে সরাসরি মতামত তুলে আনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।&lt;br /&gt;৫. সংখ্যালঘু ও অমুসলিমদের মাঝে দুরত্ব কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা নেয়া হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই- &lt;br /&gt;১. ২০০৫ সালে মহিলাদের ভেতর গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে দলের নারী স্কলার ও দেশের নারীবাদী গোষ্ঠির ভেতরে ইসলামে নারীর অধিকার বিষয়ে বিরাট ও উন্মুক্ত বিতর্কের আয়োজন করে।&lt;br /&gt;২. পলিসি প্রণয়ন এবং তাদের দাবী দাওয়া জানতে ও পাসের ব্যাপারে ভুল ধারণা শুধরে, সুসম্পর্ক স্থাপনে সংখ্যলঘুদের নেতাদের নিয়ে গ্র্যান্ড ডিনারের আয়োজন করা হয়।&lt;br /&gt;৩. সংখ্যালঘুদের মধ্য থেকে একজন নেতাকে দলের প্রধান প্রতিনিধি হিসাবে মনোনয়ন দেয়া হয়, অবশ্য এ নিয়ে দলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল।&lt;br /&gt;৪. ২০০৫ সালে প্রথমবারের মতো একজন নারী চিকিৎসক দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন, যদিও তিনি জিততে পারেননি।&lt;br /&gt;৫. ইন্টারনেটে দেশের জনপ্রিয় কম্যুনিটি সাইট ও ব্লগগুলোতে অব্যাহত প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান সঠিক ভাবে তুলে ধরতে নামী ব্লগারদের নিয়োগ দেয়া হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এসব ছাড়াও গৃহীত বিভিন্নমুখী কৌশল ইতিমধ্যেই দেশের মানুষের ভেতর বিপুল সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছে এবং বিশ্লেষক মহল পাসের ভবিষ্যত সাফল্যের ব্যাপারে এখন থেকেই সরকারকে আগাম আভাস জানিয়েছেন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-3016553048990745549?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/3016553048990745549/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_4863.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/3016553048990745549'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/3016553048990745549'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_4863.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (৪র্থ পর্ব ) সাফল্য ব্যর্থতার মাঝে মালয়েশিয়ায় ইসলামপন্থীদের এগিয়ে চলা'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-6029867879259231340</id><published>2009-07-30T07:34:00.001-07:00</published><updated>2009-07-30T07:36:10.147-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (৩য় পর্ব)পশ্চিমা বিশ্বকে চমকে দেয়া হামাসের বিজয়ের নেপথ্যে</title><content type='html'>২০০৫ সালের ১৫ জানুয়ারী গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়ে কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ফাতাহ মুভমেন্টকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে পার্লামেন্ট ইলেকশনে বিজয় লাভ করে ফিলিস্তিনী প্রতিরোধ আন্দোলন-হামাস। পশ্চিমা মিডিয়ায় হামাস একটি সন্ত্রাসী ও গণবিচ্ছিন্ন সামরিক সংগঠন বলে ব্যাপক প্রচারনা চললেও জনগনের ভোটে বিজয়ের পরে তাদের মুখে কালি পড়ে। ক্ষমতাসীন ফাতাহ মুভমেন্টের মতোই হামাসের জন্ম সামরিক মূলনীতি সামনে রেখে হলেও ফাতাহের ন্যায় এখনও তারা পশ্চিমা কৌশলের সাথে আপোষ করেনি। যার ফলস্বরূপ জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসেও তারা ব্যাপক বিরোধিতা, অর্থনৈতিক অবরোধ, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না পাওয়াসহ পশ্চিমা আগ্রাসনের মুখে পড়ে, যা আগামী দিনে যে কোন ইসলামী শক্তির জন্য শিক্ষনীয়। তবে সে প্রসঙ্গ, আলাদা আলোচনার বিষয়। &lt;br /&gt;গণতান্ত্রিক পন্থায় পার্লামেন্টে হামাসের এ বিপুল বিজয়ের কারণ খুঁজতে গিয়ে লস এঞ্জেল্স টাইমস এর সাংবাদিক কিম মারফি এক মাস ব্যাপক অনুসন্ধানের পর উক্ত পত্রিকায় ‘সমাজকল্যাণ মূলক কাজই হামাসের বিজয়ের ভীত গড়ে দিয়েছে’ শিরোনামে বিরাট নিবন্ধ লেখেন। &lt;br /&gt;তার মতে, যদিও সামরিক দল হিসাবে খুবই দুর্ধর্ষ, কিন্তু তার চাইতেও নিজেদের খাদ্য ভান্ডার, মানসম্পন্ন স্কুল আর কিনিকগুলোর জন্যই হামাস ফিলিস্তিনিদের কাছে বিপুল জনপ্রিয়। যেমন ধরুন সামান্য দাঁত ফিলিং বা লাগানো, একটি সাধারন কিনিকে খরচ ১৭ ডলারের তুলনায় হামাসের আল কুদস কিনিকে তা ১৫ ডলার পার্থক্যের কথা বাদই দিলাম; তারা অতিরিক্ত যা দিচ্ছে, সেটাই হলো অন্যদের সাথে তাদের মূল পার্থক্য। আর তা হল একটি নিরাপদ ইসলামী পরিবেশ, যেখানে আপনি একজন ডাক্তার পাবেন, যে শুধু দক্ষ ডাক্তারই নয়, বরং একজন ভালো মুসলিম। একথাটি কিম শুনেছিলেন নেকাবে মুখাবৃত কালো হিজাবধারী ১৪ বছরের যুবতী, নাজওয়া আবু মুসতাফার কাছ থেকে। সে প্রচন্ড রোদে আরও অনেক মহিলার সাথে হামাস পরিচালিত একটি কিনিকের বাইরে অপেক্ষমান ছিল। আবেগাপ্লুত হয়ে সে কিমকে বলেছিল, ‘আপনার মনে হবে স্বয়ং আল্লাহর হাতেই আপনি দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন’। গাজা উপত্যকা ও পশ্চিম তীরে অবস্থিত বড় বড় উদ্বাস্তু শিবিরগুলো ঘিরে গড়ে উঠেছে এক হাজারেরও বেশি মেডিকেল সেন্টার, লঙ্গরখানা, গ্রীষ্মকালীন আশ্রয় আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যার অধিকাংশই পরিচালনা করে হামাস। &lt;br /&gt;দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েই স্থানীয় নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে নিজেদের কাজের স্বীকৃতি পেয়েছে হামাস। সরকারে থাকা ফাতাহ দলের কর্মকান্ড যেখানে দুর্নীতিযুক্ত, সামাজিকভাবে অকার্যকর প্রমাণিত ও সমালোচিত হয়েছে, সেখানে হামাস নিজেদেরকে দুর্নীতির উর্ধ্বে রেখে উচ্চমানের সেবা দেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছে। মানুষের দুয়ারে সেবা পৌছে দেয়ার এই কার্যক্রমই তৃণমূলের সাধারন মানুষের কাছে বিরাট বিষয় হিসেবে ধরা দিয়েছে অথচ এদেরকেই খুনী বলে প্রচারনা চলছে বহিঃবিশ্বে আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার দোসর ইসরাইল হামাসকে সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে বিভিন্ন ইসলামী সাহায্য সংস্থা কর্তৃক মানবিক সাহায্য প্রদানে হস্তক্ষেপ করায়, সেবা প্রদানের জন্য হামাসের অর্থ সংগ্রহের পথও রুদ্ধ হয়ে গেছে। তারপরেও সাধারন মানুষের সমর্থন নিয়ে এখনও হামাস নেতাদের আগের মতই দণ্ডায়মান এবং নিজেদের লক্ষ্য বাস্তবায়নে অবিচল দেখে বিশ্লেষকরা নানা মন্তব্য করেছেন।&lt;br /&gt;হামাস নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সামাজিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষনে আসা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের প্রতিনিধি মইন রব্বানী কিমকে জানান, হামাস নিজেদের সামাজিক কাজ গুলোকে ভাগ ভাগ করে বাস্তবায়নে অত্যন্ত পারঙ্গম, হোক সেটা সামান্য সুপ রান্না। সুপ রান্না হলে তারা সেটাও বিতরন করবে, সাথে অন্য কিছু দিতে পারুক আর নাই পারুক। কিন্তু সেটাই বিশাল জনসমর্থনকে হামাসের দিকে ঘুরিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট আর নিজের সংগঠনের জন্য সমর্থন কামনা করার একটি মাধ্যম। &lt;br /&gt;দুই দশক ধরে মুযাম্মা ইসলামী নেটওয়ার্ক, আল সালেহ সোসাইটি, দি ইসলামিক সেন্টার, গাজা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো অনেক বড় বড় ইসলামী সাহায্য সংস্থা ঘনিষ্ঠভাবে হামাসের সংস্পর্শে এসেছে, কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের মতে এমন উদাহরন খুব কমই আছে যে, সন্ত্রাসী কাজে সমর্থন যোগাতে কৌশলে এসব সহায়তাকে ভিন্ন পথে চালিত করা হয়েছে। গাজার একজন মুখপাত্র সামি আবু জুহরী কিমকে বলেন, হামাসের সাহায্য লাভের উৎস খুবই সীমিত, তারপরেও ফিলিস্তিনের সাধারন মানুষের কষ্টে এগিয়ে আসার জন্য হামাসের প্রচেষ্টার কোন ক্ষান্তি নেই। সাধারন মানুষ হামাসের এই দায়িত্ববোধ আর তার সংগঠনের মাধ্যমে পরিবর্তনের যে আপ্রাণ প্রচেষ্টা- সেটাকেই বড় করে দেখে। &lt;br /&gt;গাজার দাইর আল বালাদ এলাকায় ১০০০ হাজার এতীম ও অন্যান্য শিশুদের জন্য কনক্রীটের কঙ্কাল আর ধুলোয় ধুসরিত রাস্তা দিয়ে ঘেরা, বেড়া দিয়ে নির্মিত একটি স্কুল পরিচালনা করে আল সালাহ সোসাইটি। স্কুলটির সামনে ঝুলছে দুটি ব্যানার, যার একটিতে লেখা রয়েছে, ‘মুসলমানরাই বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি’, আর অপরটিতে ‘যারা অধিক জ্ঞানার্জন করে, তাদের জন্য জান্নাতে থাকবে বিশেষ মর্যাদা’। স্কুলটির ডিরেক্টর আহমেদ কুর্দ সম্প্রতি সেখানকার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন এবং ৩টি আসনের দুটোতেই জিতেছে হামাস। তার কাছ থেকেই জানা গেল হামাসের দায়িত্ববোধের কথা। ২০০৪ সালে যখন ইসরাইলী বাহিনী দণি গাজার রাফা উদ্বাস্তু শিবিরে বড় ধরনের হামলা চালিয়ে ১৫০০ মানুষকে গৃহহীন করে, তখন হামাসের স্বেচ্ছাসেবকরা সাহায্য সংগ্রহের জন্য হ্যান্ডমাইক সহকারের ঘরে ঘরে যায়, রাস্তার মোড়ে এবং মসজিদের বাহিরে দাঁড়িয়ে সাহায্য সংগ্রহ করে। হামাসের আহবানে মেয়েরা উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজের সোনার গহনা খুলে ত্রান বাক্সে দিয়ে দেন আর গরীব পরিবারগুলো চালের বস্তা দিয়ে সাহায্য করে। গোটা মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে দরিদ্রতম এ এলাকা থেকে সেসময় ১ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের খাবার, মূল্যবান সামগ্রী ও অর্থ সংগৃহিত হয়। আহমেদ কুর্দ বলেন, এটি ধারণা করাটা বোকামী হবে যে মানুষ শুধুমাত্র সাহায্যের জন্যই হামাসকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছে, বরং এর চাইতেও বেশি অর্থ তাদের আমেরিকা ও আন্তর্জাতিক গোষ্ঠিগুলোই দিয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক দাতা গোষ্ঠি শেষ ১০ বছরে ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্য দিয়েছে, ইসলামী সাহায্য সংস্থার সাহায্য যার শতকরা ১ ভাগও নয়। তারপরেও ফিলিস্তিনীদের অনুভূতি হচ্ছে, তুমি আমাকে টাকা দিচ্ছ এবং তুমিই আমাকে হত্যা করবে। আমাকে টাকা দিয়ে আবার তুমিই আমার বাড়ী গুড়িয়ে দেবে। তুমি আমাকে টাকা দিচ্ছ, পরে তুমিই আমাদের সন্তানকে হত্যা করতে বিমান পাঠাবে। &lt;br /&gt;হামাসের মতে আন্তর্জাতিক যে সাহায্য আসে, গরীব মানুষ অথবা অসহায় পরিবারগুলো, যারা ইসরাইলের হামলায় সর্বস্ব হারিয়েছে, তার খুব কম পরিমানই সরাসরি পেয়ে থাকে। দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে, পশ্চিমা গোষ্ঠি শুধুমাত্র রাস্তা পরিষ্কারকরন বা দেয়াল পুণঃ রংকরনের মতো প্রকল্পগুলোতেই কেবল অর্থ সাহায্য দিয়ে থাকে কিন্তু এতীমদের জন্য একটি পয়সাও অনুদান দেয়না। উপরন্তু তাদের জন্য বৃত্তি, বাড়ী নির্মান আর সরাসরি সাহায্য দেয়ার সমালোচনা করা হয়। দাইর আল বালাদ এলাকার ছোট্ট মহল্লায় চড়–ই পাখির মতো মাথা গুঁজে থাকা একশত পরিবারের জন্য হামাস মাসিক ৪০-১০০ ডলার অর্থ সাহায্যের পাশাপাশি মাংস, তেল, আটা, ডিম দিয়ে সাহায্য করে থাকে। নয় সন্তানের জননী, ৪১ বয়সী, আতাফ ওস্তাজ বলেন, হামাসের এইটুকু সাহায্যও না পেলে আমরা বিলীন হয়ে যেতাম। হামাস স্বাভাবিকভাবেই আমাদের ভোট পায়, কারণ আমাদের প্রয়োজনগুলো একমাত্র তারাই অনুভব করতে পারে। হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে শিশু, মাতৃ সেবা, দন্ত, অপারেশন পরবর্তী সেবাসহ নানা বিভাগে চিকিৎসা দেয়া হয়। এরকম একটি হাসপাতালের ডিরেক্টর আবু মুয়াম্মার বলেন, সরকারী হাসপাতােেল চিকিৎসার নিম্ন মান, উচ্চ মূল্য আর দুর্ব্যবহারের কারনে হামাস নিজ উদ্যোগে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় ব্রতী হয়েছে। এসব হাসপাতাল অন্যদের সাথে মূল্য অপেক্ষা মানের সাথেই প্রতিযোগিতা করে। হাসপাতালের লক্ষনীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, অভাবনীয় পরিচ্ছন্নতা এবং সাথে সাথে অন্যান্য প্রাইভেট কিনিক অপেক্ষা সুলভ মূল্যে সেবা। প্রথমে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হলেও রোগীর সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে তাতে মাসের শেষে লাভও পাওয়া যাচ্ছে। অতিরিক্ত লাভের প্রকৃত হকদার হাসপাতালের ডাক্তার আর কর্মচারীদের মধ্যে বন্টন করায় তারা উৎসাহিত হয়ে স্বেচ্ছাসেবকের ন্যায় কাজ করছে। এ সা লের ধারায় অচিরেই আরো দুটো কিনিক খোলার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। যেখানে সরকারী সেবা সকলের কাছে পৌঁছেনা, বেকারত্ব অসহনীয় পর্যায়ে পৌছেছে এবং পরিবেশ এমন, যেখানে বাস করাই দুঃসহ। হামাস হোমওয়ার্ক করে এ অবস্থাকে সঠিকভাবে উপলদ্ধি করেছে। বছরের পর বছরের ধরে সমাজের এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করছে, মসজিদগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করেছে। যখন মানুষ তাদেরকে নিজের পাশে থাকতে দেখতে অভ্যস্ত হয়েছে, তারা নিজেরাই হামাসকে ক্ষমতায় আসার জন্য স্বাগত জানিয়েছে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-6029867879259231340?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/6029867879259231340/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_4689.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/6029867879259231340'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/6029867879259231340'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_4689.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (৩য় পর্ব)পশ্চিমা বিশ্বকে চমকে দেয়া হামাসের বিজয়ের নেপথ্যে'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-2137761043610913851</id><published>2009-07-30T07:15:00.000-07:00</published><updated>2009-07-30T07:33:50.915-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (২য় পর্ব) মরক্কোর পার্লামেন্টে ইসলামী দলের সাফল্যের কারণ</title><content type='html'>কিছুদিন পূর্বে উত্তর আফ্রিকার সর্ব পশ্চিমের দেশ মরক্কোর পার্লামেন্ট নির্বাচনে ব্যাপক সাফল্য লাভ করে ইসলাম পন্থী জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (পিজেডি)। জাতীয়তাবাদী ইসতিকলাল পার্টি ৫২ আসনে জিতে সরকার গঠন করলেও ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ৪৭টি আসন নিয়ে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা পিজেডির উত্থান এখন সময়ের অপেক্ষায়। পশ্চিমা মিডিয়া ও এনজিওগুলোর সর্বাত্মক অপপ্রচার ও অর্থের লোভ দেখিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করায় নির্বাচন পূর্ব জরীপে ৭০-৮০টি আসন পাবার নিশ্চিত সম্ভাবনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তারা সরকার গঠন করতে পারেনি। ২০০২ সালের নির্বাচনে যেখানে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৫২%, সেখানে এবার ব্যাপক অপপ্রচার আর ভোটারদের ভয় ভীতি প্রদশর্নের কারনে মোট ভোট পড়েছে মাত্র ৩৭%, যা বর্তমান গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় স্বাভাবিক নয়। &lt;br /&gt;১. অর্থ, পেশী শক্তি এবং মিডিয়ায় ব্যাপক অপপ্রচারের কারনে যদিও ভোটার উপস্থিতি কম ছিল, তা সত্ত্বেও সাধারন মানুষের কাছে তাদের বক্তব্য ও কর্মসূচী অত্যন্ত পরিষ্কার। আর এ কারনেই দেশটির সব শ্রেনীর মানুষের কাছে রয়েছে তাদের ব্যাপক গ্রহণ যোগ্যতা। &lt;br /&gt;২. যেখানে ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, সেখানে দুর্নীতি, জঙ্গীবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে পিজেডি বরাবর কট্টর ভূমিকা পালন করে এসেছে, যা বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছে অনুকরনীয়। &lt;br /&gt;৩. বেকারত্ব ও দারিদ্র দুরীকরনে তাদের দলীয় প্রচেষ্টা ও ভবিষ্যত কর্মসূচীকে জাতির সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে এবং ক্ষেত্র বিশেষে নিজেদের নিয়ন্ত্রনাধীন এলাকায় রোড ম্যাপ বাস্তবায়নে কিছুটা সাফল্যও দেখাকে সক্ষম হয়েছে। &lt;br /&gt;৪. দেশ ও বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় হতে সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারী ও বাস্তব জীবনে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সফল পিজেডির নেতৃবৃন্দের সততা ও যোগ্যতার ব্যাপারেও জনগন সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল। &lt;br /&gt;আগামী নির্বাচনে শত অপপ্রচারের বিপক্ষে যে কোন মূল্যে জয় নিশ্চিত করতে এবার পিজেডি ব্যাপক কৌশল প্রণয়ন করছে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-2137761043610913851?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/2137761043610913851/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_1508.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/2137761043610913851'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/2137761043610913851'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_1508.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (২য় পর্ব) মরক্কোর পার্লামেন্টে ইসলামী দলের সাফল্যের কারণ'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-5017365116432652983</id><published>2009-07-30T07:11:00.000-07:00</published><updated>2009-07-30T07:15:19.395-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (১ম পর্ব)........সহস্র বাধার মুখেও অবিচল তুরস্কের ইসলামপন্থী শক্তির জনসমর্থন</title><content type='html'>সুচনা সংক্ষেপঃ&lt;br /&gt;মানুষ সৃষ্টির পর স্রষ্টার দেয়া প্রধান দায়িত্বই ছিল তার সৃষ্টি জগতে, তারই বিধান প্রতিষ্ঠায় সর্বদা ব্যাপৃত থাকা। মানৃষের সমগ্র জীবন ও কর্মকান্ডের মূল লক্ষ্যই হবে এ উদ্দেশ্য পূরন করা। লাখো নবী রাসুলের আগমন আর ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যুগে যুগে মানুষের যে প্রচেষ্টা, কালের সীমা অতিক্রম করে বর্তমান পৃথিবীতে সেই দায়িত্ব বর্তেছে আজকের মুসলমানদের ওপর। রাসুলগণ আর খোলাফায়ে রাশেদার রেখে যাওয়া এ দায়িত্ব পালন করাটা যে কতো দুরহ, ইসলামী আন্দোলনের একজন সামান্য সমর্থকও তা হাড়ে হাড়ে অনুভব করতে পারেন।প্রচলিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নামে পাশ্চাত্যতন্ত্র, ইসলামের বিপক্ষে বিপুল পরাক্রমশালী পরাশক্তি, দানবরূপ মিডিয়ার ভয়াল আগ্রাসন, কুটকৌশল আর ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল টপকে ইসলামকে বিজয়ী শক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের দুঃসাহসীরাই সে চ্যালেঞ্জ লুফে নিয়ে, ুদ্র থেকে বৃহৎ প্রচেষ্টায় বিজয় লাভের চেষ্টা করে যাচ্ছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ, বাংলাদেশেও রাষ্ট্র ক্ষমতায় ইসলামকে বিজয়ী শক্তি হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে জামায়াত, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট কিংবা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নামে একদল মানুষের নিরলস প্রচেষ্টা চলছে। গণতান্ত্রিক রাজনীতির স্বাভাবিক সুত্রেই কখনও আশা জাগানিয়া ভূমিকায় আবার কখনওবা হতাশাব্যাঞ্জক ভূমিকায় বারংবার নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছে তারা। সারা বিশ্বে চলমান কতেক রাস্ট্রে আবার লাভ করেছে অবিস্মরনীয় সাফল্য। কয়েকটি দেশে ইসলামী শক্তির সাফল্যের নেপথ্যের ঘটনাবলীকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ইসলামী শক্তির সম্ভাবনা বিশ্লেষনে একটি ছোট্ট প্রয়াস চালিয়েছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহস্র বাধার মুখেও অবিচল তুরস্কের ইসলামপন্থী শক্তির জনসমর্থন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০৬ সালে তুরস্কে অবিস্মরণীয় জয় পেয়েছে ইসলামপন্থী জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি) । মোট ভোটারের ৪৭ ভাগ জনসমর্থন নিয়ে ৫৫০ আসনের পার্লামেন্টে তারা ৩৪১টি আসনে বিজয় লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। মূলত এ নির্বাচন ছিল ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির বিরুদ্ধে ইসলামপন্থীদের বিজয়। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ বিরোধী অবস্থান, একেপির বিরুদ্ধে রাজধানী আঙ্কারায় লক্ষাধিক জনতা নিয়ে বিরোধীদের সমাবেশ এবং পাশ্চাত্য রাষ্ট্র ও মিডিয়ার সরাসরি বিরোধিতাকে মোকাবেলা করে একেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা এটাই প্রমাণ করে যে, জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারলে বর্তমান বিশ্বে উপরোক্ত অলঙ্ঘনীয় চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করা, কোন ব্যাপারই নয়।&lt;br /&gt;একেপির বিজয়ের সূচনা হয় মূলত ১৯৭০ সালে। প্রকৌশলী নাজিমুদ্দীন আরবাকানের নেতৃত্বে সেবার ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করে মিল্লি সালামত পার্টি (ন্যাশনাল স্যালভেশন পার্টি) এবং আরবাকান উপ প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন। কিন্তু ১৯৭১ সালে সেনাবাহিনী ধর্মনিরপেতা লঙ্ঘনের অভিযোগে তার দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ১৯৮০ সালে বিলুপ্ত দলটির মধ্যম সারির নেতাদের নিয়ে গঠিত হয় ওয়েলফেয়ার পার্টি। তুরস্কের ইতিহাসে আবারও নবচেহারায় উপস্থিত হয় ইসলামপন্থী শক্তি। গণমানুষের সমর্থন নিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে ভবিষ্যতমুখী রাজনীতির অংশ হিসাবে এ পর্যায়ে নিম্নোক্ত কিছু কৌশল হাতে নেয় তারা;&lt;br /&gt;১. রাজনৈতিক কৌশল সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে ওয়েলফেয়ার পার্টি জনগণের সেবায় পূর্ণ দলীয় শক্তি নিয়োগ করে। সমাজ কল্যাণমূলক কাজকেই মূল কৌশল বিবেচনায় নেয়া হয়। বিশেষত এসব কাজে যুব কর্মীদের ব্যাপক ভাবে প্রমোট করা হয়।&lt;br /&gt;২. জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি তারা ছোট-বড় শহরগুলোর মেয়র, বিভিন্ন শহরের ওয়ার্ড ও অন্যান্য প্রতিনিধিত্বমূলক আসনগুলোতে আসীন হবার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে ব্যাপক সামাজিক কাজ শুরু করে। &lt;br /&gt;৩. প্রথমেই পেশাগত ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এলাকা ভিত্তিক কমিটি গঠনের মাধ্যমে তারা জনগণের সাধারণ সমস্যা, যেমন রাস্তা-ঘাট মেরামত, বিয়ে ও সামাজিক উৎসবে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে অংশগ্রহণ, দাফন-কাফনে সহযোগিতা, পরিচ্ছন্নতা, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি, চিকিৎসাসহ যে কোন বিপদে সহযোগিতা ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসে। কয়েক বছরের মধ্যেই পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায়, টার্গেটকৃত এলাকার জনসাধারণ তাদের ব্যক্তিগত সমস্যার সমাধানের ব্যাপারেও ওয়েলফেয়ার পার্টির দারস্থ হতে শুরু করে।&lt;br /&gt;৪. ছোট-বড় শহরগুলোতে ব্যক্তি ও সামষ্টিক পর্যায়ে পরিকল্পিতভাবে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, ন্যায্য মূল্যে পণ্য সরবরাহ, টার্গেটকৃত আসন ভিত্তিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালনাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ ওয়েলফেয়ার পার্টির জনপ্রিয়তাকে তুঙ্গে নিয়ে যায়।&lt;br /&gt;৫. সর্বক্ষেত্রে নির্বাচিত ও প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তিদের ওপর মনিটরিং করা হয়, সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান ও সামান্য সমালোচনাকেও গুরুতর বিবেচনায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়। বিশেষ কমিটির দ্বারা কেন্দ্রীয়ভাবে টার্গেটকৃত এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা, পরামর্শ ও অগ্রগতির মনিটরিং চলে।&lt;br /&gt;৬. ধীরে ধীরে উক্ত এলাকার নির্বাচনগুলোতেও তার ফল আসতে শুরু করে। ১৯৮৪ সালে ওয়েলফেয়ার পার্টি মোট ভোটের ৪.৪%, ১৯৮৭ সালে ৭%, ১৯৮৯ সালের পৌর নির্বাচনে ৫টি বড় শহরসহ ১০০টি ছোট শহরে বিপুল বিজয় লাভ করে। প্রশাসনিক শক্তি দিয়ে চলমান কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হয়। এসব এলাকায় ওয়েলফেয়ার পার্টির সফলতা অন্যান্য এলাকার জনগণের ওপরেও ব্যাপক প্রভাব ফেলতে শুরু করে।&lt;br /&gt;৭. ১৯৯১ সালের নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোট বেড়ে দাঁড়ায় ১৬.৪% আর ১৯৯৪ সালে অবিস্মরণীয় বিজয়ের মাধ্যমে রাজধানী আঙ্কারা ও ইস্তাম্বুলের মেয়র পদসহ ২৭টি বড় শহর ও ৪০০টি ছোট শহরের মেয়র পদে বিজয় লাভ করে ওয়েলফেয়ার পার্টি। তুরস্কের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এরদোগান ছিলেন সেসময়ে নির্বাচিত ইস্তাম্বুলের জনপ্রিয় মেয়র।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিভিন্ন সময়ে ধর্মনিরপেক্ষতা লঙ্ঘনের অভিযোগে বারংবার নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টা চলে ইসলামপন্থী শক্তিকে। দল ও নেতৃত্বকে নিষিদ্ধ করা হলেও শুধু এ কারণে নিজেদের পিছু হটতে দেয়নি তারা। নতুন নামে আবার জনগণের অক্ষুণœ আস্থা নিয়ে প্রতিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তারা। ২০০১ এর নির্বাচনের পর পার্লামেন্টে একেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও জনসমর্থন থাকার পরেও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ধর্মনিরপেক্ষতা লঙ্ঘনের অজুহাতে সংকট সৃষ্টি করা হয়। এ ক্ষেত্রে এরদোগানের নেতৃত্বে একেপি কোনরূপ হঠকারিতায় না গিয়ে অত্যন্ত ধৈর্য ও প্রজ্ঞার পরিচয় দেয় এবং আগাম নির্বাচন ঘোষণা করে। তুরস্কের ইসলামপন্থী দল সকল রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিকূলতাকে মোকাবেলা করে ক্রমবর্ধমান হারে জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন লাভ করেছে। ক্রমবিকাশের ধারায় গণতন্ত্র ও আইনের শাসনকে আঁকড়ে ধরে, তা নিজেদের বিজয়ের কাজে ব্যবহার করার মাধ্যমে একেপি সরকার জনগণকে নিজের ওপর আস্থা স্থাপনে বাধ্য করেছে। একেপির এই বিপুল সাফল্যের পেছনে যে সব কারণকে মূল নিয়ামক বলে ধরা হয়, তা হল;&lt;br /&gt;ক্স সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য একেপি সরকার চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যাপক ভতুর্কী প্রদান করে তা জনগণের কাছে সহজলভ্য করে।&lt;br /&gt;ক্স শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কার ও স্কুলে পাঠ্য বই সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়।&lt;br /&gt;ক্স গরীবদের জন্য স্বল্প মূল্যে গৃহ নির্মাণের মাধ্যমে বাসস্থানের ব্যবস্থা একেপিকে এনে দেয় বিপুল সমর্থন।&lt;br /&gt;ক্স অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার কারণে মাত্র চার বছরের মধ্যে মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হয় ও ধনী-গরীব বৈষম্য কমে আসে।&lt;br /&gt;ক্স মত প্রকাশের স্বাধীনতায় কোন রূপ হস্তক্ষেপ করা হয়নি এবং বিরোধী দলের ইতিবাচক-নেতিবাচক উভয় কর্মকাণ্ডকে বুদ্ধিমত্তার সাথে প্রচার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।&lt;br /&gt;ক্স আইনÑশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও মানবাধিকার সংরণে সরকারের আপোষহীন ভূমিকা ছিল ব্যাপক প্রশংসার দাবীদার।&lt;br /&gt;ক্স নির্বাচনী কৌশল হিসাবে একেপি শাসনতন্ত্রে চাপিয়ে দেয়া ধর্মনিরপেক্ষ মূলনীতির সাথে সরাসরি সংঘর্ষে না জড়িয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করতে পারে এমন বিষয়গুলো সম্পূর্ণ এড়িয়ে মানবাধিকার, আইনের শাসন, গণতন্ত্র, বিশ্বায়ন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য পদ লাভের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোকে নির্বাচনী প্রচারণায় কাজে লাগিয়েছে।&lt;br /&gt;ক্স সময় ও পরিবেশ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের নীতি প্রণয়ন ও পরিবর্তনের পরেও একেপির বিপুল সংখ্যক কর্মী নেতৃত্বের উপর আস্থা রেখেছে এবং দলের জয় লাভকেই সর্বাগ্রে প্রাধান্য দিয়ে অবিচলভাবে কাজ করেছে ।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-5017365116432652983?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/5017365116432652983/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_30.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/5017365116432652983'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/5017365116432652983'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_30.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ (১ম পর্ব)........সহস্র বাধার মুখেও অবিচল তুরস্কের ইসলামপন্থী শক্তির জনসমর্থন'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-710079033498716473</id><published>2009-07-28T08:22:00.000-07:00</published><updated>2009-07-30T05:59:58.276-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ----দ্বিতীয় সংস্করনের কথা</title><content type='html'>অপার করুনাময়ের কাছে সিজদাবনত চিত্তে শুকরিয়া আদায় করছি যার অপার রহমতের বারিধারায় 'ইসলামী শক্তির বিজয়ঃ প্রেক্ষিত বাংলাদেশ' বইটির দ্বিতীয় সংস্করন প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। বইটি প্রকাশের পর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল, বাংলাদেশের শহর এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের যে সাড়া ও প্রতিক্রিয়া পেয়েছি, তাতে আমি সত্যিই অভিভূত। সাধারণ মানুষের মনের সাথে নিজের কথাগুলোর এহেন মিল দেখে কখনও কখনও খানিকটা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম। অনেক ইসলামী সংগঠণের কেন্দ্রীয় নেত্বৃৃন্দের পজিটিভ মন্তব্য আমাকে আশান্বিত করেছে, তারা অকাতরে উৎসাহ ও পরামর্শ দিয়েছেন। তবে দ্বিতীয় সংস্করনের পূর্বে কিছু বিষয়ে আমার বক্তব্য স্পষ্ট করা প্রয়োজন মনে করছি;&lt;br /&gt;(১) বইটিতে আমি বিশ্বের কিছু উদাহরণের আলোকে ইতিবাচক কর্মসূচীকে তুলে ধরতে চেয়েছি, কিন্তু সবকিছুকে অন্ধভাবে অনুকরন করতে হবে এমনটি কোথাও বলিনি, তা বিজ্ঞান সম্মতও নয় । বরং বাংলাদেশের প্রোপটে রচিত হবে আমাদের ভিশন।&lt;br /&gt;(২) কোন ব্যক্তি, সংগঠণ বা রাস্ট্রের সকল পলিসি একজনের পছন্দ নাও হতে পারে, তবে ভালো কাজের স্বীকৃতি এবং প্রয়োজনে ভালোটুকুর চর্চা করতে কোন বাঁধা থাকবার কথা নয়।&lt;br /&gt;(৩) অনেকেই বলেছেন, নানা সমস্যার কথাগুলো কম এসেছে এবং অনেক বিষয়ে যৌক্তিক সমালোচনা আসেনি। তাদের প্রতি সম্মানের সাখে বলতে চাই, সমালোচনার চাইতে পরামর্শ দেয়াটা আমি ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করি। সমস্যা থেকে শিা নেব, কিন্তু সমস্যাকে সাথে নিয়ে চললে তা আমাদের পিছিয়ে দেবে। আমাদের ল্য ভবিষ্যতমুখী, সেজন্যই সকল পুঁজি বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। তাছাড়া আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যিনি কোন সিষ্টেম বা পলিসির সমালোচনা করেন, তার উপর সেটির বিকল্প কি হতে পারে- তা বলে দেয়াটাও আবশ্যক। সংগঠণের পলিসি সম্মিলিত সিদ্ধান্তে হয় বলে ব্যক্তিকেন্দ্রীক সমালোচনা ফলপ্রসূ নয় বলেই আমার বিশ্বাস।&lt;br /&gt;(৪) বিভিন্ন ক্ষেেত্র পরামর্শ কম এসেছে বলেও অনেকে মন্তব্য করেছেন। আমি শ্রদ্ধার সাথে একমত হয়ে বলব প্রথম সংস্করণে বইয়ের দাম ও কলেবর সাধারন মানুষের নাগালে রাখার চিন্তাই বইটির অনেক বক্তব্যকে কাটাছাট করেছে। তাছাড়া আমি মনে করি সকল ইসলামী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে নিজস্ব প্লানিং এন্ড রিসার্চ সেল (পিআরসি) থাকা প্রয়োজন, যেখানে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন, ফলাফল পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নের সহযোগিতা সম্ভব হবে।&lt;br /&gt;পরিশেষে. আমি সকলের কাছে দোয়া, পরামর্শ এবং গঠণমূলক সমালোচনা প্রত্যাশা করছি এবং আমার পিতা-মাতা ও তাদের পিতা-মাতা; ভ্রাতৃবৃন্দ এবং বইটির প্রকাশক এ এম আমিনুল ইসলামের জন্য সওয়াবের অংশীদারিত্ব কামনা করছি।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-710079033498716473?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/710079033498716473/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_6984.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/710079033498716473'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/710079033498716473'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_6984.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ----দ্বিতীয় সংস্করনের কথা'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-8724728495371608836</id><published>2009-07-28T07:56:00.000-07:00</published><updated>2009-07-28T08:19:25.738-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='.ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ'/><title type='text'>ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ--- ভূমিকা</title><content type='html'>যেভাবে শুরু&lt;br /&gt;সকল প্রশংসা একমাত্র রাব্বুল আ’লামীনের। ২০০১ সালে বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে ইসলামপন্থী ও জাতীয়তাবাদী শক্তির অভূতপূর্ব বিজয়ের পর থেকেই প্রায়শ মনের ভেতর নানা রকম চিন্তা দোলা দিত। ভাবতাম; এই আন্দোলন কি এদেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে নাড়া দিতে পারে না? ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের অভিজ্ঞতা আর সততাকে কি আপন করে নিতে পারে না এদেশের খেঁটে খাওয়া মানুষ? ১৯৯৬ সালের বিপর্যয়ের পর ২০০১ সালেই আবার ঘুরে দাঁড়ানোটা কি কোন মেসেজ; নাকি ২০০৮ সালে এসে আবারও কোন পরীক্ষা নিতে চায় এদেশের জনগণ? অনেক বাধা, অপপ্রচার আর রাজনৈতিক নিপীড়নের স্বীকার এদেশের ইসলামী আন্দোলন। বহু ক্ষেেত্রই এসেছে সফলতা, আবার অনেক ক্ষেেত্র প্রবল জোয়ারে খানিক পিছু হটতে হয়েছে। ২০০৬ সালে তুরস্কে ইসলামপন্থীদের অবিস্মরণীয় বিজয়ের পর, আবারও পেয়ে বসে নস্টালজিয়ায়। এ যুগেও গণতান্ত্রিক পন্থায় ইসলামী শক্তি মতার কতো কাছে আসতে পারে; তুরস্ক, মরক্কো, ফিলিস্তিন এমনকি কিছুটা নমুনা বাংলাদেশেও পাওয়া গেছে। বিক্ষিপ্ত ভাবনা থেকেই ইচ্ছা জাগে কিছু লেখার। ওয়ান ইলেভেনের পর বাংলাদেশের প্রবল পরাক্রমশালী দলগুলোর চালকদের স্বজনপ্রীতি, সীমাহীন দুর্নীতি আর অযোগ্যতার চাক্ষুস প্রমাণ যখন একে একে বের হতে লাগলো, সাময়িকভাবে বাংলাদেশে সৃষ্টি হলো রাজনৈতিক শূন্যতা, তখন বারংবার একটি প্রশ্ন করেও জবাব খুঁজে পাইনি। সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত থেকে সফলভাবে সরকার পরিচালনার উদাহরণ থাকার পরও কেন মানুষ এদেশের ইসলামপন্থীদের বিকল্প শক্তি বলে গ্রহণ করতে ইতস্তত করছে? কি তাদের অপরাধ? নাকি চলার পথে কোথাও অপূর্ণতা রয়ে গেছে নিজেদেরই? নানা ভাবনার সম্মিলন আর বিভিন্ন প্রোপটে সমাজের নানা শ্রেণীর মানুষের ভালো লাগা- মন্দ লাগা আর চাওয়া-পাওয়াগুলোই তুলে আনার চেষ্টা করেছি। আমি ভালোভাবেই জানি গ্যালারীতে বসে চার-ছক্কা মারা বা খেলোয়াড়কে ডিরেকশন দেয়া আর প্রকৃত খেলোয়াড় হয়ে মাঠে খেলতে নামার ভেতর অনেক তফাৎ। নিজের মত চাপিয়ে দেবার মতো ধৃষ্টতা অথবা কোন প্রচেষ্টা আমার নেই। শুধু বিগত এক দশকে বিশ্বের কয়েকটি প্রান্তের কিছু দৃষ্টান্তের আলোকে ক্ষুদ্র মেধায় বাংলাদেশের নির্বাচন আর ইসলামী শক্তির সম্ভাবনা বিশ্লেষণের চেষ্টা করেছি। এ বইয়ের কথাগুলো কতটা বাস্তবায়নযোগ্য, তা নির্ধারকরাই বিচার করবেন। তবে সেই যাত্রা পথে আমার একটি প্যারা কিংবা বাক্য কাজে লেগে হয়ত জান্নাতের পথে আমাকে এগিয়ে দিতে পারে। মানুষ হিসাবে আমিও ভুল-ত্র“টির ঊর্ধ্বে নই, শুধরে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব। ইন্টারনেট, বিদেশী জার্নাল, দেশের দৈনিক আর সাপ্তাহিকগুলোর কাছে আমি ঋণী আর ঋণী তাদের প্রতি, যারা এ বইটি প্রকাশে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তা করেছেন। সকলের পর্বতসম ভালোবাসা, শুভকামনা আর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একদিন নিশ্চয়ই মানুষ দেখতে পাবে আকাঙ্খিত সোনালী ভোর।&lt;br /&gt;ডা. মুহিব্বুর রহমান রাফে&lt;br /&gt;তারিখ : পহেলা মার্চ ’০৯&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-8724728495371608836?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/8724728495371608836/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_4140.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/8724728495371608836'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/8724728495371608836'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_4140.html' title='ইসলামী শক্তির বিজয়: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ--- ভূমিকা'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-8320708669631714521</id><published>2009-07-28T07:02:00.000-07:00</published><updated>2009-07-28T07:42:02.152-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Science Fiction(সায়েন্স ফিকশন)'/><title type='text'>সায়েন্স ফিকশন: আগন্তুক</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sm8OJB5xSxI/AAAAAAAAAGo/zSCA3zsqxV0/s1600-h/001_1024.jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 200px; height: 150px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sm8OJB5xSxI/AAAAAAAAAGo/zSCA3zsqxV0/s200/001_1024.jpg" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5363521229513902866" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;এক.&lt;br /&gt;ব্যস্ত শহরের শেষ প্রান্তে পাহাড়ের সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে এগোলেই চোখে পড়ে গ্রানাইটের বিশাল বাড়ী।  বাড়ীটার পেছন দিকের একটা রুমে নিজের রিভলবিং চেয়ারে বসে আছে নুবান। পুরো ঘরটা সিলিকনের আসবাবপত্র দিয়ে সাজানো। তাতে ফুটে উঠেছে নুবানের বিম্ব। মাঝারি গড়ন, উজ্জ্বল চোখ বুদ্ধিদীপ্ত চাহনি আর সোনালী চুলের যুবকটির সামনে দেয়াল জুড়ে ত্রিমাত্রিক হলোগ্রাফে একের পর এক দৃশ্য ফুটে উঠছে, আর স্পিকারবিহীন দেয়াল থেকে ভেসে আসছে নরম সুর। মনে হচ্ছে সবকিছু চোখের সামনেই ঘটছে। পেছনে যান্ত্রিক শব্দে ফিরে তাকাল নুবান। গৃহস্থালী কাজের জন্য নতুন রোবট ‘প্লিট’ ভ্যাকুয়াম কিনার দিয়ে কার্পেট পরিস্কার করছে। হলোগ্রাফের দিকে পুনরায় মনসংযোগ করল নুবান।&lt;br /&gt;হঠাৎ করে হলোগ্রাফটাতে খবর পাঠকের অবয়ব দেখা গেল। এক আশ্চর্যজনক খবর শুনতে পেল নুবান। আকাশের বেশ কয়েক জায়গায়ই নাকি তীব্র নীল আলোযুক্ত ত্রিভুজাকৃতি যান দেখা গেছে। নিশ্চিতভাবে সেটা পৃথিবীর কোথাও নেমেছে। তবে ওয়ার্ল্ড ওয়াচ টাওয়ারের মাইক্রো কম্পিউটার সনাক্ত করেছে যানটা এ দেশেরই কোথাও ল্যান্ড করেছে। সম্ভাব্য জায়গার নাম শুনে আরো আশ্চর্যান্বিত হল নুবান। কেননা জায়গাটা তারই বাড়ীর আশে পাশে।&lt;br /&gt;বিকেলে পাহাড়ের বেড়াবার অভ্যাস নুবানের বহুদিনের। হিংস্র জীবজন্তুর ভয়ও নেই ততোটা। থাকবেই বা কি করে; পরিবেশ দূষণ আর পোচারদের অব্যাহত শিকারে লেপার্ড, সিংহ, পুমা জাতীয় প্রাণী ডাইনোসরের মতই আজ বলা যায় কিংবদন্তী। নুবান পাহাড়ের পাদদেশের পথ দিযে রোজকার মত হাঁটতে লাগল।&lt;br /&gt;অনেকক্ষণ হাঁটার পর এক জায়গায় অনেকগুলো গাছ উপড়ানো দেখতে পেল সে। অবাক হলো। কেননা আজকাল গাছ কাটতে হলে সরকারের কাছ থেকে রীতিমত অনুমতি নিতে হয়। আর একসাথে এতোগুলো গাছ কাটার অনুমতি কখনই দেয়া হয়না। কৌতুহলী হয়ে নুবান ডালপালা সরিয়ে সামান্য এগোতেই ভাঙ্গা ডালপালার নীচে একটা ধাতব জিনিসের সাথে ধাক্কা খেল। ঠিকমতো ঠাহর করতেই সে বুঝে গেল এটা সেই মহাকাশ যান। তখনি খস্ খস্ শব্দে দ্রুত পেছনে তাকাল সে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুই.&lt;br /&gt;অদ্ভুত এক প্রাণী। উচ্চতায় প্রায় নুবানের সমান। গ্লাভস পরা হাত দুটো দেখতে অস্বাভাবিক। মাথা হেলমেট জাতীয় মাস্ক দিয়ে সম্পূর্ণ আবৃত। নুবান প্রথমে ভড়কে গেলেও ভয় পেলোনা। বলল, ‘তুমি কে?’ প্রাণীটা কি বুঝল না বুঝল কে জানে। নুবানের কানে ‘ধট্র ঋকৃল্ঞ্চক্ষঞ৯৪ন’ এর মতন একটা শব্দ আসল। নুবান এতক্ষণে বুঝে গেছে প্রাণীটা কোন ক্ষতি করবেনা। প্রাণীটা নিজের হেলমেটে কপাল বরাবর একটি বোতামে চাপ দিল। তারপর নুবান শুনল, ‘আমি আগন্তুক’ নুবান বলল, ‘নাম কী তোমার?’&lt;br /&gt;‘গ্র“জান’&lt;br /&gt;‘এটা কোন নাম হল? বিস্ময় ঝরে পড়ল নুবানের কণ্ঠ থেকে।’&lt;br /&gt;‘আমাদের গ্রহে এমনই নাম হয়,’ বলল গ্র“জান।&lt;br /&gt;‘তোমার গ্রহের নাম কী?’&lt;br /&gt;‘আমি প্লুটোর ক্যারণ থেকে এসেছি।’&lt;br /&gt;গ্র“জান তাকে অনুসরণ করতে বলে চলতে আরম্ভ করল। কিছুণ পরই একটা ধাতব দরজা দেখতে পেলো নুবান। ত্রিভুজাকৃতির যানটায় প্রবেশ করল তারা।&lt;br /&gt;ভেতরে ঢুকেই অবাক হল নুবান। চারদিকে অচেনা সব যন্ত্র। অজ্ঞাত কোন ধাতুর তৈরী সেসব। অতি পাতলা কিন্তু ইস্পাত কঠিন। গ্র“জান ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল। তারপর একে একে সব খুলে বলল, সার কথায়, গ্র“জন ক্যারন থেকে তার যান নিয়ে বের হয়েছিল। কিন্তু ভলকানোর সীমানায় আসার আগেই গার্ড মিগগুলো মিসাইল ছুঁড়লে তার যানের একটা পাখা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উড়তে উড়তে সে শেষ পর্যন্ত কোন মতে পৃথিবীতে এসে পড়েছে। যানটা মেরামত করতে তিনদিন সময় লাগবে। তার আগ পর্যন্ত এটাকে লুকাতে হবে। নুবান বাড়ীতে গিয়ে তার গাড়ীটা নিয়ে এল। তারপর মহাকাশ যানটাকে গাড়ীর সঙ্গে বেঁধে টেনে নিয়ে পাহাড়ের এক গোপন সুড়ঙ্গ পথে ঢুকাল। গাড়ীটা সুড়ঙ্গের বাইরে রেখে ভেতরে ঢুকল নুবান। সে গ্র“জানকে যানটা থেকে একটা অদ্ভুত অস্ত্র নিয়ে এসে সুড়ঙ্গমুখে দাঁড়াতে দেখল। লক খুলে সুড়ঙ্গের ঢাল বরাবর তাক করে টিপে দিল বাটন। এক ঝলক নীল বজ্র বেরিয়ে  এলো সেটা থেকে। সাথে সাথে পাহাড় ধ্বসে বন্ধ হয়ে গেলো সুড়ঙ্গের অপর প্রান্তের অন্তহীন অন্ধকার। দেখে গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল তার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিন.&lt;br /&gt;খোঁ খোঁ করে বিচ্ছিরিভাবে হাসল গ্র“জান। বলল, “ভয় পেয়েছ? না, যা ভাবছ তা নয়, এসো আমার সাথে।” যানটায় ঢুকে একটা বাটনে টিপতেই সারা সুড়ঙ্গ মহাকাশযানের আলোতে আলোকিত হয়ে উঠল। গ্র“জান তাকে রেফ্রিজারেটরের মত একটা যন্ত্রের কাছে আনল। তবে যন্ত্রটা অনেক বড় আর প্রশস্ত। নুবান জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে চাইল গ্র“জানের দিকে।&lt;br /&gt;গ্র“জান বলল, এটা ইলেকট্রন ট্রান্সমিটার। আমাদের সর্বাধুনিক আবিস্কার। এটা ট্রান্সফার করা যায়। ফ্যাক্স যেমন যে কোন শব্দ বা ছবিকে অন্য মেশিনে ট্রান্সফার করে, এটাও প্রাণীর প্রতিটি অনু পরমাণুকে ভেঙ্গে তার ইলেকট্রন, প্রোটন নিউট্রনকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে পুণরায় উত্থাপন করে। বিশ্বাস হচ্ছে না? তাহলে তোমার বাড়ীর দিক, আর দূরত্ব বলো, তারপর দেখো।&lt;br /&gt;নুবান ঢোক গিলে গ্র“জানকে ওর বাড়ীর দিক আর দূরত্ব জানালো। গ্র“জান যন্ত্রটার দিক আর দূরত্ব নির্দেশক কাঁটা প্যানালের নির্দিষ্ট অবস্থানে ঠিক করে যন্ত্রের ভেতর নুবানকে নিয়ে ঢুকল। নির্দিষ্ট বাটনে চাপ দিতেই নুবান দেখল সে তার ঘরে দাঁড়িয়ে। পাশে গ্র“জান।&lt;br /&gt;বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলো সে। আর গ্র“জান ঘরের চারপাশ মাথা ঘুরিয়ে দেখতে লাগল। হঠাৎ সিলঝিনিয়ামের আয়নাটা তার দৃষ্টি কাড়ল। সেটায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখে মুগ্ধ হল সে। নুবানকে জানালো তাদের গ্রহে এখনও আয়নার আবিস্কার হয়নি। নুবান তাকে জিজ্ঞাসা করল, ‘তোমার যান সারাতে কি কি জিনিস লাগবে?’ গ্র“জান তাকে বুঝিয়ে দিতেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেল নুবান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে ওয়ার্ল্ড ওয়াচ টাওয়ারে মাইক্রো কম্পিউটারের ষড়ভূজাকৃতি মনিটরের সামনে বসে নিজের চুল ছিঁড়ছে ক্রিস। এখন পর্যন্ত মহাকাশযানটার খোঁজ পাওয়া গেলো না। সে জানে যানটা কব্জা করতে পারলে বিশ্বের সর্বোচ্চ বিজ্ঞানীর আসন তার জন্য ঠিক হয়ে আছে। তন্ন তন্ন করে খুঁজেও সেটার পাত্তা পাওয়া যায়নি। পাহাড়ের গায়ে লাগানো মোশন ডিটেক্টরও ব্যর্থ হয়েছে। ক্রিস ঠিক করল সে নিজেই খুঁজতে যাবে। ক্যাপসুল লিফ্ট বেয়ে নিচে নেমেই উঠে বসল নিজের সিডিটি মোটরে।&lt;br /&gt;ইতোমধ্যে নুবান জিনিসগুলো গ্র“জানকে এনে দিল। গ্র“জান তখনও মন্ত্রমুগ্ধের মত আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজের চেহারা দেখছে। নুবানের সাড়া পেয়ে ফিরে তাকাল সে। নুবান জিজ্ঞাসা করল, ‘এবার সুড়ঙ্গে যাবে কীভাবে?’ আবার সেই বিচ্ছিরি হাসি হাসল গ্র“জান। বলল, ‘যন্ত্রটা আমাদেরকে এখানে পাঠিয়ে ওই ওখানে একটা কৃত্রিম বিভব সৃষ্টি করে রেখেছে। ওখানে দাঁড়ালেই আমাদের টেনে নেবে।’ আঙ্গুল দিয়ে দেখাল সে। এগিয়ে গেল সেদিকে গ্র“জান। তাকে অনুসরণ করল নুবান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চার.&lt;br /&gt;সকল জায়গা তন্ন তন্ন করে খুঁজে ক্রিস শেষ পর্যন্ত নুবানের বাড়ীতে উপস্থিত হল। নুবানের বাড়ীতে কয়েকটা রোবট ছাড়া আর কিছু চোখে পড়লনা তার। হঠাৎ হাতের পটেনশিয়াল ডিটেক্টর বিপ্ বিপ্ শব্দ করতে লাগল। কাছাকাছি কোথাও উচ্চ বিভব সৃষ্টি হয়েছে। নুবানের বাড়ীতে প্রবেশ করল সে। ডিটেক্টরের শব্দ অনুসরণ করে অবশেষে সে নুবানের ঘরে এসে উপস্থিত হল। কেউ নেই ঘরে। কেউ নেই ঘরে। তাহলে উচ্চ বিভবের কারণটা কী? প্রশ্ন জাগল তার মনে। হঠাৎ করে বিপ্ বিপ্ শব্দ বন্ধ হয়ে গেলো। সামান্য চিন্তা করতেই বুঝে গেলো সে। হাত বাড়ালো নুবানের কমিউনিকেশন মডিউলের দিকে।&lt;br /&gt;সুড়ঙ্গে পৌছেই গ্র“জান বাটন টিপে বন্ধ করে দিল যন্ত্রটা। তারপর শুরু হয় কাজ। সময় কেটে যাচ্ছে পানির মত। নুবান এক রকম বসেই আছে আর গ্র“জান কাজ করছে বিরামহীন, অপেক্ষার পালা শেষ হবার নয়।&lt;br /&gt;ব্যাস, এক সময় বলে উঠল গ্র“জান ‘আর ১৭ ঘন্টা ২৯ মিনিট ১৩ সেকেন্ড পরই যাত্রা করব আমি।&lt;br /&gt;নুবান বলল, এর মধ্যে পুরো একটা দিন শেষ? বুঝতেই পারিনি।&lt;br /&gt;হঠাৎ প্রচন্ড ক্ষুধা অনুভব করল নুবান। গ্র“জানকে জানাতেই সে বলল, তোমাদের এই এক ঝামেলা খাওয়া-দাওয়া। আমাদের আবার এসবের বালাই নেই। যাই হোক কাজ তো শেষ। এখন সুড়ঙ্গ মুখ খুলে দিচ্ছি। সেই অদ্ভুত যন্ত্রটা নিয়ে আগের মত টিপতেই প্রচন্ড বিস্ফোরণে পথ পরিস্কার হয়ে গেল। সুড়ঙ্গের বাইরে আসতেই দুজনের চোখ ছানা বড়া।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাঁচ.&lt;br /&gt;ক্রিস আর তার দুসঙ্গী বাঘা সাইজের দুটো অস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ক্রিসের ছবি অবশ্য হলোগ্রাফে দেখে ছিল বলেই নুবান দেখা মাত্রই চিনতে পারল। ক্রিসের লোভী চোখ দুটো চকচক করছে ধূর্তামীতে। মুখে ক্রুরতার ছাপ। গ্র“জানকে উদ্দেশ্য করে বলল, তুমি নিশ্চয়ই সে, যাকে আমি খুঁজছি। আমার তোমাকে চাই। এমনি চলো, নয়তো জোর করে নিয়ে যাব।&lt;br /&gt;নুবানের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এজন্যই সারা দিন তোমার পাত্তা ছিলনা। ভাগ্যিস গুহার সামনে তোমার গাড়িটা দেখেছিলাম। যাক দেখছই তো কী ঘটছে?’&lt;br /&gt;চিবিয়ে চিবিয়ে নুবানকে বলল ক্রিস, ‘তুমি ওকে পালাতে সাহায্য করতে চেয়েছ, তোমার বেঁচে থাকাটাও আমার জন্য বিপদজনক। অতএব প্রস্তুত হও ......&lt;br /&gt;কথা শেষ হলোনা তার। গ্র“জান তার যন্ত্রটা হঠাৎ টিপে দিয়েছে। নীলবজ্র গিয়ে প্রচন্ড আঘাত করল তিনজনকে। বেঁচে থাকার প্রশ্নই আসেনা। বজ্রাহত ক্রিসের অবস্থা দেখে শিউরে উঠল নুবান। গ্র“জানের দিকে ফিরে তাকাতেই আরেক দফা হোঁচট খেল সে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছয়.&lt;br /&gt;হেলমেট আর গ্লাভস পরিহিত গ্র“জান খুলে ফেলেছে সব। একজন মানুষ, যাকে নুবান খুব ভালভাবে চেনে ওয়ার্ল্ড স্টেটের সর্বোচ্চ মতাধর বিজ্ঞানী মিরন। &lt;br /&gt;বিস্মিত নুবানকে বলল সে, অবাক হচ্ছ, তাইনা! আসলে এই লোভী ক্রিস আমাকে বেশ জ্বালাচ্ছিল। আমার একটা গুরুত্বপূর্ণ ফর্মূলা চুরি করে আমাকে ব্লাক মেইল করছিল। এই যে অস্ত্র, ইলেকট্রন ট্রান্সমিটার, এসব গোপন আবিস্কারকে সে নিজের অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে চেয়েছিল।&lt;br /&gt;তারপর মৃত ক্রিসের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘সে লোভ করেছিল, প্রাণ দিয়ে সেটার শোধ দিতে হল। লোভ আর অসৎ উচ্চাশাই তাকে ধ্বংস করল। সব সময় এমনটাই ঘটে।’&lt;br /&gt;নুবানের কাঁধে হাত রেখে তাকে বলল, আমার মহাকাশ যানটার কিছুই হয়নি। আসলে পাপীটাকে শাস্তি দেবার জন্য তোমার সাথে অভিনয় করতে হয়েছে। তবে তোমার সাহায্য আর বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব আমার ভাল লেগেছে। সবাই এমন হলে কতইনা ভাল হত। যাক, এবার আমাকে বিদায় দিতে হয়। আবার দেখা হবে।&lt;br /&gt;বিহ্বল, হতবাক নুবানের সামনে দিয়ে নিজের যানে উঠল মিরন। হাত নাড়ল। তারপর কিছুক্ষণের মধ্যেই চালু হল সেটা। ধীরে ধীরে সুড়ঙ্গ দিয়ে বেরিয়ে বিদ্যুৎ বেগে আকাশে উড়ে গেলো মহাকাশ যানটা। নীল ত্রিভুজের মত লাগছে যানটাকে। নুবানের কাছে সব স্বপ্ন বলে মনে হচ্ছে। আকাশের পানে হারিয়ে যাওয়া মহাকাশ যানটার ক্ষণিকের আগন্তুকের উদ্দেশ্যে আস্তে হাত নাড়লো বিহ্বল নুবান।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-8320708669631714521?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/8320708669631714521/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_28.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/8320708669631714521'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/8320708669631714521'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_28.html' title='সায়েন্স ফিকশন: আগন্তুক'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sm8OJB5xSxI/AAAAAAAAAGo/zSCA3zsqxV0/s72-c/001_1024.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-189256374982906912</id><published>2009-07-27T05:57:00.000-07:00</published><updated>2009-07-28T06:58:11.787-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Medical Jokes(মেডিকেল জোকস)'/><title type='text'>মেডিকেল জোকস-৪: সুগার লেভেল</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sm8D6_c5z8I/AAAAAAAAAGY/6LFWsAJgMXY/s1600-h/philosophy-practical-uses.jpg"&gt;&lt;img style="float:right; margin:0 0 10px 10px;cursor:pointer; cursor:hand;width: 134px; height: 200px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sm8D6_c5z8I/AAAAAAAAAGY/6LFWsAJgMXY/s200/philosophy-practical-uses.jpg" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5363509993221509058" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই সাকিব রান্নাঘরে ঢুকে চিনির বয়ামটার মুখ খুলে ভেতরে একবার দেখল। কিছুক্ষণ পর সে আবার রান্নাঘরে ঢুকে চিনির বয়াম পরীক্ষা করল। পুরো ব্যাপারটাই লক্ষ করছিল সাকিবের স্ত্রী।&lt;br /&gt;কী ব্যাপার-জিজ্ঞেস করতেই সাকিব জানাল, ডায়াবেটিস আছে কি না জানতে কাল সে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল। ডাক্তার তাকে কিছুক্ষণ পর পর সুগার লেভেল ঠিক আছে কি না চেক করতে বলেছেন।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-189256374982906912?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/189256374982906912/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_9470.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/189256374982906912'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/189256374982906912'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_9470.html' title='মেডিকেল জোকস-৪: সুগার লেভেল'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sm8D6_c5z8I/AAAAAAAAAGY/6LFWsAJgMXY/s72-c/philosophy-practical-uses.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-7152406655064573578</id><published>2009-07-27T05:38:00.000-07:00</published><updated>2009-07-27T05:56:53.946-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Medical Jokes(মেডিকেল জোকস)'/><title type='text'>মেডিকেল জোকস-৩: একটা খারাপ আর একটা খুব খারাপ</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://1.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sm2j8tzLsTI/AAAAAAAAAGI/NYZknf7BDUk/s1600-h/surprised.jpg"&gt;&lt;img style="float:right; margin:0 0 10px 10px;cursor:pointer; cursor:hand;width: 190px; height: 200px;" src="http://1.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sm2j8tzLsTI/AAAAAAAAAGI/NYZknf7BDUk/s200/surprised.jpg" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5363122994749878578" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;ডাক্তার রোগীকে ফোনে : আপনার জন্যে একটা খারাপ আর একটা খুব খারাপ খবর আছে।&lt;br /&gt;রোগী : খারাপ খবরটাই আগে বলুন।&lt;br /&gt;ডাক্তার : মেডিক্যাল টেস্টে জানা গেছে আপনার আয়ু চব্বিশ ঘন্টা।&lt;br /&gt;রোগী: মাই গড!!! এটা খারাপ খবর হলে আরো খারাপ খবরটা কি?&lt;br /&gt;ডাক্তার : আমি গতকাল থেকে ফোনে আপনাকে ট্রাই করে যাচছি এই খবরটা দেওয়ার জন্য।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-7152406655064573578?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/7152406655064573578/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_5487.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/7152406655064573578'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/7152406655064573578'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_5487.html' title='মেডিকেল জোকস-৩: একটা খারাপ আর একটা খুব খারাপ'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sm2j8tzLsTI/AAAAAAAAAGI/NYZknf7BDUk/s72-c/surprised.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-3413497200069455781</id><published>2009-07-27T04:57:00.000-07:00</published><updated>2009-07-27T05:38:15.323-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Medical Jokes(মেডিকেল জোকস)'/><title type='text'>মেডিকেল জোকস-২ঃ কাশি প্রাকটিস</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sm2fr-jjIAI/AAAAAAAAAGA/d3wYLVyi2uA/s1600-h/2006092100230301.jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 150px; height: 200px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sm2fr-jjIAI/AAAAAAAAAGA/d3wYLVyi2uA/s200/2006092100230301.jpg" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5363118309143420930" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;ডাক্তারঃ মনে হয় ঔষধ টায় কাজ হয়েছে। আজ আপনার কাশির আওয়াজটা বেশ ভাল ঠেকছে।&lt;br /&gt;রোগীঃ ভাল তো ঠেকবেই। কাল সারা রাত জেগে কাশিটা প্রাকটিস করেছি যে!&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/3609085743300994403-3413497200069455781?l=dhakavoice.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://dhakavoice.blogspot.com/feeds/3413497200069455781/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_27.html#comment-form' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/3413497200069455781'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/3609085743300994403/posts/default/3413497200069455781'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://dhakavoice.blogspot.com/2009/07/blog-post_27.html' title='মেডিকেল জোকস-২ঃ কাশি প্রাকটিস'/><author><name>Muhibbur Rahman Rafe</name><uri>http://www.blogger.com/profile/09888554475089639001</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/Sm2fr-jjIAI/AAAAAAAAAGA/d3wYLVyi2uA/s72-c/2006092100230301.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-3609085743300994403.post-3951319651099985504</id><published>2009-07-09T00:56:00.000-07:00</published><updated>2009-07-24T00:56:23.224-07:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='Science Fiction(সায়েন্স ফিকশন)'/><title type='text'>সায়েন্স ফিকশনঃ  গিনিপিগ</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/SmlpC1DlYUI/AAAAAAAAADA/ldqlUAvXY84/s1600-h/121.jpg"&gt;&lt;img style="float:left; margin:0 10px 10px 0;cursor:pointer; cursor:hand;width: 320px; height: 213px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_F13G_TJUkPQ/SmlpC1DlYUI/AAAAAAAAADA/ldqlUAvXY84/s320/121.jpg" border="0" alt=""id="BLOGGER_PHOTO_ID_5361932328684052802" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;উঁচু ছাদ বিশিষ্ট বিশাল রুমটির ঠিক মাঝে আপন মনে কাজ করে চলেছেন মাঝবয়সী,ফর্সা সৌম্য একজন ব্যক্তি। আপাদমস্তক হালকা নীল পোশাকে মোড়ানো। পেটানো শরীর দেখলে আসল  বয়স আন্দাজ করা কঠিন। কাঁচা পাকা কোকড়ানো চুল, চোখে রিমলেস চশমা। দেখেই বোঝা যাচ্ছে তিনি গভীর মনোযোগ দিয়ে কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন। হঠাৎ করেই ঝকঝকে ডেস্কের কোণে ভিসি ফোনটি বিপ’বিপ আওয়াজ করে উঠল। মনোসংযোগ বিচ্ছিন্ন হলো তার। একমুহূর্ত সে তাকিয়ে,  অ্যানসারিং বাটনটি স্পর্শ করতেই স্ক্রীণে দেখা 
